বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এর পর দুই ভাই জয়দেব আর সহদেব বিছানা ছেরে উঠে ফ্রেশ হয়ে নিচে যায়।।নিচে গিয়ে দেখে তাদের মা অনেক ধরনের খাবার আইটেম তৈরি করেছে।।
সহদেব:-মা আমি যেই রান্না গুল করতে বলেছিলাম করেছ।।
পরী:-হ্যা বাবা করেছি।।
জয়দেব:-মা বাবা কথায় দেখছি না যে।।
পরী:-তোমার বাবা বাজারে গেছে।।রাতের পার্টির জন্য কিছু খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা করতে।।
সহদেব:-ওয়াও তাহলে তো অনেক মজা হবে।। আর দাদু ভাই কথায় খাবেন না উনি।।।
পরী:-হুম তোরা খেতে শুরু কর আমি দেখি বাবা কি করতেছে।।
এই বলে পরী চলে যায় আলবদির মানে তার শশুর কে ডাকতে।।এদিকে তারা দুই ভাই গল্প করছে।।
জয়দেব:-আচ্ছা ছোটকু বাবা কি এমন জিনিসের কথা বলল বলতো যে অতি মুল্যবান।।
সহদেব:-আমিও সেটাই ভাবছিরে দাদা।দেখা যাক না কি হয় জিনিসটা।।
এর মধ্যে তাদের দাদু চলে আসে।।
আলবদির :-শুভ সকাল দাদু ভাইয়েরা।।
শুভ সকাল দাদু(এক সাথে দুই ভাই বলে)
এর পর খেতে খেতে তারা আরো অনেক গল্প করে।।খাওয়া শেষ করে তারা দুই ভাই ঘরে চলে যায়।।ঘরে গিয়ে তারা ঠিক করতে থাকে কে কোন ড্রেস পরবে।।কাকে কোন ড্রেসে বেশি মানাবে।।এই ড্রেস নিয়ে তাদের মাথা ব্যাথা একটু বেশি কারন আজকের পার্টিতে একজন স্পেশাল মানুষ আসবে।। তাই তারা তার জন্য সুন্দর করে সাঝবে।।দেখতে দেখতে সন্ধ্যা হয়ে যায়।।পার্টির সব এরেঞ্জমেন্ট শেষ।। তাদের বন্ধু বান্ধবরাও চলে এসেছে।।শুধু একজন বাকি।।ওর জন্য অপেক্ষা করছে তারা।।হটাৎ করে তারা দেখতে পেল সে আসছে।।তাকে দেখে দুই ভাই খুব খুশি হয়।।সে এসেই তাদের দুই ভাইকে জন্ম দিনের উইশ করে।।তারা দুই ভাই তার দিক থেকে চোখ ফেরাতে পারছে না।।আর সেই মানুষ টা হল তাদের ক্লাসের সব চেয়ে সুন্দরি মেয়ে।।তারা দুই ভাই মনে মনে তাকে ভালোবাসে কিন্তু সে জানে না।।আবার তারা দুই ভাইও জানে না যে তারা এক জন মানুষ কে দুজনেই ভালোবাসে।।এরপর তারা কেক কাটে।।বন্ধুদের সাথে খুব মজা করে।।এক সময় সহদেব মেয়েটিকে আড়ালে নিয়ে গিয়ে প্রোফজ করে।।
সহদেব:-ঝিলমিল আই লাভ ইউ।।আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি।।অনেক দিন থেকেই বলতে চাচ্ছি কিন্তু সঠিক সময় পাইনি।।তাই আজ জন্ম দিনের দিন তোমায় বললাম।। তুমি রাজি হলে আজকে আমার জন্ম দিনটা সার্থক হবে।।
ঝিলমিল একটু লজ্জা পায়।। এর পর বলে।
ঝিলমিল:-আমিও তোমাকে আগে থেকেই ভালোবাসি কিন্তু ভয়ে বলতে পারিনি।।
সহদেব:-সত্যি বলছ ঝিলমিল।
এই বলেই সহদেব ঝিলমিলকে জরিয়ে ধরে।।
আর এদিকে যখন সহদেব প্রোফজ করে তোখন জয়দেব দেখে নেয়।।জয়দেব কিছুতেই মানতে চায় না তার ভাই তার ভালোবাসার মানুষ টাকেই ভালোবাসে।।
এর মধ্যেই "তাদের জন্মদিনের পার্টি শেষ হয়ে যায়।।ঝিলমিলও চলে যায়।।এর পর তাদের বাবা চন্দ্র কুমার তাদের কে ডাকে।।
চন্দ্র:-জয়দেব,সহদেব তোমরা আমার সাথে এসো।।
কথায় জাব বাবা(দুই ভাই বলে)
চন্দ্র:-আমার সাথে এসো।।গেলেই দেখতে পাবে।
এই বলে চন্দ্র কুমার উপরে যেতে থাকল।।আর তারা দুই ভাই পিছনে পিছনে যেতে লাগল।।এক সময় তারা দুই ভাই দেখে তাদের বাবা চন্দ্র পুরন ঘরটাতে যাচ্ছে।।এই দেখে সহদেব জয়দেব কে ফিসফিস করে বলে,
সহদেব:-দাদা এই ঘরে তো ছোট থেকে এখন অবদি আমরা আসি নাই।।আর আসতে চাইলেও বাবা মানা করেছিল।।আজকে বাবাই আমাদের এই ঘরে নিয়ে যাচ্ছে।।
জয়দেব:-আমিও তো তাই ভাবছি।।বাবা কি করছে এসব।।কেনো এখানে নিয়ে এলো আমাদের।।
চন্দ্র:-কি হল এসো তোমরা।।
এই বলে তারা ঘরটার ভিতরে ঢুকল।।কিন্তু ঘরটা পুর অন্ধকার।।বিন্দু মাত্র আলো নেই।।
জয়দেব:-বাবা ঘরটা তো খুব অন্ধকার।।লাইট নেই।।লাইট জালিয়ে দিব।।
চন্দ্র:-না এই ঘরে লাইট নেই।।তোবে একটু পরেই লাইট এর থেকে অনেক বেশি আলো পাবে।।
সহদেব:-বাবা আমার খুব ভয় করছে অন্ধকারে।।
চন্দ্র:-সহদেব নিজেকে সামলাও।।তোমরা এখন বড় হয়েছ।।আর তাই তোমাদের কে আমি এই মুল্যবাণ জিনিসটা দিব।।
জয়দেব:-কি জিনিস আর কথায় সেটা।।
চন্দ্র:-এই যে সেই জিনিস।।
বলেই চন্দ্র কুমার একটা লোহার বক্স এর ঢাকনা খুলল।।আর ঢাকনা খুলার সাথে সাথে ঘর ভর্তি আলো ছরিয়ে পরল।।অন্ধকারে থেকে হটাৎ করে আলো হওয়াতে তারা দুই ভাই চোখ বন্ধ করে ফেলল।।
চন্দ্র:-চোখ খুল জয়দেব সহদেব।।
বাবার কথা শুনে তারা চোখ খুলে।।চোখ খুলেই দেখতে পায় একটি ছোট জিনিস এর মধ্য থেকে জলজল করে আলো বের হচ্ছে।।
সহদেব:-এটা কি বাবা।।
চন্দ্র:-এটা হল মঙ্গোল মণি।।
জয়দেব:-মঙ্গোল মণি।। এটা আবার কি।।
চন্দ্র:-এটা একটা শক্তি শালি মণি।। এর সাহায্যে অজানা জন্তুদের মারা যায়।।এক সময় আমিও মেরেছি।।
জয়দেব:-আপনি মেরেছেন।।
চন্দ্র:-হুম আমি মেরেছি।।
সহদেব :-কিন্তু কোন জন্তুদের আর কবে মেরেছেন।।
এরপর চন্দ্র কুমার জয়দেব আর সহদেব কে বলতে থাকে কি ভাবে সে মানুষ খেকো দানিবদের মেরেছিল।।(এখানে চন্দ্র কুমার গল্পটার কাহিনি তাদের বলে)
বলা শেষ হলে তারা দুই ভাই অবাক হয়ে যায়।।আর দুজনে দুজনের দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকে।।
সহদেব:-এতো কিছু করেছেন আপনি।।আমাদের তো কোনো দিন কিছু বলেন নাই।।
চন্দ্র:-আমি অপেক্ষা করেছি সঠিক সময়ের জন্য।।আর সেই সঠিক সময় চলে এসেছে তাই তোমাদের সব বলছি।।
জয়দেব:-এখন আমরা কি করব।।
চন্দ্র:-তোমাদের মধ্যে যে শক্তি শালি, বুদ্ধিবাণ,আদর্শ,বিচক্ষণ সেই এই মণিরর রক্ষক হিসেবে থাকবে।।আর তার হাতেই তুলে দিব এই মণি।। এই মণির অনেক গুন।।তোবে সেই গুন টাকে ভালো কাজে লাগাতে লাগবে।।
সহদেব:-কিন্তু বাবা কি করে বুঝবেন যে আমাদের মধ্যে কে এই রকম।।
চন্দ্র:-সেটা এই মণি বলে দিবে।।
জয়দেব:-মণি বলে দিবে কিন্তু কি করে।।
চন্দ্র:-অপেক্ষা কর সব দেখতে পাবে।।
এই বলে চন্দ্র কুমার নিজের পকেট থেকে একটা ছুরি বের করে আর সেই ছুরি দিয়ে নিজের হাতের মধ্যে কেটে দেয়।।এটা দেখে তারা দুই ভাই বলে উঠে,
বাবা কি করছেন আপনি।।হাত কাটছেন কেন।।
চন্দ্র:-ও কিছু হবে না।।এটা না করলে হবে না।।
এই বলে চন্দ কুমার হাতের কাটা অংশ থেকে যেই রক্তটা পরছে সেখান থেকে দুয়েক ফোটা রক্ত সেই মণিরর উপরে দেয়।।আর সাথে সাথে সেই মণি থেকে ধোয়া বের হতে থাকে।।
,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now