বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

রাসমণির কাহিনী— ৩ ও শেষ পর্ব

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X " রাসমণির কাহিনী " বাণী রায় ------------------- (৩য় ও শেষ পর্ব) সকালবেলা উঠে দেখি শরীর আরও খারাপ হয়েছে। মনে কেমন অস্বস্তি। পুজাের ঘরে যেয়ে ঠাকুরকে ডাকলাম, “ঠাকুর, রাসমণি আমাকে এত ভালোবাসে, ওর সম্বন্ধে আমার মনে কোনো অস্বস্তি আসে না যেন। ঠাকুর, আমাকে রক্ষা করো আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না , কিন্তু মনে হচ্ছে কিছু একটা হয়েছে আমার।’' ঠাকুর আমার প্রার্থনা শুনলেন নিশ্চয়। দুপুরের গাড়িতে সরকারমশাই এলেন। সবাই ভালো হয়ে গেছেন ৷ দু চার দিনের মধ্যে মা বাবা এসে যাবেন। আমি হাফ ছেড়ে বাঁচলাম ৷ সরকারমশাই আমাদের মাথা, অমন বিচক্ষণ লোক দেখা যায় না। সরকারমশাই আমাকে দেখে আকাশ থেকে পড়লেন, “এ কী রুবি মা, এ কী চেহারা হয়েছে! তোমার কি অসুখ করেছিল?” আমি অবাক হয়ে বললাম, “না সরকারমশাই, বোধহয় সুশান্তর অসুখে আর ভাবনায় এমন হয়েছে ৷ শরীর আমার খারাপ হলেও অসুখ তো নেই।” সরকারমশাই মাথা ঝাঁকিয়ে বললেন, “রাখো কথা। যার অসুখ হল, সে সুশান্ত তোমার চেয়ে মোটা। এমন মোটাসোটা মেয়ে ছিলে তুমি। কেমন হয়ে গেছ। পাকাটির মতো রোগা ফ্যাকাশে.... শরীরে একটুও রক্ত নেই যেন। কিছু দেখে ভয় পেয়ছ নাকি ?" “আগে সুশান্তর অসুখের সময় ভয় পেতাম ৷ এখন ঘরে রাসমণি শোয়ার পরে আর ভয় নেই ৷" হঠাৎ গত রাত্রির আধো স্বপ্ন আধো জাগরগে দেখা কাহিনী মনে পড়ায় চুপ করে গেলাম। “রাসমণি শোয়? আচ্ছা ৷” সরকার মশাই তীক্ষ্ণদৃষ্টিতে আমার দিকে চেয়ে জেরা করায় আমি শেষমেষ তাকে সব বলে ফেললাম। শূনে ওর মুখখানা গম্ভীর হয়ে গেল। উনি একটি ছুতাে নিয়ে রাসমণিকে ডাকলেন, “এই যে রাসমণি, তোমাকে যাবার আগে তো ভালো করে দেখিনি, তাই ডাকলাম ৷ রুবি মা, তোমার কথা চিঠিতে মাকে লিখেছে ৷” রাসমণি যেন চমকে উঠল, “কী কথা ?” সরকারমশাই একদৃষ্টে রাসমণিকে দেখছিলেন, হালকা গলায় বললেন, ‘‘তোমার গুণের কথা, তুমি রুবি মাকে কত যত্ন করো তাই ৷ মা শুনে খুব খুশি হয়েছেন, ফিরে এসে তোমাকে পুরস্কার দেবেন ৷” রাসমণি চোখ নামিয়ে মিহি গলায় বলল, “না সরকারবাবু, পুরস্কার ক্যান? আমার কাম আমি করছি। পুরস্কার ল্যাগবো না।” রাসমণি চলে গেলে সরকাবমশাইকে বললাম, “দেখলেন তো কী ভালোমানুষ?” সরকারমশাই যে কথায় কান দিলেন না। শুধু বললেন, ‘‘যা দেখবার দেখেছি ঠিক। রুবি মা একটু সাবধানে থাকাে। আমি এক্ষুনি ডাক্তারবাবুকে ডেকে আনছি। রাসমণিকে বোলাে না কিন্তু। ” আমি অবাক হয়ে যেতে যেতে শুনলাম, সরকারমশাই পায়চারি করছেন আর নিজের মনে বলছেন, “এক ঘরে দুজন। একজন রোগা কাঠি, অন্যে মোটা খালি। কেন, কেন ?” তারপরের অধ্যায় ভয়ানক। এক বীভৎস গল্প প্রকাশ পেল। আমার ভাগ্য ভালো তাই রাসমণির অন্য শিকারের অবস্থা হবার আগেই সরকারমশাই আমাকে রক্ষা করলেন। সে এক হইচই কাণ্ড ৷ ডাক্তার, পুলিশ, মনস্তাত্তিক, রিপোর্টার বাড়িতে জমা হল। আমার ছবি উঠল কাগজে রাসমণির কাহিনীর সঙ্গে। মা বাবা দেশ থেকে ছুটে এলেন ৷ রামনিধিয়া ভালো করে রাসমণিকে না চিনে আনার জন্য মাথা মুড়িয়ে প্রায়শ্চিত্ত করল ৷ সমস্ত গল্পটা শোনো তোমরা, যা শুনে কলকাতার লোক শিউরে উঠেছিল। সরকারমশাই বিকালবেলা তিন চারটে লোক নিয়ে বাড়ি ফিরলেন। আমার শরীর আজ খুব খারাপ লাগছিল বলে চুপ করে ঘরে শূয়েছিলাম ৷ রাসমণি মেঝেতে বসে আমার জন্য ফল কাটছিল। লোক দেখে উঠে দাঁড়াল ৷ সরকারমশাই বললেন, “রাসমনি, তুমি এখানেই থাকো। রুবি মাকে ডাক্তারবাবু দেখতে এসেছেন।" রাসমনি একপাশে রইল ঘোমটায় মুখ ঢেকে লাজুক ভাবে ৷ ডাক্তারবাবূ ও সকলে একবার চোখ পাকিয়ে ওকে দেখে নিলেন। জানি না সরকারমশাই কী বলেছেন ৷ তারপর ডাক্তারবাবু আমাকে অনেকক্ষণ ধরে পরীক্ষা করলেন ৷ হাত, গলা, পিঠের চামড়ার কি সব খুঁজে দেখলেন ৷ তারপর হঠাৎ কোণের দিকে যেয়ে রাসমণির হাত চেপে ধরে সোজা জিজ্ঞাসা করলেন, “কতটা রক্ত খেয়েছ সত্যি বলো তো?” কথাটা শোনার সঙ্গে সঙ্গে রাসমণির গলা থেকে একটা বিকট আওয়াজ বার হল। মানুষের গলার এমন আওয়াজ কেউ কখনো শোনেনি। আমরা চমকে উঠে তাকালাম। রাসমণির মাথার কাপড় খুলে গেছে… চোখ টকটকে লাল হয়ে উঠেছে ৷ চোঙার মতো মুখের লাল টকটকে ঠোট দুটো ফাঁক হয়ে এক সারি ধারালাে দাঁত দেখা দিয়েছে ৷ দাঁতের ওপর লাল লাল ছোপ ৷ এতদিন লক্ষ করিনি। দাঁত কড়মড় করে রাসমনি হাত টানছে ৷ চোখ দিয়ে আগুনের হলকা বের হচ্ছে ওর। এক মিনিটের মধ্যে লাজুক পাড়াগাঁয়ে ঝি কী ভয়ানক মূর্তি ধরল! রাসমণির নূতন মূর্তি দেখে আমার পেটের পিলে চমকে উঠল। সকলে চেচিয়ে উঠলেন, “ভ্যাম্পায়ার, ভ্যাম্পায়ার ওম্যান।” অর্থাৎ রক্তচােষা স্ত্রীলোক ! রাসমনি হাত ছাড়িয়ে নেবার চেষ্টা করতেই আর একজন লোক ওকে চেপে ধরলেন। “কোথায় পালাবে, বাছা? সমস্ত কাহিনী শোনাও তো আগে।” পুলিশের লোক দরজার কাছে পিস্তল উচিয়ে দাড়ালেন, “আজ রাসমনি আর পালাতে হচ্ছে না তোমায় ৷ তোমার নামে হূলিয়া আছে ৷ আর-এক বাড়ির ছেলেকে খেয়ে পালিয়েছ!” সরকারমশাই বললেন, “চেহারা দেখেই চিনেছি আমি রক্তচােষাকে। আমাদের দেশে আমার ছেলেবেলায় এমনি একজন ধরা পড়েছিল ৷ তাকে হাজতে রাখা হয়। আমরা যেতাম দেখতে, তাই একে দেখেই চিনেছি ৷ বহাল হবার সময় যদি দেখতাম ভালো করে৷ আহা তাহলে আমার রুবি মায়ের এমন দশা হত না আজ। ওকে এখন সারিয়ে তূলুন ৷" কানাই সিং লাঠি উঁচিয়ে এল, “এক ঘায়ে মাথা তোর ভাঙি দিব হামি ৷” রামনিধিয়া হাউমাউ করে কেঁদে উঠল, “ম কী জানল গোটা এমনকী হইছে!” রাসমণির ইতিহাস শুনে আমরা শিউরে উঠলাম। ভগবানকে ধন্যবাদ দিলাম ওর হাত থেকে বাঁচার জন্যে। রাসমণির রোমহর্ষক কাহিনী বলছি : রাসমনি হচ্ছে অস্বাভাবিক মানুষ। ওর নাম দেওয়া চলে ভ্যাম্পায়ার বা রক্তচােষা ৷ তাজা মানুষের বা জন্তুর গায়ের রক্ত চুষে খাওয়াই ওদের লোভ। তাই রাসমণির মুখখানা চোঙের মতো, ঠোট দুটো মানুষের রক্ত খেয়ে লাল টকটকে, দাঁতেও রক্তের ছোপ৷ রক্তের দাগ তো সহজে ওঠে না। এক এক বাড়িতে নানা মিথ্যা কথা বলে ও ঢুকত ৷ বাড়ির মােটাসোটা ছেলেমেয়েকে আদর যত্নে বশ করত, কাজকর্মে বাড়ির লোকের মন ভোলাত। তারপরে সুযোগ মতো জ্যান্ত মানুষের রক্ত একটু একটু করে খেয়ে যেত দিনে দিনে।কারণ, ওই তার আহার, অন্য কিছু রুচত না ওর। ছোটো ছেলেমেয়ের ওপরই লোভ ছিল বেশি। রাত্রে ও শিকারের কাছে শোবার ফন্দি খুঁজত, যাতে ঘুমের ঘোরে রক্ত চুষে খেতে পারে৷ তাই আমি দরজা খুলে যাতে শুই সেই দিকে ওর চোখ ছিল। দু দিন প্রথম লোভ পেয়ে আমার এত রক্ত খেয়ে ফেলেছিল, যে আমার মাথা ঝিমঝিম করছিল ৷ তারপরে আমি দরজা বন্ধ করে শুলে লোভের মাথায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে দুপুররেলা কার যেন রক্ত খেয়ে এসেছিল। আছড়ে পড়ে হাত পা কাটেনি ওর। আমার ঘরে শুতে পেয়ে ওর এত আনন্দ হয়েছিল, যে ও নিজের ঘরে আনন্দে নাচছিল। কানাই সিং দেখে ফেলেছিল। আমার বন্ধ দরজা রাসমণিই রাত্রে ঠেলত, ওরই পায়ের শব্দ আমি শুনতাম, আমার ঘরে শুয়ে একটু একটু করে আমারই রক্ত ও চুষে নিত। ফলে দিন দিন আমি এমন দুর্বল রক্তহীন হয়ে যাচ্ছিলাম, ও হচ্ছিল আমার রক্তে ফুলেফেঁপে মোটা৷ ৷ হাত বুলিয়ে মাথায় কী জাদুর ঘোরে আমাকে অচেতন করে রাখত, রাত্রে ঘুম ভাঙত না আমার। গত রাত্রে যা দেখেছিলাম সে স্বপ্নের ঘোর নয়, রাসমণি ওইভাবে আমার রক্ত খেত এধারে আমাকে যত্ন করে… ঘন দুধ খাইয়ে মোটা তাজা করে তুলেছিল, যাতে বেশি রক্ত পায়। মানুষ তো বলির পশুকে এমনি করেই খাওয়ায়। অনেকদিন থেকেই ওর আমার দিকে চোখ ছিল। আমি চিরকাল মোটাসোটা ছিলাম কিনা। বোকা রামনিধিয়াকে পান জরদা খাইয়ে বশে রেখেছিল। সুযোগমতাে আমার সর্বনাশ করতে ঢুকে পড়ল কাজে। আমাদের বাড়িতে। কী ঘৃণিত এই রক্তচোষা। মায়ের জাত হয়ে কিনা অসহায় ছেলেমেয়ের রক্ত চুষে খাওয়া ! তাই কোথাও টিকে থাকতে পারত না ও। যার ওপরে চোখ দিত, তাকে অসম্ভব যত্ন করলেও, সে শুকিয়ে উঠছে দেখে ওকে দূর করে দিতেন মনিব ‘ডাইনির নজর’ লেগেছে ভেবে। অনেক জায়গায় ধরা পড়ার ভয়ে ও নিজেই পালিয়ে আসত। কত বাড়িতে ওর কবলে ছেলেমেয়েরা ‘পার্নিশাস অ্যানিমিয়া’ তে মারা গেছে কেউ টের পায়নি। মানুষ না পেলে জীবজন্তুর ঘাড়ে চাপত ও। অবলা পশু, কিছু বলতে বোঝাতে পারত না। এর আগের মনিবের আদরের কুকুরটি ওর রক্তচোষায় প্রাণ দিয়েছে। আমাদের বাড়িতে আহার গোড়ায় ও পায়নি. তাই সেদিন রাত্রে মরা কুকুরের রক্ত চুষতে গিয়েছিল। যেটুকু ও বাকি রেখেছিল, বোকা কানাই সিং কথা বলে না ফেললে, ওর স্বরূপ সেদিন রাত্রেই প্রকাশ পেত ৷ কানাই সিং ঠিক দেখত ও কুকুরের ঘাড়ে দাঁত বসাচ্ছে। মনে পড়ল আমাদের পােষা বেড়ালটার রাসমণিকে দেখে কী ভয়, কী পালানো। ওকে দেখলেই ‘ম্যাও ম্যাও ’ ডেকে বেড়ালটা কেঁদে উঠে পালিয়ে যেত। দু-একদিন হয়তো শখ করে রাসমণি ওরও রক্ত চেখে দেখেছে ৷ রাসমণির আচার ব্যবহারের অর্থ আমার কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠল। তার অদ্ভুত চলন আর চাউনি, আমার দিকে একদৃষ্টে চেয়ে থাকা, জিভ দিয়ে ঠোঁট চাটা, কেমন যেন অম্বস্তিকর মনে হত। সম্পূর্ণ গিলে খেতে পারেনি আমাকে, তাই কই মাছের মতো জিইয়ে রেখেছিল একটু একটু করে খাবার আশায়। ডাক্তারবাবূ দেখলেন আমার হাতে, গলায়, পিঠে, বুকে ছোটো ছোটো ক্ষতের দাগ। আমি লক্ষ করে দেখিনি। বড়ােগােছের সূচ বেঁধানোর মতো ৷ ডাক্তারবাবু বললেন , “এইসব জায়গার দাঁত দিয়ে ছোটো ছোটো গর্ত করে রক্ত চুষে নিত। বড়ো গর্ত করত না ধরা পড়বে বলে।’’ আমার হতে পা কাঁপতে লাগল, রাসমণির দিকে চেয়ে ঘৃণার সঙ্গে বললাম , ‘ ‘হতভাগি রক্তচোষা। আমি না তোমাকে বিশ্বাস করতাম ? এইজন্য তুমি আমাকে যত্ন করতে, খাওয়াতে ? ’’ রাসমণি ফিরে দাঁড়াল। চুল এলিয়ে গেছে ওর। লাল টকটকে ঠোটে দাঁতে বিকট হাসি হেসে নিজের বুকে কিল মারতে মারতে বলতে লাগল, “তােকে আমি খাইয়েছি কেন জানিস ? নিজে খাব বলে, নিজে খাব বলে, নিজে খাব বলে।” রাসমণির চেহারা দেখে ভয়ে আমি মূর্ছার মতো হয়ে পড়লাম। ভাক্তারবাবু তাই দেখে ওকে ছেড়ে দৌড়ে এসে আমাকে ধরলেন। এমনি তাজ্জব কাণ্ড....অন্য লােকটির হাতে হঠাৎ রাসমণি মুখ নিচু করে প্রকাণ্ড কামড় বসাল ! যন্ত্রণায় তিনি হাত ছেড়ে দিতেই হতভম্ব কানাইকে এক ধাক্কায় সরিয়ে রাসমণি এক লাফে বাইরে ছুটে পালাল, তার হাসির শব্দে বাড়ি কাঁপতে লাগল ৷ ‘ধর ধর’ করে সকলে ছুটলেন। রাসমণি তখন পগার পার। এক লাফে প্রাচীরের গায়ে পেয়ারা গাছে চড়ে বসল ৷ পুলিশের লোক গুলি ছুড়ল, কিন্তু গাছ থেকে কতকগুলো পেয়ারা পাতা শুধু খসে পড়ল ঝরঝর করে, রাসমণিকে কেউ খুঁজে পেল না। আজও তার সন্ধান মেলেনি ! তারপর ও বাড়ি ছেড়ে আমরা চলে গেলাম। রাসমণির জিনিসপত্র সব পুলিশে নিয়ে গেল। রাসমণির কাহিনী শূনলে তো? আমার কিন্তু ভয় হয়, কোনাধিন সে না তোমাদের ঘাড়ে চাপে। অজানা ঝিকে চট করে বাড়িতে রেখো না কেউ। বিশেষ করে চােঙার মতো মুখ আর লাল টকটকে ঠোট দেখলে তাকে তক্ষুনি ধরিয়ে দিও। আমার তোমাদের জন্য বড়ো ভয় হয়, রাসমণি এখনও ধরা পড়েনি কিন্তু। (সমাপ্ত) ----------


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now