বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
অঙ্ক (মাইক্রো হরর)
লেখকঃShapnil Badhan
---------------------------------
অজয় রায় খুব ব্যস্ত মানুষ।ব্যাস্ত হবেন নাই বা কেন?তিনি
শহরের সবচেয়ে বিক্ষাত অঙ্কের শিক্ষক।সারাদিন কত
ছাত্র ছাত্রী পড়াতে হয়।কিন্ত আজকে তার ছুটির দিন।
সন্ধ্য ৭ টা,তিনি ঘরে বসে টিভি দেখছেন।এমন সময়
কলিং বেল বেজে উঠল।তিনি খুব বিরক্তি নিয়ে দরজা
খুলতে গেলেন।দরজা খুলে দেখলেন এক পনের-ষোল
বছরের ছেলে দাড়িয়ে আছে।তিনি বললেন,
"কী চায়??"
"স্যার আপনার সাথে কিছু কথা ছিল,ভেতরে আসতে
পারি?"
"এসো"
ছেলেটি বলল,
"স্যার আমি আপনার কাছে অঙ্ক পড়তে চায়।"
তিনি খুব বিরক্তি নিয়ে বললেন,"আমার কাছে সিট ফাকা
নেই।পরে যোগাযোগ করো।"
"স্যার আমার পুরো কথাটা শুনুন,তাহলে বুঝতে পারবেন"
"বলো"
"স্যার আমি অঙ্কে খুব কাঁচা।এর জন্য বাবার কাছে কত
বকুনি আর মার যে খেয়েছি...বাবা স্কুলের সব চেয়ে
রাগি স্যারের কাছে আমার পড়া ঠিক করে দিলেন।একটু
ভুল করলেই অনেক মারতেন স্যার।একদিন লাঠি দিয়ে
আমার হাতে মারতে গিয়ে,হাত ফস্কে মাথায় মেরে
দিলেন।প্রচন্ড ব্যাথায় আমি জ্ঞান হারায়।যখন জ্ঞান
ফেরে,অনেক কান্নার আওয়াজ শুনতে পাই।দেখি মা
বাবা দড়িয়ে আছে একটি সাদা চাঁদরে মোড়া লাশের
পাশে।কাছে আসতেই দেখি এ লাশ আমার রাগী
স্যারের।গলাটা কাটা।বুঝতে বাকি থাকলনা,এটা ওর ই
কাজ।ও সব সময় আমার পাশেই থাকে।ওকে দেখতে
পাইনা।কিন্ত অনূভব করতে পারি....অনেক দিন কেটে
গেছে,ভাল অঙ্কের শিক্ষক পাচ্ছিলাম না।পরে আপনার
খোজ পেলাম।স্যার আমার অঙ্ক করাটা খুব জরুরী।দয়া
করে না করবেন না।"
.
.
তীব্র ডিসেম্বরের শীতেও অজয় রায়ের কপালে বিন্দু
বিন্দু ঘাম ফুটে উঠল।জোরাল নিয়ন বাতির আলোয় ঘরে
বসে আছেন তারা দু জন।কিন্ত ছায়া পড়ছে তিন
জনের...!!!!!!!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now