বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

চুরি করবার নূতন পথ (3)

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান নাসরুল্লাহ (০ পয়েন্ট)

X গিরীন্দ্র হেসে উঠে বললে, ' কিন্তু আমি ভবিষ্যত্বাণী করছি সেখানে গিয়ে আমরা যা দেখেছি, তার চেয়ে বেশি কিছুই তুমি দেখতে পাবে না? এটা মামলাই নয়, আশ্চর্যভাবে দৈব দুর্ঘটনায় দুটো লোক মরেছে এইমাত্র।' ' আশা করি তোমার কথাই সত্য হবে। এখন চল।' অমরবাবুর বাড়িখানি মাঝারি। তার পূর্বদিকে ট্রাম লাইনের পাতা রাস্তা, পশ্চিম দিকে খিড়কির পুকুর ও বাগান এবং দক্ষিণদিকে প্রতিবেশীদের বাড়ির সারি । গিরীন্দ্রের সঙ্গে জয়ন্ত ও মানিক রাস্তার দিকের দোতলার বারান্দায় এসে দাঁড়ালো । গিরীন্দ্র সব দেখাতে দেখাতে বললে, ' বারান্দার কোণে এই যে তিনখানা ঘর দেখছ এর প্রথমখানা হচ্ছে অজিতের ঘর। দ্বিতীয়খানা অসীমের আর তৃতীয়খানা অমলের । প্রথম ঘরের এই জানালার তলায় অজিতের আর দ্বিতীয় ঘরের ঐ জানালার তলায় পাওয়া গেছে অসীমের মৃতদেহ। এ দুটো ঘর এখন খালি পড়ে আছে।' জয়ন্ত দু'খানা ঘরে ঢুকেই চারিদিকে দৃষ্টিপাত করতে লাগল। প্রত্যেক জানালা, এমনকি দেওয়ালের লোহার গরাদে পর্যন্ত ভাল করে পরীক্ষা করলে। উল্লেখযোগ্য কিছুই পাওয়া গেল না । তারপর তারা তৃতীয় ঘরের একটা জানালার কাছে গিয়ে দাঁড়ালো। বাহির থেকেই দেখা গেল, ঘরের ভিতরে চেয়ারের উপরে বসে রয়েছে দুটি লোক। একজনের বয়স হবে আঠারো ঊনিশ আর এক জনের চল্লিশের কাছাকাছি । জয়ন্তের দিকে ফিরে গিরীন্দ্র চুপি চুপি বললে, ' অমল আর তার ভগ্নিপতি সুরেনবাবু ।' তারপর ঘরের দিকে ফিরে চেঁচিয়ে বললে, ' কী হয়েছে সুরেনবাবু, অমলের মুখের ভাব অমনধারা কেন।' অমলের মাথায় সস্নেহে হাত বুলোতে বুলোতে সুরেন বললে, ' বাড়িতে আবার পুলিশ দেখে অমল ভয় পেয়েছে । তাই আমি একে বোঝাবার চেষ্টা করছি।' ' বেশ করেছেন । আমরা বাঘ নই, তেড়ে গিয়ে অমলকে কামড়ে দেব না। আজ একেবারে শেষ তদন্ত করতে এসেছি, আর আসব না ।' সুরেন বললে, ' আর তদন্ত! এ হচ্ছে ভগবানের মার, পুলিশ তদন্তের ধার ধারে না !' সেদিক থেকে ফিরে আসতে আসতে জয়ন্ত জিজ্ঞাসা করলে, ' অমল কি এখনো এই ঘরেই থাকে?' ' হ্যাঁ।' ' একলা?' ' হ্যাঁ।' ' সুরেনবাবুর ঘর কোথায়?' ' বাড়ির পশ্চিম দিকে।' বারান্দার রেলিঙের উপরে হাত রেখে ট্রামের রাস্তার দিকে তাকিয়ে জয়ন্ত চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল। সে যে কী ভাবছে, তার মুখ দেখে কিছুই বোঝবার জো নেই । মানিক বললে, 'কী হে, ধ্যান সাগরে তলিয়ে গেলে নাকি?' ' আমি তলাবার চেষ্টা করছি না মানিক, আমি ভাসবার চেষ্টা করছি ।' গিরীন্দ্র ঠাট্টার সুরে বললে, ' কী আবিষ্কার করলে শুনি?' ' শুনবেন? এই বাড়িতে চোর আসতে পারে সহজেই ।' ' তাই নাকি?'


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৮৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now