বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
একদা কোন এক লোক আমিরুল মুমিনীন হযরত
ওমর রা.-এর কাছে স্বীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে
অভিযোগ নিয়ে এসে দরজায় দাঁড়িয়ে থাকলেন ওমর
রা. এর অপেক্ষায়। হঠাৎ ভিতর থেকে ওমর রা. এর
স্ত্রীর কণ্ঠ শুনতে পেলেন যে, তিনি ওমর রা. কে
এটা সেটা বলছেন। ওদিকে ওমর রা. কোন জবাব না
দিয়ে চুপ করে বসে আছেন। এটা দেখে লোকটি চলে
যাচ্ছিলেন। ভাবলেন, ওমর রা. এত কঠোর
স্বভাবের মানুষ, তারপর আবার আমিরুল মু'মিনীন;
তাঁর যদি হয় এ অবস্থা, আমি আর কে!
ইতিমধ্যে ওমর রা. বের হয়ে লোকটিকে দেখে
ফেললেন। ডেকে জিজ্ঞেস করলেন, হে ভাই! তুমি কী
প্রয়োজনে এসেছ? লোকটি বললেন, হে আমিরুল
মুমিনীন! এসেছিলাম আমার স্ত্রীর বিরুদ্ধে
অভিযোগ নিয়ে। বড্ড জ্বালায় সে আমাকে। কিন্তু
আপনার স্ত্রীর অবস্থা দেখে ফিরে যাচ্ছি।
ভাবলাম এই যখন আমিরুল মুমিনীনের অবস্থা,
আমি আর কে! তখন হযরত ওমর রা. বললেন, ভাই!
আমি এসব হাসিমুখে সহ্য করি। কারণ আমার উপর
অনেক হক রয়েছে তার। উপরন্তু সে আমাকে রান্না
করে খাওয়ায়, আমার কাপড় ধুয়ে পরিস্কার করে
দেয়, আমার সন্তানকে দুধ পান করায়। অথচ এসব
তার উপর ওয়াজিব নয়। আর তারই কারণে হারাম
কাজ থেকে আমার নফস বিরত থাকে। তখন লোকটি
বললেন, আমার স্ত্রীও তো আমাকে এসব কাজে
সহায়তা করে। ওমর রা. বললেন, ধৈর্য ধারণ কারো
ভাই! দুনিয়ার জীবন কয়েক দিনের মাত্র।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now