বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আমি তোমাদেরই লোক

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X -----------------------------------------------------আজ থেকে ১৪ বছর আগের কথা। আমি তখন উত্তরবঙ্গের একটি জেলার এস পি। সেখানে চাঞ্চল্যকর তৃষা হত্যাকান্ড ঘটে। বখাটে তিন যুবক ৫ম শ্রেণির ছাত্রী তৃষাকে স্কুল থেকে ফেরার পথে ধাওয়া করে এক পুকুর পাড়ে নিয়ে যায়। সে সাঁতার জানতো না। নিরুপায় মেয়েটি পুকুরে ঝাঁপ দেয়। ডুবে যেতে যেতে তৃষা বাঁচার আকুলতায় হাত নাড়ে, আঙ্গুল নাড়ে, তারপর পুকুরের অথৈ জলে তলিয়ে যায়। মিডিয়ার কল্যাণে সারাদেশের মানুষ এই মর্মান্তিক ঘটনাটি জেনে ফুঁসে উঠে। আন্তর্জাতিক মিডিয়াও সরব হয়। জেলায় জেলায় মিটিং মিছিল, ঘেরাও, মানব বন্ধন... চলতে থাকে। পুলিশ সুপার হিসেবে আমি প্রচন্ড মানসিক চাপে পড়ে যাই। অবস্থা তখন 'মাথার ঘায়ে কুত্তা পাগল'। খাওয়া নেই, ঘুম নেই। টেনশন সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেল। পুলিশের চাকুরি ২৪ ঘন্টার চাকুরি। ওসি থেকে উর্ধতন পদবির অফিসারগনকে ২৪ ঘন্টা টেনশনে থাকতে হয়। দিন আর রাত নেই, যে কোন সময় ছুটে যেতে হবে অপরাধ বা সংঘাত স্থলে। মোবাইল, ওয়ারলেস, টেলিফোন সারাক্ষণ পিছু লেগে আছে। ডিআইজি, আইজি, মন্ত্রী, সচিব, সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী, সময় নেই অসময় নেই, 'হ্যালো হ্যালো' করে জীবনকে অতীষ্ট করে তুলেন। এমন ভাষায় কৈফিয়ত চান, যেন এসপি নিজেই ডাকাতি বা মার্ডারটি করেছে! তৃষাহত্যা যদিও বা সফলভাবে সামাল দিতে পারলাম। এরপর ঘটল একাধিক স্থানে দূর্গা প্রতিমা ভাঙার ঘটনা। রাতের অন্ধকারে কে বা কারা মূর্তি ভাঙল, কেউ বলতে পারল না। হিন্দুরা জেলার বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন করে প্রতিবাদ জানাল। তারা ক্রিমিন্যালদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক সাজা দাবি করল। পূজা উদযাপন কমিটি আলটিমেটাম দিল ৩ দিনের মধ্যে অপরাধীকে ধরা না হলে তারা শারদীয় পূজা উদযাপন বয়কট করবে। কে বা কারা মূর্তি ভাঙার মত জঘন্য কাজ করল? বিষয়টি খুবই নাজুক--প্রমাণ ছাড়া কোন মুসলমান ছেলেকে এরেস্ট করা হলে সাম্প্রদায়িক অবিশ্বাস স্থায়ী হবে, যার পরিণতি ভাল হবে না। কিন্তু কিছু একটা আইনী ব্যবস্থা নেয়াও দরকার, যাতে সংখ্যালঘুদের মনে নিরাপত্তাবোধ ফিরে আসে। অবস্থাটা শাঁখের করাতে মত--আসতেও কাটে যেতেও কাটে। পুলিশ একজন হিন্দু যুবক ও একজন মুসলিম যুবককে গ্রেফতার করল। এই দু'জন মাস খানেক আগে তাসখেলা নিয়ে ঝগড়া করেছিল। পরের দিন হিন্দুবাড়ির সামনে তারা হাতাহাতি করে। 'দেখে নেবে' বলে পরস্পরকে শাসায়। ঐ হিন্দু বাড়িতেই মূর্তি ভাঙচূড়ের ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশ দু'জনকে এরেস্ট করলো তো ভীমরুলের চাকে ঢিল পড়ল। চারদিক থেকে সবাই লেগে গেল পুলিশের বিরুদ্ধে। হিন্দুরা প্রতিবাদ জানাল, যার বাড়িতে মূর্তি ভাঙ্গল তাকেই আটক করা হল! এর নাম কি বিচার? মুসলিমরা প্রতিবাদ করল, হিন্দুদের ষড়যন্ত্রে পুলিশ নিরীহ মুসলমানদের গ্রেফতার করছে; গ্রাম মানুষ শূন্য। মুসমানরা পালিয়ে বেড়াচ্ছে পুলিশের আতংকে। রাজনৈতিক দলগুলো সুবিধা মত দু'দিকের পক্ষ নিল। শেষে দোষ পড়ল এস পি সাহেবের উপর। হিন্দু ও মুসলিম উভয় গ্রুপের নেতারা পুলিশ সুপারের অপসারন দাবি করল। মিটিং মিছিল, স্মারকলিপি দিয়ে অবিলম্বে অত্যাচারী এস পি'র অপসারন চাইল তারা। হিন্দুদের মিছিল থেকেও পুলিশকে ইট পাটকেল মারা হল। মুসলিম জমায়েত থেকেও পুলিশের উপর লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালানো হল। ফাইনালি, পুলিশ সুপারকে আস্ত একটা বাঁশ খেতে হল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনার জন্য সদাশয় সরকার আমাকে ক্লোজ করল পুলিশ হেড কোয়ার্টার্সে। এই 'ক্লোজ' জিনিসটা খুবই খারাপ। 'রাজা আছে, কিন্তু রাজ্য নাই' এর মত। গাড়ি কেড়ে নেবে, টেলিফোন নিয়ে নেবে-- অফিস নেই, কোন দায়িত্বও নেই। কবে যে পোস্টিং হবে, খোদা মালুম-- কেউ জানে না। অথচ প্রতিদিন অফিসে যেতে হবে, অন্য কারও অফিস কক্ষে বসে থাকতে হবে। যত মানুষ সেখানে আসবে সবাই জিজ্ঞাসা করবে, "আপনি কোথায় আছেন?" আর যারা বিষয়টি জানেন তারা গলায় অতিরিক্ত দরদ দিয়ে ফিসফিস করে বলবে, "কেন এমন হল, ব্রাদার? আহারে-!" ক্লোজ হওয়ার চেয়ে তাই সাসপেন্ড হওয়া ভাল। এই অর্থে ভাল--আপনাকে অফিসে যেতে হবে না, ফলে কেউ বিব্রতও করতে পারবে না। এ অবস্থায় আমার দিনগুলো সাংঘাতিক অস্বস্থিতে কাটছিল। টেনশনে টেনশনে শেষ হয়ে যাওয়ার অবস্থা। চোখে ঘুম নেই, আহারে রুচি নেই। মনের বল ভরসা কমে গেল। স্বপ্ন, কল্পনা, প্রত্যাশা জীবন থেকে বাদ হয়ে গেল। জীবনটা নিরানন্দ আর হতাশায় ডুবে যেতে বসল। এমন কোন বন্ধু বান্ধবও নেই যাদের নিকট মন খোলে কথা বলে হালকা হতে পারি। পুলিশ অফিসারদের তেমন কোন বন্ধু থাকে না। সবাই বসন্তের কোকিল--সুসময়ে আছে, দুঃসময়ে নেই। বিসিএস পুলিশ অফিসার সম্পূর্ণ একা-- একাকী তাকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সফল হলে কেউ তেমন প্রশংসা করবে না, ব্যর্থ হলে সবাই তার দিকে আঙুল তুলবে-- 'সাকসেস হেজ মেনি ফাদারস, ফেইলার নান।' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'রক্তকরবী' নাটকের অন্তরালের রাজার মত প্রচন্ড ক্ষমতাধর অথচ অসহায়। নিদারুন একাকীত্বে ভোগেন। এই সময় 'মরার উপর খাঁড়ার ঘা'-র মত আমার ভয়াবহ ডায়বেটিকস ধরা পড়ল, সাথে হাই প্রেসার। বুঝতে পারলাম, কেন বেশির ভাগ পুলিশ অফিসার উচ্চ রক্তচাপে ভোগে, কেনই বা হার্টফেল করে মরে? এমন মানসিক অবস্থায় অনেক মানুষ ধর্মে অতিরিক্ত মন দিয়ে এবাদতে লেগে যায়। কেউ কেউ মদ, ভাঙ, মাদকের নেশায় ডুবে যায়। দুটোই পলায়নী মনোবৃত্তি। আমি একটু অন্য ধাচের। বাস্তবকে অস্বীকার করি না, প্রতিকুুল পরিস্থিতিকে আমি মোকাবেলা করতে চাই। হয়তো হেরে যাব, তবু হাল ছাড়ব না--শেষ দেখে ছাড়ব। হঠাৎ করে একদিন আমার এক সাইকোলজিস্ট বন্ধুর সাথে দেখা। সে আমার স্বাস্থ্য ও মনের অবস্থা জেনে খুবই মর্মাহত হল। সপ্তাহ খানেক বন্ধুটি আমাকে সঙ্গ দিল। বিকেলে আমরা রমনা পার্কে হেঁটে বেড়াতাম। অবাক হয়ে খেয়াল করে দেখি, ঢাকা শহরেও কোকিল কুহু ডাকে, পাপিয়া 'চোখ গেল' বলে ডাকে। আমি গাছপালার নিচে বসে চারদিকে তাকিয়ে দেখি। সেগুন, জারুল, আকাশী, মেহগনি, কাঠবাদাম কতরকম গাছ গাছালি। মাটি, ঘাঁস, গাছ, গাছের পাতার সোঁদা গন্ধ পাই। বড় মাদকতায় ভরা এই সবুজ প্রকৃতি! শৈশব ও কৈশোরের কথা চকিতে মনে পড়ে যায়। হাফপ্যান্টপরা এই আমি গাঁয়ের জঙ্গলে কত গাছের খোড়লে খোড়লে পক্ষীর বাচ্চা খুঁজেছি। জ্যৈষ্ঠের প্রচন্ড গরমে ভর দুপুরে সুন্দাইল পাড়া, কালিয়ান, টিপড়ার জঙ্গলের গাছের খোড়ল থেকে জুটি ময়নার বাচ্চা ধরে নিয়ে এসেছি। একবার বাঘবেড় গ্রামে বিশাল শিমুল গাছে চড়ে তো আক্কেল গুড়ুম। নিচে তাকিয়ে মাথা ঘুরে গেল। ও মা, এত উপরে আমি! গাছ থেকে বাচ্চা পেড়ে এনে বাঁশের বেতের জুলুঙ্গায় রাখতাম। কয়েক দিন পরেই উৎসাহ থিতিয়ে যেতো। বাঁশের চোঙা খালি, ঘাস ফড়িং ধরা হয় না। পাখির বাচ্চাগুলো ক্ষুধায় সারাদিন ট্যা ট্যা করত। মা বলতেন, 'এইগুলান যেহান থে আনছস হেইহানে রাইখ্যা আয়। মরলে তরে পাপ দিবো, শয়তান।' মা এমন বলতেন বটে, তবে কোন পাখি ঊড়িয়ে দেন নি কোনদিন; বরং রাতে কুপি বাতি বাইরে রেখে ঘাঁস ফড়িং ধরে পাখির বাচ্চাকে খাওয়াতেন। পরের দিনের জন্য চোঙা ভরে লাফা ফড়িং রেখে দিতেন। কোনদিন বা পিতৃদেব ভীষণ খ্যাপে যেতেন। তিনি ছিলেন প্রচন্ড রাগী। তার মনে স্নেহ-মমতা ছিল কিনা জানি না, তবে আমরা ভাইবোনরা কখনও অনুভব করিনি। চড় থাপ্পড়, ধমক, বেদম প্রহার এই ছিল তার ছেলে শাসন। পাখির বাচ্চার 'ক্যাটর ক্যাটর' পিতৃদেবের দিবা নিদ্রার ব্যাঘাত ঘটাত। যে দিন ঘুম ভেঙে যেত সেদিন আমার খবর ছিল। পাড়ার যেখানে থাকি না কেন, সেখান থেকে ধরে আনতেন। তার উগ্রমূর্তি দেখে ভয়ে আমার পা মাটিতে পুঁতে যেত-- দৌঁড়ে পালানোর কথা মনে থাকত না। আমাকে কয়েকটা কষে চড় দিয়ে কান ধরে হিড়হিড় করে বাড়িতে টেনে আনতেন। মা, পিসিমা, বোনরা ডরে কথা বলতো না তখন। বাবা বলতেন, 'এইডা এক্ষনি ছাড়।' আমি মা আর পিসির দিকে দয়া ভিক্ষার চোখে তাকাতাম। কোন দয়া দেখতাম না সেখানে। বাবাকে দেখে মনে হত, আদেশ পালন না করলে নিগ্গাত খুন করে ফেলবে। পাখি তখন ঊড়ালযোগ্য হয়ে গেছে। ছেড়ে দিতেই ফুরুৎ করে ঊড়ে গেল। ' আর যদি দেহি, পক্ষীচক্ষী আনছস, মাইরা শেষ কইরা ফালায়াম।' পিতাজীর হুমকির কথা আমি বেমালুম ভুলে যেতাম। পক্ষীর বাচ্চা পেলেই নিয়ে আসতাম। আমার তখন স্বপ্ন ছিল, পাখিকে কথা শিখাবো। পাখি আমাকে 'বাবা' ডাকবে। কী মজা হবে, যদিও ব্যাপারটা কিছুটা শরমেরও! এত ছোট ছেলেকে কেউ 'বাপ' ডাকছে, হোক না সেটা পাখি, তবু কেমন লাগে না! তবু পাখি পোষার প্রচন্ড নেশায় পেয়ে থাকত আমাকে। বলে রাখা ভাল, আমার শৈশবের সাধ কোনদিন পূরণ হয়নি। আমার পোষা পাখি বাপ ডাকবে দূরের কথা কোনদিন কথাই বলেনি। এখনো আমার বাসার এক্যুরিয়ামে আছে গোল্ড ফিস, আর আছে এক আশ্চর্য কচ্ছপ। আরও আছে পাঁচটা টিয়ে। এগুলোর মালিকিন হচ্ছে আমার কন্যা। তিন বছর ধরে টিয়েগুলিকে দেখছি। কথা-টথা বলতে কখনো শুনিনি। বরং আমার কান জ্বালাপালা। মধ্যরাত থেকে সবগুলো শয়তান মিলে এমন জোরে' ট্যা ট্যা' শুরু করে যে, কান জ্বালাপালার সাথে প্রাণটা জেরবার হয়ে যায়। মনে হয়, পাখি পালিকার মাথা ভাঙ্গি, নয়তো নিজের মাথা। কিন্তু আমার ভাবনাই সার, বাস্তবায়ন হয় না। সম্ভবও নয়। আমি দেখেছি, আমার মেয়ে আমাকে ভয় তো পায়-ই না, উল্টো আমাকে শাসায়। বলে, 'কাল পাখির খাবার কিনে আনতে ভুলো না যেন।' আমি সুরসুর করে মেয়ের আদেশ পালন করি। ভুলে গেলে, কন্যার অন্ধকার মুখ দেখে তৎক্ষণাৎ কাঁটাবনে ছুটে গিয়ে পাখির খাবার প্যাকেট কিনে তবেই বাসায় ফিরি। কন্যা মুচকি হেসে বলে, ' হাউ সুইট এন্ড লাভলি মাই ডেডি। থ্যাংকস এ লট। কাল কাট্টুয়ার খাবার নিয়ে আসবে। মনে থাকবে?' আমি প্রচন্ড রেগে যাই, প্রকাশ করি না। মুখে কৃত্রিম হাসি ফুটিয়ে বলি, 'এফারমেটিভ। অবশ্যই মনে থাকবে।' ' এবার পোশাক চ্যাঞ্জ করে লক্ষী ছেলের মত সোফায় বসো।' সোফায় বসে আমি অপার বিস্ময়ে কন্যাকে দেখি। দেখি, তার কাধে বেহালা, বাঁকা গ্রীবা, হাতে ছড়া, চক্ষু মুদিত। বেহালার তারে ছড়ার টান লাগতেই যন্ত্রটি কেঁদে উঠে-- "তোমার আমার এই বিরহের অন্তরালে কত আর সেতু বাঁধি, সূরে সূরে গানে গানে...।" নিমিষে এই ইট পাথরের ঢাকা শহর বেহেলার সূরে সূরে কোথায় মিলিয়ে গেল! সেই রাজিবপুর গ্রাম, বনজঙ্গল, স্কুল, ঘুড়ি ঊড়ানো, গহীন জঙ্গলের লটকন খাওয়া, আম-ভর্তা, স্কুলের চেনা মেয়েগুলোর অচেনা চাহনি... কত কি স্রোতের মত মনে বয়ে গেল। আঠারবাড়ী, আমার প্রিয় আঠারবাড়ী! আমি তোমাকে ত্যাগ করলেও তুমি আমাকে কখনো ছেড়ে যাও নি। হৃদয়ে আর চেতনায় অবিনশ্বর হয়ে আছো তুমি। যে কন্যা আমাকে আমার অতীত প্রেম, আমার শৈশব, আমার কৈশোর মুহূর্তে ফেরত দিয়ে দিতে পারে, তার প্রতি কি রাগ করা যায়? বেহালার সূর মিলিয়ে গেলে খুশি মনে বলি, "এক কাপ চা দিবি, মা!" " অবশ্যই। তুমি বসো, আমি চা করে আনছি।" ---------------------------------------------------------------------------


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৪ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now