বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

""মা""

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X . রমজানের দ্বিতীয় দিন চলছে,রুমকি ভার্সিটি থেকে বাসায় আসার জন্য রাস্তার দাঁড়িয়ে আছে,ড্রাইভারের জন্য সেই কখন থেকে অপেক্ষা করছে,অথচ তার আসার নামই নেই.রুমকি রোজা রেখেছে, একটু ক্লান্তও লাগছে.ড্রাইভারের উপর রাগও হচ্ছে ওর,বাবাকে বলে একটা ব্যাবস্থা করতে হবে.একটা কাজও ঠিক মত করেনা.মনে মনে যখন রুমকি এইসব ভাবছিলো তখন এক পিচ্চি এসে রুমকির পা ধরে টানছে.এমনিতেই বিরক্ত লাগছে ওর তারউপর একটা পিচ্চি এসে পা ধরেছে,রুমকি নিচে ভালো করে তাকিয়ে দেখে কি সুন্দর একটা ছেলে,পাঁচ কি ছয় বছর হবে বয়স.রুমকি নিচু হয়ে ছেলেটিকে সামনে এনে জিগ্যেস করলো.. বাবু পা ধরেছো কেন? কয়টা টাকা দিবেন? -তুমি এত ছোট মানুষ টাকা দিয়ে কি করবা? -কিছু খাই নাই,মাও খায় নায়. -তোমার মা রোজা রাখেননি? -রাখসে,রাতে শুধু পানি খেয়েছে. -ওহ!!তোমার বাবা নেই? -আছে,হাটতে পারেনা? -তোমার নাম কি বাবু? -মুহীব। -ওহ! আচ্ছা তোমার বাসা নিয়ে যাবে আমাকে? -আপনি যাবেন? -হুম যাবো -চলুন........ | | | মুহীবদের ঘর বস্তির প্রায় শেষ মাথায়,অনেক নোংরা পরিবেশ, এই পরিবেশের সাথে রুমকি একদম পরিচিত না.তবুও মুহীবের সাথে হাটতে লাগলো.ছেলেটার প্রতি কেমন এক মায়া তৈরি হলো রুমকির মনে.রুমকি যখন মুহীবদের ঘরে গেলো,গিয়ে দেখলো ঘুমানোর জন্য একটা খাটও নেই,নিচে মাটির মধ্যে শুয়ে আছেন একজন লোক,পাশেই বসে বসে কিছু একটা সেলাই করছেন ২৫ অথবা ২৬ বছর বয়সী একজন নারী.ইনি হয়তো মুহীবের মা.রুমকি সালাম দিয়ে জিগ্যেস করলো আপু আপনি মুহীবের মা? মহিলাটি অনেকটা অবাক চোখে তাকিয়ে উত্তর দিলো হ্যা.এত সুন্দর একটা মেয়ে এই ঘরে এসেছে ভেবেই হয়তো এতটা অবাক হচ্ছেন মুহীবের মা.গায়েও অনেক দামী পোশাক. রুমকি একটু ইতস্ততা করে বলল আমি বসতে পারি? মুহীবের মা মুহীবকে ডেকে বলল চাটাই এনে দিতে.রুমকি বসতে বসতে জিগ্যেস করলো মুহীব এত ছোট মানুষ ওকে দিয়ে ভিক্ষে করাচ্ছেন কেন? মুহীবের মা চোখটা নিচে নামিয়ে বলল,বোন আমি যাইতে কইনাই,ওর বাপ কাজ করতে পারেনা,রিক্সা চালাইতো,এক্সিডেন্টে এখন পঙ্গু হয়ে ঘরে শুয়ে থাকা ছাড়া কিছুই করতে পারেনা.আমি দুটা বাড়ি কাম করি,মাস এখনো শেষ হয়নি তাই ট্যাকাও পাইনি. আজ কয়দিন খাওয়ার কিছু নাই,দোকানে অনেক বাকী জমছে,দোকানদারও বলছে টাকা না দিলে আর বাকী দিবো না.গতকাল ভোর রাতে ওর বাপ যখন দেখলো আমরা না খেয়ে আছি,তখন কেঁদে কেঁদে বলছিলো আমি পঙ্গু বইলা তোমরা এত কষ্ট করো,আল্লাহ আমারে নিয়া যায়না ক্যান! ও ছোট্ট মানুষ বাপের কান্দন দেইখ্যা মনে হয় আপনার কাছে গিয়া ট্যাকা চাইছে.আপনি আপা কিছু মনে কইরেন না.ছোট মানুষ মাফ কইরা দেন. রুমকি বলল না না মাফ করার কথা আসছে কেন?আপনি আমাকে বোন বলেছেন না?ধরে নিন আমি আপনার একটা বোন,আমি কাল সকালে একবার আসবো. রুমকি চলে আসে,মুহীবের মা মনে মনে ভাবেন এইরকম অনেক মানুষই তো সাহায্য করবে বলে,পরে আর কেউ আসে না.মেয়েটাও হয়তো আসবেনা. রুমকির বাবা রুমকিকে ভীষণ ভালোবাসে,একটা মাত্র মেয়ে বলে কথা,যখন যা চেয়েছে তাই দিয়েছেন.রাতে যখন রুমকি বাবাকে বলল,আব্বু আমার পনেরো হাজার টাকা লাগবে,রুমকির বাবা যদিও জানেন তার মেয়ে টাকা নষ্ট করার মত মেয়ে নয়,তারপরও জিগ্যেস করলেন.... -আম্মু এত টাকা দিয়ে কি করবা? -আব্বু একটা ফ্যামিলিকে হেল্প করবো.আর তাছাড়া আমরা বন্ধুরা একটা প্লান করেছি এই রমজান মাসে ঢাকার বিভিন্ন যায়গায় পথশিশুদের নিয়ে ইফতারের আয়োজন করবো.কিছু ফ্যামিলিকে সাহায্য করবো.আব্বু তোমার হেল্প লাগবে,আমরা টাকা উঠাবো,ইকবাল আংকেল,আসিফ আংকেল সহ তোমার সব বন্ধুদের থেকেও তুমি টাকা ম্যানেজ করা দিবে. মেয়ের উদ্যোগ শুনে রুমকির বাবার চোখে পানি এসে গেলো,রুমকির বাবা হেসে বলল আমার আম্মু চাইছে তা অবশ্যই হবে. | | পরেরদিন রুমকি টাকা আর কিছু বাজার করে ড্রাইভারকে নিয়ে মুহীবদের বস্তিতে গেলো,রুমকিকে দেখে মুহীবের মা প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না.রুমকি যখন বাজার আর কিছু টাকা দিলো,মুহীবের মা খুশিতে প্রায় কেঁদেই দিলো,রুমকিকে জড়িয়ে ধরে বলল,আল্লাহ আপনার অনেক ভালা করবো... রুমকি কিঞ্চিত হেসে বলল... আপনি আমাকে বোন বলেছিলেন না? বোনের জন্য বোন তো এইটুকু করতেই পারি.আপনি অনুমতি দিলে আমি মুহীবকে স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিবো.দরকার হলে আমি নিজে ওকে পড়াবো.মুহীবের মা খুশিতে বললেন,অনুমতি দেওয়ার কিছু নেই বোন,এটা তো আমাদের সৌভাগ্য. | | ভার্সিটির সব বন্ধুরা মিলে রুমকিরা একটা গ্রুপ তৈরি করলো,যাদের ফ্যামিলির অবস্থা ভালো তাদের সবার কাছে নির্দিষ্ট একটা চাঁদা ধরলো.মোটামুটি অনেক বড় একটা ফান্ড হলো ওদের.তারপর একদিন ঢাকার এক এক জায়গায় পথশিশুদের নিয়ে সন্ধায় ইফতারের আয়োজন করলো ওরা.যেই সব ফ্যামিলির আর্থিক অবস্থা অনেক খারাপ তাদের পরিমাণে সামান্য হলেও সাহায্য করলো.সবাই এটা বুঝতে পারলো গরীব মানুষ গুলো খাওয়ানোর মত সুখ,অসহায় মানুষ গুলোকে হেল্প করার মত সুখ,আর অন্য কোথাও নেই. পুরোটা সময় জুড়ে মুহীব রুমকির সাথেই ছিলো. | | মুহীবদের পরিবারের পুরো দায়িত্ব রুমকি নিয়েছিলো,বাবাকে বলে মুহীবের মার জন্য একটা চাকরী ব্যাবস্থা করে দিলো. রুমকি প্রায় দিনই মুহীবকে নিজেদের বাসায় এনে রাখতো,নিজের হাতে খাইয়ে দিতো. এইভাবেই দুইটা বছর কেটে গেলো,একটা সময় রুমকির বিয়ে ঠিক হলো,পাত্র কানাডা থাকে.রুমকির বাবার বন্ধুর ছেলে,ছেলে চাইছে রুমকি সহ পুরো ফ্যামিলি কানাডা চলে যেতে. রুমকির বাবা যখন এই কথা বললো,রুমকি কিছুতেই রাজি হলো না.মুহীবকে ছেড়ে রুমকি কিছুতেই যাবেনা. রুমকির বাবা অনেক কষ্টে রুমকিকে এই বলে রাজি করলো যে,কানাডা চলে গেলেও মুহীবদের যেন কোন প্রকার কষ্ট না হয়,সেজন্য দরকার হলে প্রতি মাসে একটা এনজিওর মাধ্যমে টাকা পাঠাবো. সেজন্য একটা এনজিও ঠিক করা হলো. | | সবকিছু গুছিয়ে নিতে নিতে রুমকির বাবার একমাসের মত লেগে গেলো,এই একমাস রুমকি একটিবারের জন্যেও মুহীবকে চোখের আড়াল হতে দেয়নি.সকালে মুহীবকে স্কুলে দিয়ে আসা,আবার বিকেলে স্কুল থেকে নিয়ে আসা সব রুমকি নিজেই করতো.মুহীবের প্রতি রুমকির ভালোবাসা কেয়ার দেখলে যে কেউ বলবে রুমকিই মুহীবের মা.মুহীব অবশ্য রুমকিকে ছোট মা বলে ডাকে. সব ঠিক হওয়ার পর,যেদিন রুমকিরা চলে যাবে সেদিন রুমকি মুহীবকে ধরে অনেক কাঁদলো,যাওয়ার আগে মুহীবকে বলে গেলো.....ভালো করে পড়াশুনা করবে,মা-বাবার কথা শুনবে.আমি কিন্তু খোঁজ রাখবো.যদি শুনি তুমি পড়াশুনা করছো,মা-বাবার কথা শুনছো না,তাহলে ভীষণ কষ্ট পাবো.আমি আর ফিরে আসবো না.মুহীব দুহাত দিয়ে রুমকির হাত ধরে রেখে শুধু মাথা নেড়ে গেলো. | | রুমকিরা চলে যাওয়ার পর প্রথম প্রথম কিছুদিন পরপর রুমকি এনিজেওতে ফোন দিয়ে খোঁজ রাখতো.একটা সময় স্বামী সংসার সামলাতে সামলাতে খোঁজ রাখার পরিমাপ কমতে লাগলো.এইভাবেই মাস পেরিয়ে বছর চলে যায়.একে একে একুশ বছর পেরিয়ে যায় রুমকির জীবনে.একুশ বছর পর স্বামীর সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেয় দেশে ফিরে আসার.এই একুশ বছরে অনেক কিছু ঘটে যায় রুমকির জীবনে.বাবা মারা যায়.দুইটা সন্তানের মা রুমকি আজ আর সেই তরুণী রুমকি নেই.চেহারাতে বয়সের চাপ স্পষ্ট. | | আজ এত বছর পর দেশে ফিরে আসার কথা মনে হতেই মনে পড়ে মুহীবের কথা.অনেকটা বছর যোগাযোগ নেই মুহীবের সাথে.কোথায় আছে কেমন আছে তাও জানেনা রুমকি।দেশে আসার কিছুদিন আগে কয়েকবার এনজিওতে যোগাযোগ করেও কোন খোঁজ মিলেনি মুহীবের. মুহীবকে একটু দেখার জন্য যেন তর সইছে না রুমকির.এটা নিয়ে কিছুক্ষণ পরপর স্বামীকে জিগ্যেস করে, আচ্ছা ও বুঝি এখন অনেক বড় হয়েছে? -হুম বড়তো হবেই. -আচ্ছা আমাকে চিনতে পারবে? -তুমি টেনশন করছো?তুমি দেখবা দেশে গেলেই মুহীব ঠিক তোমার কাছে আসবে. রুমকি নিজ ছেলেমেয়েদেরও মুহীবের গল্প শুনায়,ছোট্ট মুহীবের গল্প. | | দেশে এসে পরের দিনই রুমকি স্বামীকে নিয়ে মুহীবকে খুঁজতে বের হলো,প্রথমে এনজিওতে গেলো,কিন্তু তারা শুধু বলতে পারলো পাঁচ ছয় বছর আগ থেকেই তারা কেউ এনজিওতে আসেনা.এখন কোথায় আছে তাও জানেনা.রুমকির শেষ ভরসা বস্তি.কিন্তু বস্তিতে গিয়ে কিছুই চিনতে পারলো না রুমকি.অনেক পরিবর্তন হয়েছে বস্তিতে.রাস্তা ঘরবাড়ি গুলো কোনটাই আগের মত নেই.সেই দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত এত মানুষকে জিগ্যেস করলেও কেউ বলতে পারলো না মুহীবদের কথা.একসময় ক্লান্ত হয়ে রুমকির স্বামী রুমকিকে বলল চল আজ ফিরে যাই কাল খুঁজবো। বস্তি থেকে বের হয়ে বড় রাস্তার কাছে আসতেই এক বৃদ্ধ লোক এসে বলল আপনারা কি মুহীবকে খুঁজছেন? বুড়োর মুখে মুহীবের কথা শুনেই একপ্রকার উত্তেজিত রুমকি বলল আপনি মুহীবকে চিনেন? প্লিজ চিনলে বলুন মুহীব কোথায়. বৃদ্ধ বলল মা আমিতো জানিনা ও এখন কোথায় থাকে,তবে অনেকদিন আগে একবার বনানীতে একটা রেস্টুরেন্টে দেখেছিলাম. বৃদ্ধের কাছে ঠিকানা নিয়ে তখনি বনানী ছুটে গেল রুমকি. ঠিকানা অনুযায়ী রেস্টুরেন্টও পেলো,ভিতরে প্রবেশ করে রুমকি অবাক হলো,রেস্টুরেন্টে একটা মানুষও নেই.আরও অবাক করার বিষয় রেস্টুরেন্টটি এমনভাবে সাজানো হয়েছে যেন আজ কোন অনুষ্ঠান হবে এইখানে.এইদিক ওইদিক তাকিয়ে কাউকে দেখা গেলো না.হঠাৎ রেস্টুরেন্টের লাইট অপ হয়ে গেলো,মোটামুটি একটা অন্ধকার পরিবেশ তৈরি হলো.রুমকি এক হাত দিয়ে স্বামীর হাত ধরে রেখেছে. একমিনিট পরেই আলো জ্বলে উঠলো,রুমকির ঠিক দুহাত দূরেই পঁচিশ ছাব্বিশ বছরের একটা ছেলে দাঁড়িয়ে.ছেলেটি আর একটু সামনে এসে জিগ্যেস করলো....... মা আমাকে চিনতে পেরেছেন?আমি আপনার মুহীব. -রুমকি কাঁদছে,মুহীবকে কাছে টেনে এনে জড়িয়ে ধরে হু হু করে কাঁদতে লাগলো রুমকি. রুমকির স্বামী,রেস্টুরেন্টের সব স্টাফরা অবাক হয় দেখছে.রক্তের সম্পর্কের মা সন্তান না হয়েও একটি অপূর্ব সম্পর্কের দুজন মানুষের কান্না.সবার চোখই ভিজে এলো. মুহীব রুমকির চোখের পানি মুছে দিতে দিতে বলল মা আমি আপনার কথা রেখেছি,এই রেস্টুরেন্টটি আমার. মা আপনাকে এত বছর অনেক মিস করেছি,আপনাকে আর যেতে দিবো না. রুমকি মুহীবের মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে বলল, বাকী জীবনটা আমি এইদেশেই কাটাবো. আমার এখন তিনটা সন্তান.আমার চেয়ে কেউ সুখী নেই......... পরিশেষে:- যেই বৃদ্ধ লোকটি ঠিকানা বলে দিয়েছিলো,আসলে সে মুহীবের পাঠানো লোক.আর এনজিওতে মুহীবই মানা করেছিলো যদি কোনদিন কানাডা থেকে কেউ ঠিকানা জানতে চায় তাহলে যেন না দেওয়া হয়. এই রেস্টুরেন্টটি চালু করার পুরো খরচ রুমকির বাবা দিয়েছিলো.যদিও রুমকি আজও তা জানেনা. এটা হয়তো একটা গল্প,কিন্তু এমন অনেক ঘটনা হয়.সমাজের বিত্তশালী লোক গুলো যদি এগিয়ে আসতো অসহায় মানুষ গুলোর পাশে,তাহলে এদেশে না খেয়ে থাকা মানুষ খুঁজে পাওয়া যেত না. সবাইকে রমজানের শুভেচ্ছা. Tarique Hasan


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now