বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

গল্পের মাধ্যমে নেতৃত্ব শিখুন-২(সংগৃহিত)

"শিক্ষণীয় গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান তপু (০ পয়েন্ট)



X ছুটির পর খোকার সাথে দেখা করলো আদিবা। কিভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দেবে তাই নিয়ে আলোচনা করতে বসলো তারা। এখন খোকাও আদিবার মতই সমস্যাটাকে নিজের বলে মনে করছে। খোকা ই প্রথমে মুখ খুললো। খোকাঃ "তপু যে স্কুলে আসেনা তা প্রায় তিন দিন হতে চললো। আদিবাঃ "হুম। আমিও তাকে বহু টেক্সট করেছি। কিন্তু সে স্কুলে আসতে চাচ্ছেনা। " খোকাঃ "কিন্তু ঠিকমতন ক্লাস না করলে তো ফাইনালে পাস করতে পারবেনা।" খোকার গলায় উদ্বেগ। আদিবাঃ "কিভাবে ওকে ফেরানো যায়? ক্লাস টিচারকে বলবো কিনা বুঝতে পারছিনা।" বিড়বিড় করে বলতে লাগলো আদিবা। খোকাঃ "আমি বলেছি ইতিমধ্যেই। উনি আমার কোনো কথাই তো বিশ্বাস করলেন না।" একটু থেমে খোকা আবার বললো, "তোর কি মনে হয় অন্য কোনো স্যারকে বলা উচিৎ ঘটনাটা?" আদিবাঃ “বলা যায়। কিন্তু কাকে বলবো?” দীর্ঘশ্বাস ফেলে আদিবা বললো। খোকা চুপ করে রইলো। যদি আদিবা আর কোনো উপায় খুঁজে বের করতে পারে। আদিবাঃ "ভাইস প্রিন্সিপ্যাল স্যারকে বলা যায়।" প্রস্তাব করলো আদিবা। খোকাঃ "আমি জানিনা। এই লোকটাকে আমার খুব একটা পছন্দ না। অযথাই সবসময় রাগারাগি করে।" আদিবাঃ "আমারও স্যারকে ভাল্লাগেনা। কিন্তু উনি ছাড়া আর কোনো উপায়ও নাই। উনি চাইলে সব সমস্যার সমাধান করতে পারেন। স্যারকে খুলে বললে নিশ্চয় তিনি আসলামকে শাস্তি দেবেন।" কিন্তু এবার খোকার ভয় করতে লাগলো কেমন করে ভাইস প্রিন্সিপ্যাল স্যারকে এই কথাগুলি বলবে? স্যার ভীষণ রাগী মানুষ। সে জানে আদিবারও একই ভয় কাজ করছে। হঠাৎ আদিবা বললো। আদিবাঃ "আজকালের মধ্যেই স্যারকে কথাটা বলবো আমি।" আদিবার সাহস দেখে অবাক হলো খোকা । চিন্তনমূলক প্রশ্নঃ আদিবা এবং খোকার জায়গায় থাকলে তুমি আর কি কি সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে পারতে? আমরা যা শিখলামঃ পরিবর্তনের জন্য কাজ করতে গেলে আমাদেরকে সমাজব্যবস্থা নিয়ে চিন্তা করতে হয়। ভাবতে হয় এর থেকে ভালো কিছু করা যায় কিনা। যদিএভাবে আমরা চিন্তা-ভাবনা না করি, তবে নেতৃত্বচর্চার প্রথম ধাপটিতেই ব্যর্থ হতে হয়। ব্যাক্তিগত বা পারিপার্শ্বিক যেকোনো আঙ্গিকে নেতৃত্ব চর্চার মূল কাজটি হলো বর্তমান অবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করা। ভয়ের জন্য যে কাজ আমরা এতোদিন করিনি তাতে অগ্রসর হলে আমাদের সাহস বাড়ে, নতুন কিছু শেখার সুযোগ হয় আর খুলে যায় সম্ভাবনার দ্বার।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১৬৩ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...