বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

নীল ঘুঘু,হলুদ চড়ুই

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X নীল ঘুঘু,হলুদ চড়ুই লিখাঃ Habibul Hasan Hasib . কলেজে আমি তখন ২য় বর্ষের ছাত্র। আমার জুনিয়র আছে ভাবতেই কেমন যেন লাগে। জুনিয়র রা আসার পর থেকেই আমার বন্ধুরা প্লানিং শুরু করে দিয়েছে কে কাকে প্রপোজ করবে। আমাকেও জিজ্ঞেস করেছিলো। আমি বলেছিলাম -আমি শেয়ার বাজারে ইনভেস্ট করতে চাই না। আমার বন্ধুরা এক গাল হেসে নিলো। . কলেজের ৩য় তলায় আমার ক্লাশ। আমি সিয়াম। কলেজে মোটামুটি রেগুলার উপস্থিত থাকতাম। বন্ধুদের সাথে আড্ডা, কলেজ, মাঝে মাঝে ঘোরাঘুরি নিয়েই সময় কাটতো। মেয়েদের সাথে একদমই কথা বলতাম না। দূরে দূরে থাকতাম। মেসে থাকতাম বলে শাসন করার কেউ ছিলো না। অবশ্য শাসন করার মতো তেমন কাজ আমি করতাম না। তাই স্বাধীন জীবন বলতে কি বোঝায় তা জানতাম। আমার সকল ফ্রেন্ডদের উইক পয়েন্ট ছিলো তাদের জিএফ। আমার ক্ষেত্রে আমি এই ভাইরাস থেকে মুক্ত। আমার লজিক ছিলো এর বিপরীত। আমি এইসব মরিচিকায় বিশ্বাসী না। বন্ধুদের সাথে একদিন এ নিয়ে কথা হয়েছিলো। আমি আমার লজিক দিয়ে তাদের বোঝালাম। শেষে বোকা আমিই হয়েছি। . কিছুদিন গেলো এভাবেই। আমি কলেজে একটা কাজে এসেছিলাম। সেদিন ক্লাশ করিনি। দাঁড়িয়ে ছিলাম নিচ তলায় সিড়ির পাশে। বন্ধুদের সাথে কথা বলছিলাম। তখন সম্ভবত ১ম বর্ষের ক্লাশ শেষ হয়েছে। একঝাক নতুন শিক্ষার্থী নামলো সিড়ি দিয়ে। সেদিকে তাকানোর বিন্দুমাত্র ইচ্ছা আমার ছিলো না। কিন্তু কি আর করার। তবুও তাকালাম। কারণ আমার চোখতো আটকে গেছে। আটকাবার ই কথা। মেয়েটার বর্ণনা দিয়ে তাকে তুলনায় ফেলতে চাই না। এক কথায় অসাধারণ। হঠাৎ তার চোখে চোখ পড়লো। আমি লজ্জায় চোখ ফিরিয়ে নিলাম। মেয়েটি হেসেছিলো। আমি চোখ ফেরানোর পরেও লজ্জা পাচ্ছিলাম। আজকের মতো কলেজ থেকে চলে এলাম। রুমে ফিরে তবুও ভাবছিলাম তার সাথে চোখাচোখি হওয়ার ঘটনাটা। শুয়ে শুয়ে ভাবছি আর লজ্জায় মনে মনে হাসছি। . জীবনের প্রথম কোনো মেয়ের প্রতি দূর্বলতা টা কাটিয়ে নিলাম কয়েক দিনেই। কিন্তু কিছুদিন পর আবার দেখা হওয়ায় সেটা আবার বেড়েই যাচ্ছিলো। নিজেকে সামলিয়ে নিলাম অনেক কষ্টে। . আমার ফাইনাল পরীক্ষার সময় হয়ে গিয়েছে। কলেজে বিদায় অনুষ্ঠান ছিলো। ভাগ্য বশত আজ কলেজে দেরিতে পৌছালাম। গিয়ে দেখি অনুষ্ঠান প্রায় মাঝ পথে। আস্তে করে হলরুমে ঢুকে বসে পরলাম। স্টেজের দিকে তাকিয়ে দেখি মেয়েটি বক্তৃতা দিচ্ছে। ১ম বর্ষের পক্ষে ২য় বর্ষের প্রতি কিছু কথা বলছে। ইশ যদি একটু আগে আসতাম তবে হয়তো নামটা জানতে পারতাম। এর পর হঠাৎ আমার নাম ডাকলো। আমাকে বিদায়ি ভাষণ দিতে হবে। আগেও ভাষণ দেয়ের অভিজ্ঞতা ছিলো তাই বিনা সংকোচে স্টেজে উঠে কিছুক্ষন বকবক করলাম। স্টেজে উঠেও মেয়েটির চোখেচোখ পড়েছিলো। আমি আবার দৃষ্টি নামিয়ে নিলাম। অনুষ্ঠান শেষে চলে আসলাম। আর শুরু করে দিলাম পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়ে। কারণ ছাত্র জীবনে যে পড়াই একমাত্র ধর্ম ও কর্ম। . পরীক্ষা শেষে এখন প্রস্তুতির পালা ভর্তি যুদ্ধ। নেমে গেলাম ৩য় বিশ্বযুদ্ধের মাঠে। তুমুল গোলাগুলির পর চান্স পেলাম ঢাবিতে। সাবজেক্ট ও ভালই পেলাম। ফার্মেসী। আমার ইচ্ছাই ছিলো ফার্মেসীতে পড়ার। ইচ্ছা পূরণ হলো। . ৫ বছর পর ভার্সিটি লাইফের সমাপ্তি ঘটলো। এর মাঝে ঘটে গেছে অনেক স্মৃতিময় ঘটনা। রয়েছে অনেক না ভোলা দিন। ভার্সিটিতে এসেও আমার লজিক গুলি আগের মতোই রয়ে গেলো। ভার্সিটিতেও কোন মেয়ের পাল্লায় পড়িনি। অবশ্য একবার শুভ্রা নামের এক মেয়ে প্রপোজ করেছিলো। আমি আবার বলেছি -আমি শেয়ার মার্কেটে ইনভেস্ট করি না। তার পর শুভ্রার কি কান্না। তার কান্না দেখে আমিও কেঁদে ফেলেছিলাম। কিন্তু কি আর করার আমিতো শেয়ার মার্কেটে ইনভেস্ট করি না। শুনেছি তার বিয়ে হয়ে গিয়েছে। দাওয়াত দিয়েছিলো। যাই নি। তবে একটা সুন্দর গিফট পাঠিয়ে দিয়েছি। . আজ দেশে ফিরলাম। অনার্স শেষ করে বিদেশে গিয়েছিলাম পিএইচডি করতে। পিএইচডিও শেষ হলো। WHO তে চাকুরিও পেলাম। পোস্টিং সাউথ আফ্রিকায়। এমাসে ছুটিতে এসেছি। অনেক দিন পরে দেশের মাটিতে পা রাখলাম। সে আনন্দ অব্যক্তই থাকুক। বিমান বন্দর থেকে আমার বাড়ি বেশি দূরে নয়। রিক্সাতেই যাওয়া যায়। রিক্সায় চড়ার লোভটা সামলাতে পারলাম না। রিক্সায় করে পৌঁছে গেলাম বাড়িতে। দরজায় নক করতেই গেট খুললেন আম্মু। সালাম দিয়েই জড়িয়ে ধরলাম তাঁকে। এখন শুরু হলো কান্নার পালা। আনন্দের কান্না। একে একে সবার সাথে দেখা হলো। সবাই মহা খুশি। বিদেশ থেকে আনা গিফট গুলি সবাইকে দিলাম। রাতে খাওয়ার পরে আম্মু,আব্বু সহ পরিবারের সবাইকে নিয়ে বসে আড্ডা দিচ্ছিলাম। আড্ডার মুড টাই নষ্ট করে দিলো একটা কথায়। কি কথা জানতে চান? আচ্ছা বলছি. -বাবা অনেক দিনতো দেখের বাইরে ছিলি। এবার দেশেই পোস্টিং নে? (আম্মু) -আম্মু সেটা তো সম্ভব না। আমি নিজে পোস্টিং এর জন্য এপ্লাই করতে পারি না। -তো দেশেই চলে আয় চাকুরীটা ছেড়ে দিয়ে? (আব্বু) -আমিও সেটাই ভাবছি। দেখি পরের মাসে গিয়ে সব কিছু গুছিয়ে চলে আসবো। -পরের মাসে? ( বড় আপু, ছোট আপু একসাথে। তাদের কথা শুনে ভাগ্নে,ভাগ্নিরাও বলল পরের মাসে) -কেন কি হয়েছে? -মামা তোমার বিয়ে তো পরের মাসে (ভাগ্নি বলল) -কি??? -হুম তোকে না জানিয়ে আমরা মেয়ে দেখেছি। আমাদের পছন্দ হয়েছে। তোর পছন্দ হলেই পাকা কাজ শেষ করবো। (বড় আপু) -আমাকে জানেবে না আগে -এখন তো জানলি (ছোট আপু) -এখনি বিয়ে করবো না। এতো তাড়াতাড়ি কেউ বিয়ে করে নাকি? -তাড়াতাড়ি মানে? তোর পিএইচডি শেষ হয়েছে আর তুই বলছিস এতো তাড়াতাড়ি? -ইয়ে মানে...? -কোন কথা নেই। এই খামে মেয়ের ছবি আছে নাম্বার,ঠিকানা সব আছে। সময় মতো দেখা করে নিস। -হুম। খামটা হাতে নিলাম। আমার ঘরে ঢুকে ড্রয়ারে রেখে দিলাম। এসব চিন্তা বাদ দেয়ার জন্য তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়লাম। . সকালে নাস্তার টেবিলে আপু বলল- -কিরে আজ দেখা করবি? -কার সাথে? -কার সাথে মানে? কাল না একটা ছবি দিলাম। মেয়াটার সাথে দেখা করবি না। আজ মেয়েটা ফ্রি আছে। -আচ্ছা চেষ্টা করবো -চেষ্টা না। দেখাই করতে হবে। -হুম . বাড়ি থেকে বেড়িয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে বেড়িয়ে পড়লাম। আড্ডা দিচ্ছিলাম আমাদের সেই চিরোচেনা গোল চত্বরে। স্কুল লাইফ থেকে এখানেই আমরা আডা দিই।। . দিন গুলি ভালোই কাটছে। কিন্তু সমস্যা রাতে। কারণ প্রতিদিন রাতে সবাই শুধু বিয়ের কথা বলে। অবশেষে বলে দিলাম -ঠিক আছে। আপনারা পাকা কথা বলে ফেলেন। -মেয়ের সাথে দেখা হয়েছে। -হুম। -কেমন লেগেছে? -আপনাদের যেমন লেগেছে, আমারো তেমনি লেগেছে। -আচ্ছা কাল কথা বলছি। ঘরে চলে এলাম। ড্রয়ার খুলতেই খামটা চোখে পড়লো। কিছু না করেই শুয়ে পড়লাম। ভাবছি মেয়েটা দেখতে কেমন হবে? আমি তার সাথে কথাও বলিনি দেখাও করিনি। আম্মুকে মিথ্যা বলেছি। . পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি বাড়ি ভর্তি মানুষ। ভাগ্নি হাতে করে হলুদ এনে মেখে দিলো মুখে। বলল -হ্যাপি গায়ে হলুদ ডে মামা। -কিহ? -হুম আজ তোর গায়ে হলুদ। তুই রাজি শুনে আমি কাল রাতেই কথা বলে ফেলেছি। (আম্মু) -আম্মু...? -কি? -নাহ কিছু না। (ভয়ে কিছুই বলিনি) সারা গায়ে হলুদ মেখে আমাকে হলুদ চড়ুই বানিয়ে দিয়েছে। আমার খুবই লজ্জা লাগছে সবার সামনে হলুদ মেখে। কি আর করার। . আজকে আমার বিয়ে। আমি পড়ে গেলাম মহা চিন্তায়। মনে হচ্ছে ৪র্থ বিশ্বযুদ্ধে যাবো। বরযাত্রীর সবাই আমার সহযোদ্ধা আরা আমি পাগড়ি পড়া তাদের সেনাপতি। একটু পড়ে আমাকে গাড়িতে বসিয়ে আমার পাশে দুই ভাগ্নিকে বসিয়ে দিয়ে। সবাই কেটে পড়লো। আমি ভাবলাম যোদ্ধারা সবাই পালিয়েছে। একটু পরে দেখি সবাই আমার পেছনে গাড়িতে করে আসছে . পৌঁছে গেলাম যুদ্ধের ময়দানে। যুদ্ধের ময়দানটা সাজানো গোছানো। যুদ্ধের মাঠে প্রবেশের গেটে লেখা "শুভ বিবাহ"। ভেতরে ভেতরে আমি ঘামছি। কেন যেন ভয় লাগছে। ৩-৪ ঘন্টা অপেক্ষার পর আমার অবস্থান আবার আমার গাড়িতে। যুদ্ধে আমি জয়ি। তাই বিপক্ষ দলের সেনাপতিনিকে নিয়ে আমি চললাম আমার রাজ্যের দিকে। কিন্তু পার্থক্য সেনাপতিনির হাত বাধা নেই। . বাড়িতে ফিরে কিছুটা স্বস্তি পেলাম। এতোক্ষণ বিয়ে বাড়িতে না নড়তে পারছিলাম আর না কথা বলতে পারছিলাম। ছিলাম শুধু নির্বাক দ্রষ্টা। রাত এখন ১১.৩০ মিনিট বাড়িতে এসময় আমি ছাদেই থাকি। পেছন থেকে ডাক পড়লো- -সিয়াম? -জি আপু? -এখানে কি? -আমি তো রোজই এখানে আসি। এ আর নতুন কি? -কেন আসিস? -তারায় ভরা আকাশের মাঝে একফালি চাঁদের হাসি দেখতে। -তো একা দেখিস কেন? -তো কাকে নিয়ে দেখবো? -কেন তোর বউকে নিয়ে.!! -কি? (আমি ভুলেই গিয়েছিলাম যে আমি বিয়ে করেছি) ওহ হ্যাঁ। আচ্ছা নিয়ে আসছি। -থাক আর আনতে হবে না। ও আমার সাথেই আছে। ভাবি।।।? এদিকে আসো। আমি আবার লজ্জায় পড়ে গেলাম। -তোমরা চাঁদ দেখো। আমি গেলাম। -হুম। মেয়েটি নীল শাড়ি পড়ে এসেছে। তার মুখটা দেখতে পারছি না। তাকে দেখতে "নীল ঘুঘু"র মতো লাগছিলো। . ৪৮ মিনিত ধরে দুজন ছাদে বসে আছি। কেউ কথা বলছিনা। মেয়েটি মানে আমার বউ আমাকে সালাম দিয়ে নিরবতা ভাংলো। -ওয়ালাইকুমুসসালাম -ভালো আছেন আপনি? -জি ভালই। আপনি? -আপনি আমাকে আপনি বলছেন কেনো? আমি না আপনার স্ত্রী? -আপনিও তো আমাকে আপনি বলছেন? -আচ্ছা এখন থেকে তুমি করা বলবো -হুম . আবার নিরবতা। আবার কেটে গেলো প্রায় ২০ মিনিটের মতো। এবার নিরবতা আমি ভাংলাম- -কি নাম আপনার.... সরি তোমার? -কিহ তুমি আমার নামই জাননো না? -জি জানিনা (লজ্জিত হয়ে বললাম) -তুমি আমার সাথে দেখা না করেই বিয়েতে রাজি হয়েছো কেন? আর বাসায় বলেছো আমার সাথে নাকি তোমার দেখা হয়েছে? -জি আসলে স্মিতি আমি চেয়েছিলাম বিয়ের পরেই তোমার সাথে দেখা করতে। -তুমি না এই মাত্র আমার নাম জিজ্ঞেস করলে? তাহলে নাম জানলে কি করে? -আমার কাছে একটা খামে তোমার ছবি সহ নাম ঠিকানে দেয়া ছিলো। ছাঁদে আসার আগে শুধু নামটা দেখে এসেছি। -আমার ছবি দেখো নি? -নাহ (আবার লজ্জিত হয়ে) -তাহলে আর দেখতে হবে না। থাকো এখানে বসে। আমি চললাম। -আচ্ছা যাও -আমি সত্যিই যাচ্ছি কিন্তু? -আচ্ছা যাও -আমি কিন্তু সিরিয়াস -আমিও সিরিয়াস -আচ্ছা তুমি এমন কেন? সেই কলেজ লাইফ থেকেই। -কি বললে? আমি কলেজ লাইফ থেকেই এমন মানে? তুমি আমাকে চেন? -হুম চিনিতো। -কি করে? -আমি তখন ১ম বর্ষে পড়তাম। তোমাদের বিদায় অনুষ্ঠানে তুমি বক্তৃতা দিয়েছিলে। আমি ১ম বর্ষের পক্ষে বক্তৃতা দিয়েছিলাম। -ওহ তুমিই সেই মেয়ে? -হুম আমি অবাক হয়ে গেলাম। অবাকনেসটা নাইবা প্রকাশ করলাম -আচ্ছা এবার এদিকে তাকাও দেখি। অনেক্ষনতো অন্য দিকে তাকিয়ে ছিলে। -নাহ তাকাবোনা। -আসলে আমি চেয়েছিলাম আজকে ছাদে দুইটা চাঁদ দেখতে। একটা তো দেখলাম। এখন আরেকটা দেখার পালা। -তাই বুঝি? -হুম মহানারী..... ওহ সরি... মহারানী এবার এদিকে তাকালো। তার চাহনিতে লজ্জা প্রকাশ পাচ্ছিলো আর আমি কিভাবে যেন সব লাজুকতা একেবারে ভুলে গেলাম।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now