বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আবু বকরের সাহসিকতার সাক্ষী এই উম্মতের
আরেক বীর, আলি ইবন আবি তালিব। যখন আলী
খলিফা হলেন, তাকে প্রশ্ন করা হল, “মানুষের
মধ্যে সবচেয়ে সাহসী কে?
তারা বলল, ‘আপনি’
তিনি বললেন, ‘আমি কখনো কারও সাথে দৈতযুদ্ধে
হারিনি। কিন্তু লোকদের মধ্যে সবচেয়ে সাহসী
হলেন আবু বকর। বদরের যুদ্ধে আমরা রাসুলুল্লাহ
(সা) এর জন্য একটি ছাউনি নির্মান করেছিলাম
এবং আমাদের প্রশ্ন করা হল, কে হবে আল্লাহর
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের
দেহরক্ষী? আবু বকর তাঁর তরবারী খাপ মুক্ত করে
সেখানে এলেন, এবং সারাদিন আল্লাহর রাসূল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে রক্ষা
করলেন। মক্কাতে একবার, কুফফাররা রাসূল (সা)
কে আক্রমণ করেছিল, যেই কাছে যাওয়ার চেষ্টা
করছিল, তাকেই অন্যেরা আটক করছিল এবং
মারধর করছিল, আর বলছিল, ‘তোমরা কি সব দেব
দেবীর পরিবর্তে একজন দেবতা স্থির করেছ?’
কেউই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
সাল্লামের কাছে যাওয়ার সাহস করছিলেন না,
একমাত্র আবু বকর ব্যতিক্রম। তিনি গেলেন, এবং
তাদের সাথে লড়াই বাঁধিয়ে দিলেন, এবং বলছিলেন,
‘তোমরা কি একজন লোককে শুধুমাত্র এই কারণে
হত্যা করতে যাচ্ছ যে সে বলে, ‘আল্লাহ আমার
রব!’
এরপর আলী প্রশ্ন করলেন, ‘কে উত্তম, আবু বকর
না ফেরাউনের সভাসদের সেই
ব্যক্তিটি?’ (ফিরাউনের সভাসদদের মধ্যেও এক
ব্যক্তি অনুরূপ মন্তব্য করেছিল যখন ফিরাউন
সিদ্ধান্ত নিল মূসাকে হত্যা করবে)
লোকেরা নীরবতা অবলম্বন করলো। তিনি বললেন,
‘তোমরা উত্তর করছ না কেন? আল্লাহর নামে,
আবু বকরের জীবনের একটি মুহুর্ত উত্তম, সারা
দুনিয়া যদি ভর্তি হয়ে যায় সেই ফিরাউনের সভার
ঈমানদার ব্যক্তিদের মত ব্যক্তি দিয়ে। ফিরাউনের
সভাসদের সেই ব্যক্তিটি নিজের ঈমানকে গোপন
রেখেছিল, আর আবু বকর তাঁর ঈমানকে প্রকাশ
করেছিলেন’।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর
পর এই উম্মতের সবচেয়ে সাহসী ব্যক্তি হলেন আবু
বকর। বদরের যুদ্ধের ঘটনা থেকে, উহুদ, খন্দক,
হুদায়বিয়া,হুনাইন ইত্যাদি থেকে একজন ব্যক্তির
উচিত তার অন্তরের দৃঢ়তা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা
লাভ করা। সব বিপর্যয়ের বড় বিপর্যয়, রাসুল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মৃত্যুর পর
তিনি যে ভূমিকা পালন করেছিলেন
সেটাই যথেষ্ট তার অবিচলতা, দৃঢ়তা, এবং মুসলিম
উম্মাহকে শক্তিশালী করার ক্ষমতা সম্পর্কে
জানান দেয়ায় জন্য। সেটা ছিল এমন এক মুহুর্ত
যখন অন্তর বিচলিত ছিল, উম্মাহ বিপর্যস্ত
ছিল। যখন সবার অন্তর কাঁপছিল, সিদ্দিকের
অন্তর সুদৃঢ় ছিল। যদি দাড়িপাল্লার একদিকে আবু
বকরের অন্তর আর বিপরীত দিকে সমস্ত উম্মাহর
অন্তর স্থাপন করা হয়, তাহলে আবু বকরের
অন্তরই ভারী হবে। মুরতাদদের সাথে আবু বকরের
যুদ্ধ ঘোষণার সাহসী সিদ্ধান্ত, এই সাহসিকতাকে
যদি সারা পৃথিবীর সমস্ত কাপুরুষদের অন্তরে
বন্টন করে দেয়া যায়, সেটা তাদেরকে সাহসী করে
তুলবে।
░╔╦╦╦═╦╗╔═╦═╦══╦═╗░
░║║║║╩╣╚╣═╣║║║║║╩╣░
░╚══╩═╩═╩═╩═╩╩╩╩═╝░
Welcome to all friends
Thanks you…….
আপনার মন্তব্য করলে…
আমি আরো গল্প লেখার উৎসাহ পাই
❤ আমার ফেইজবুক পেজ ...
" মিষ্টি" "মিষ্টি"
….."(..˝ইসলামিক˝..)"…..
"News" "পেতে" "Just" "একটা" "Like" "দিয়ে"
"Active" "...থাকো……
»এবং«::..::সবার::….::মাঝে::…::শেয়ার করো......
“ইসলাম” “কে” “সবার” “কাছে” “পৌছে” ˝দাও˝……
[[+https://m.facebook.com/mdabdullahalraz/]
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now