বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

*********পিং**********

"শিক্ষণীয় গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মিশকাত রায়হান (০ পয়েন্ট)



X এক ছোট নদীতে নীল নামক একজন মাঝি ছিলো। সে তার নৌকায় ১৬টি হাস পুষতো। তাদের ছিলো ১৬টা নাম। তৎমধ্যে সবচেয়ে ছোট, কিউট এবং দুষ্টু হাসটির নাম পিং। প্রতিদিন সব হাসগুলোকে নদীতে ছেড়ে দেওয়া হতো। সন্ধ্যায় হাসগুলোকে একটা তক্তা বেয়ে উপরে তোলা হতো। যে হাসটি সবার শেষে উঠতো, তাকে একটা বেতের বাড়ি দেওয়া হতো। এটাই ছিলো নিয়ম। পিং বয়সে এবং শক্তিতে ছোট হওয়ায় প্রায় প্রত্যেকদিন তাকে মার খেতে হতো। একদিন সে একটা দুষ্ট বুদ্ধি আটলো। সে সিদ্ধান্ত নিলো যে, সে রাতে নৌকায় ফিরবেনা। কোন এক জায়গায় লুকিয়ে থাকবে। এবং সকাল হলে নৌকায় ফিরে যাবে। কারন, নৌকা বাধার স্থান তার চেনা কাজেই কোন সমস্যা হবেনা, মারও খেতে হবেনা। যেই ভাবা সেই কাজ। সেদিন সে দলের সাথে গেলোনা। একটা অন্ধকার ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে থাকলো। সকালে ঊঠে সে নদীতে গিয়ে দেখল, তাদের নৌকা নাই। সে উদ্দেশ্য হারা হয়ে তার নৌকা কে খুজতে লাগলো, নদীতে অনেক নৌকা এসেছে তৎমধ্যে তাদের টা খুজে পাচ্ছেনা। এমন সময় অন্য নৌকা থেকে একটা ছেলে তাকে ঝাপটা দিয়ে ধরে ফেললো। ছেলেটি তাকে ঝুড়ির নিচে আটকে রাখলো। পিং ওখানে বসে কাদতে লাগলো।এমন সময় দেখে একটা মধ্যবয়সী লোক চাকু শান দিচ্ছে। বুঝতে পারলো যে, তাকে জবাই করা হবে। এটা ভেবে আরো বেশি কাদতে লাগলো।এমন সময় ছেলেটা এসে তাকে কোলে তুলে নিয়ে নদীতে ভাসিয়ে দিয়ে বললো, " চলে যা তুই, আমি ভেবেছিলাম তোকে পুষবো, কিন্তু চাচা তোকে মেরে ফেলতে চায়, তুই চলে যা" পিং ছেলেটার চোখে পানি দেখলো। পিং তারপর আবার সাঁতরাতে লাগলো, ক্লান্ত হয়ে একসময় তীরে উঠে এলো। হটাৎ চোখে পড়লো, একসারি হাস তক্তা বেয়ে নৌকায় ঊঠছে। সে দৌড়ে সেখানে গেলো, এবং বেতের মার খেয়েও নৌকায় উঠলো। সবাই পিংকে ফিরে পেয়ে অসম্ভব খুশি হলো, পিং ও মনে মনে নিজের বোকামির জন্য অনুতপ্ত হলো। #মোরাল - নিঃসঙ্গ জীবন বড় বিপদজনক। তাই একসাথে সবাই মিলে থাকা উচিৎ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৩৮১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...