বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
.
আজ প্রায় ৬ বছর হল আমার বিয়ে হয়েছে।
আমার মা নেই। ভেবেছিলাম শাশুরিকে মায়ের মত দেখব।
কিন্তু কিভাবে? উফফফ! বিরক্ত আমি! শাশুরির যন্ত্রণায় !
বিয়ের পর থেকেই শুধু আমার ভুল ধরেই যাচ্ছেন। আমি যতই
ভাল কাজ করি না কেন উনার পছন্দ হয় না।
সারাটা দিন আমার পেছনে লেগে থাকেন।
.
প্রথম প্রথম আমি চুপ করে থাকতাম।পরে আমিও শুরু
করলাম। সারাটাদিন ঘরে অশান্তি।
আমার স্বামী আমাদের উপর চরম রাগ। সে বাসায় এসে
শান্তি পায় না। তাই যতক্ষণ পারে বাইরে সময় কাটায়।
কার ভাল্লাগে এইসব। আমি উপায় না দেখে আমার এক
চাচার কাছে গেলাম। আমার চাচা একজন গবেষক কাম
বিজ্ঞানি। তাকে সমস্ত ঘটনা খুলে বললাম। আর বললাম
ইচ্ছা করে শাশুরিকে মেরে ফেলি। চাচা বললেন, এভাবে
সরাসরি মারলে তুইত বাচতে পারবি না। এর চেয়ে আস্তে
আস্তে মার। এই বলে আমাকে এক টিন পাউডার দিলেন।
আর বললেন, এই পাউডার প্রতিবেলায় এক চামচ করে তোর
শাশুরির খাবারের মধ্যে মিশিয়ে দিবি। বেশি দিলে তো
ধুম করে মরে যাবে। তখন আরেক ক্যাচাল। তাই আস্তে
আস্তে উনারে মার। আর তুই অবশ্যই ভাল ব্যাবহার করবি।
কোনভাবেই খারাপ ব্যাবহার করবি না। যত যাই করুক না
কেন ওই মহিলা। আমি খুশি মনে ফিরে এলাম।
.
প্রতিদিন শাশুরিকে পাউডার খাওয়াতে লাগলাম।
চাচার কথামত কখনই বেশি দিতাম না। যদি ধুম করে মরে
যায়। শাশুরি আরও খারাপ ব্যাবহার করে আমি আর বেশি
ভাল ব্যাবহার করি। অনেক রাগ লাগে কিন্তু নিজেকে
কন্ট্রোল করি। কোনভাবেই তার সাথে তর্ক করি না যা
করতে বলে তাই করি। এভাবে দিন যায় মাস যায়। শাশুরির
প্রতি আমার আর রাগ হয় না। নিজের প্রতি আমার অসম্ভব
নিয়ন্ত্রন আর সব কিছুতে অসম্ভব ধৈর্য দেখে আমি
নিজেই অবাক।
.
এদিকে আমার শাশুরিও পরিবর্তন হয়ে গেছেন।
আমার পেছনে আর লেগে থাকেন না। কোন কাজে ভুল
হলে কিছু বলেন না। আমার স্বামী আমাকে কোন কারনে
বকাঝকা করলে উনি সামনে এসে দাঁড়ান। বাসায় কেউ
আসলে আমার প্রশংসা করেন আর বলেন, বউটাকে কত
বকি, বউটা একটু তর্ক করে না। আর আমার উপরে সে তো
কোন কথাই বলে না। মেয়েটা সত্যি অনেক লক্ষি।
.
এরি মাঝে আমি শাশুরিকে পাউডার দেওয়া বন্ধ করে
দিয়েছি এবং চাচার কাছে গিয়ে কান্না জুরে দিলাম।
যে পাউডার শাশুরিকে দিয়েছি তা শরীর থেকে
কিভাবে বের করা যায়। আমি আমার মায়ের মত
শাশুড়িকে মারতে চাই না। যা করেছি আমি না বুঝে
করেছি। আমার শাশুরি খুব ভাল মানুষ। আমার চাচা
হাসলেন। আর বললেন, ওইটা কোন খারাপ পাউডার না আর
কোন বিষও না। ওইটা ভিটামিন । আসলে বিষ হল
আমাদের মন। মনটাকে পরিবর্তন করো শান্তি পাবে।
.
আমি আমার মন পরিবর্তন করেছি। আমি আর আমার
শাশুরি এখন বন্ধুর মত। আমার স্বামীও এখন অনেক খুশি।
অফিস শেষ করে সোজা বাসায় চলে আসে। আমরা এখন
অনেক
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now