বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এর সাথে তৎকালীন বাদশাহ
নমরূদের বিতর্ক হয়। হযরত ইব্রাহীম
(আঃ) তাকে এক আল্লাহের দিকে দাওয়াত দেন। হযরত
ইব্রাহীম (আঃ) আল্লাহের পরিচয় দিতে গিয়ে বলেনঃ
"আমার আল্লাহ সকল
সৃষ্টিকে জীবন দান করেন ও মৃত্যু দান করেন।" অর্থাৎ
সৃষ্টি ও ধ্বংস আল্লাহের ইচ্ছায়
হয়। আহাম্মক নমরূদ নিজেকে খোদা দাবী করে বলেঃ "এ
কাজ আমিও
করতে পারি।" (নাউযুবিল্লাহ) তখন সে ২জন বন্দীকে
নিয়ে আসে, একজনের মৃত্যুদণ্ডের রায়
হয়েছিল তাকে মুক্তি দিয়ে দেয়, আর নির্দোষ একজনকে
হত্যা করে। হযরত ইব্রাহীম (আঃ) তার এই নির্বুদ্ধিতা
দেখে তখন বললেনঃ "আমার রব সূর্যকে পূর্ব
দিকে উদিত করেন আর পশ্চিম দিকে অস্ত গমন করান।
তুমি পারলে এর বিপরীত
করে দেখাও।" এভাবে পাল্টা যুক্তির মাধ্যমে হযরত
ইব্রাহীম (আঃ) নমরূদের নির্বুদ্ধিতা প্রকাশ
করে দেন। এই অহংকারী বাদশাহের নিকট আল্লাহ
পুনরায় এক ফেরেশতা প্রেরণ করে এক আল্লাহের
দিকে আহ্বান করেন, কিন্তু নমরূদ বরং ফেরেশতাকে যুদ্ধ
করার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। যুদ্ধের নির্দিষ্ট দিনে নমরূদ
বাহিনী সমবেত করলে আল্লাহ আযাব হিসেবে মশার
বাহিনী প্রেরণ করেন। এত মশা প্রেরণ করেন যে নমরূদের
বাহিনী সূর্যের
আলো দেখতে পায় নি। মশার বাহিনী তাদের রক্ত-মাংস
খেয়ে তাদের সাদা হাড় বের
করে দেয়। নমরূদের শাস্তি হিসেবে তার নাক দিয়ে
একটি মশা প্রবেশ করে এবং ভিতরে ঢুকে অবিরত
দংশন করতে থাকে। ৪০০ বছর পর্যন্ত এই মশা সেখানে
অবস্থান করে এবং দংশন
করতে থাকে! এ পুরো সময়ে নমরূদ হাতুড়ি দিয়ে নিজের
মাথায় আঘাত করত, এই
আঘাতে আঘাতে ৪০০ বছর শাস্তি ভোগ করে তার মৃত্যু হয়।
তথ্যসূত্রঃ আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া.
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now