বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
*এক বাদশাহ ছিলেন। তার
ছিল এক
পরমা সুন্দরী কন্যা।
এক চোর সেই
কন্যার উপর আশেক ছিল। কিন্তু
তাকে পাওয়া বড় কঠিন
ব্যাপার ছিল।
ঘটনাক্রমে একদিন
সে চুরি করার
উদ্দেশ্যে বাদশাহর
ঘরে প্রবেশ করলো।
তখন বাদশাহ এবং বেগম
তাদের মেয়ের
বিবাহের
ব্যাপারে আলোচনা করছিলেন।
বাদশাহ বললেন, ‘আমাদের
মেয়ের
বিবাহ দিব আল্লাহওয়ালা,
পরহেজগার লোকের সাথে।’
চোর এই
কথা শুনে চুরি করা ভুলে গেল
এবং বাদশাহর সিদ্ধান্তের
কথাকে এক
বিরাট গণীমত
মনে করলো যে তার
প্রিয়তমাকে পাওয়ার
সঠিক
ব্যবস্থা জানা হয়ে গেছে।
এখন
পরহেজগার হয়ে যাওয়াই ভাল।
বাদশাহর ঘর থেকে বাহির
হয়ে সে এক
মসজিদে গিয়ে বসলো এবং রাত
দিন
আল্লাহর এবাদতে মশগুল
হয়ে পড়লো। ফলে তার
খ্যাতি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লো যে 'একজন
খুব বড় দরবেশ এসেছে।
এদিকে বাদশাহ তার
শাজাদীর
বিবাহের পাত্র খোঁজার
জন্যে লোক লাগিয়ে দিলেন।
পরহেজগার পাত্র খোঁজার
জণ্যে চারিদিকে লোক ছুটলো।
অনেক খোঁজাখুজির পর
অবশেষে জানা গেল যে,
অমুক মসজিদে এমন এক
আল্লাহওয়ালা আছেন যার
চেয়ে অধিক
মুত্তাকী সারাদেশে আর
একটিও নাই।…
…
…
…
…
…
সুতরাং বিশেষ ব্যবস্থাপনায়
বিবাহের
পয়গাম নিয়ে বাদশাহর দূত
তার
কাছে গিয়ে হাজির হলো।
কিন্তু চোরের কাজ
ততদিনে সারা হয়ে গিয়েছিল।
আল্লাহর এবাদতের
শান্তিতে তার
অন্তর এত ভরপূর হয়ে উঠেছিল
যে, রাজকন্যা এবং সাত
রাজার ধনও তার কাছে তখন
তুচ্ছ মনে হতে লাগলো।
সে দূতকে বললো, ‘আপনারা যান,
আমার
সময় নষ্ট করবেন না।’
সে দূতকে ফিরিয়ে দিল।
সে ঈমানের স্বাদ অনুভব
করতে লাগল।
তাই তার নিকট
শাহজাদিকে বিয়ে/
ক্ষণস্থায়ী সুখকে বিসর্জন
দিয়ে আল্লাহর ইবাদত
করে জান্নাতে চীরস্থায়ী সুখ
উপভোগ করাকে উত্তম
মনে করল।
(সুহাইল আহমেদ)
আল্লাহ
তায়ালা আমাদেরকে দুনিয়াতে শুধুমাত্র
আল্লাহর ইবাদত করার জন্য
পাঠিয়েছেন, আমাদের
প্রতিটি কাজ ইবাদত হবে যখন
আমরা আল্লাহ হুকুম
মেনে রাসূলুল্লাহ [সাঃ] এর
তরিকায় করব।
তখন আমাদের ঘুম ইবাদত হবে।
খাওয়া ইবাদত হবে।
আল্লাহ
তায়ালা আমাদেকে দ্বীন
মোতাবেক জীবন পরিচালিত
করার তৌফিক দান করুন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now