বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
রাতের ফোন বেশিরভাগ সময় অশুভই হয় এর আগেও কয়েকবার দেখেছি সর্ব শেষ দেখলাম আমার আপুর ক্ষেত্রে ...
তখন আমি তখন ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম ... হঠ্যাত ই জানতে পারলাম আপু অসুস্থ হয়ে পরেছেন ... দ্রুত আপুর বাসায় আমি আর আমার বড় রিক্সায় করে
রওনা হোলাম যেয়ে দেখি আপাকে এ্যাম্বুলেন্সে তোলা হচ্ছে । আপাকে হসপিটালে নিয়ে গেলাম এটাই আমার প্রথম এ্যাম্বুলেন্স যাত্রা ছিল । এ্যাম্বুলেন্সে যেতে যেতে
অনেক চিন্তাধারা মাথায় চলছিল ভাবছিলাম অতি মাত্রায় অসুস্থতার জন্য যাকে এ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হয় তার অনুভুতি কেমন হয় ... যাই হোক হসপিটালে গেলাম
আমার জানা ছিলনা এইটা অন্য একটা দুনিয়া ... আর জনতাম ও না জরুরী বিভাগ কি ... এখানে রাত জেগে সবাই বসে আছে কখন রোগী আসবে ...
পুরো দুনিয়া এখন ঘুমিয়ে আছে কিন্তু এখানে যারা সেবা দিচ্ছে তাদের কোন ঘুম নেই আর যারা সেবা নিতে আসছে তাদের ঘুমানোর মত পরিস্থিতি নেই ...
যাই হোক কিছু ঝামেলা ক্লিয়ার করে আপাকে ভর্তি করা হল ... তিন তলায় আপাকে ট্রলিতে করে নিয়ে গেলাম ... এটাই সর্ব প্রথম আমি ট্রলিতে করে কাউকে
বহন করলাম ... কিছু ডাক্তারি ফর্মালিটি শেষ করতে করতে প্রায় ১ টা বেজে গেল ... আপাকে রেখে ঘুরে ফিরে সব দেখছিলাম... অকল্পনীয় সেই অনুভুতি ...
বিভিন্ন রোগী বিভিন্ন যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছেন...এমন একটা পরিবেশ যা স্বাভাবিক ভাবে অনুধাবন করা একদমই অসম্ভব ... বেশিরভাগ মানুষের ঘুম নেই চোখে ...
ফ্লোরে পরে রয়েছে ... একজনের পা ভাঙা একজনের হাত ভাঙা ... বিভিন্ন ধরনের সমস্যা ... আমি শুধু দেখছিলাম ... আমাদের পর পরই এক মহিলা কে
এডমিট করা হল ... মহিলা প্রেগন্যান্ট , পেটে আঘাত পেয়েছেন ... লম্বা করিডোরে কয়েকজন মুরব্বি , বয়স্ক লোক দেখলাম , তাদের অবস্থা দেখে মাথার ভিতর
তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছিল ... ভাবছিলাম... এটাও একটা দুনিয়া কিন্তু মানুষের পরিস্থিতি কতটা ভিন্ন ... ঠিক কতটা ভাল আমি আছি অনুভব করলাম...
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now