বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
মামা, মালা নিবেন? দুজন
বসা থেকে উঠতেই একটি পাঁচ/সাত বছরের বাচ্চা মেয়ে ছুটে এসে বললো।
শুভ্রঃ কত রে? দাম কত?
বাচ্চা মেয়েটি বললো, ১০ ট্যাকা দ্যান।
শুভ্র মানিব্যাগ থেকে দশ টাকা বের
করে বাচ্চা মেয়েটির দিকে এগিয়ে দিল।
শুভ্রঃ পেছন ফের।
বন্যাঃ কেনো?
শুভ্রঃ বললাম ফিরতে, ফের।
শুভ্র বন্যার খোঁপায় বেলি ফুলের মালাটি বেঁধে দিলো।
বন্যাঃ আজ হঠাৎ এত রোমান্টিক হবার
কারনটা কি শুনি জনাব?
শুভ্রঃ কেন! আমি কি তোকে ভালবাসি না?
বন্যাঃ হ্যাঁ বাসিস। তবুও… আজ একটু
বেশি রোমান্টিক দেখাচ্ছে তো। তা বললাম।
শুভ্রঃ ও! তাহলে ওই সে ওখানে সুন্দরি মেয়েটা বসে আছে তার খোঁপায় মালাটা বেঁধে আসি?
বন্যাঃ হিঃ হিঃ হিঃ যা তাহলে।
দেখি তোর কত সাহস। শোন,
সাতসকালে যদি থাপ্পর খাবার শখ
জেগে থাকে, তাহলে যা। আমি বারন
করবো না।
শুভ্রঃ হয়েছে হয়েছে। পাকামো করিস না। চল, মাঠে গিয়ে বসি।
কিরে, চা টা বেশ মজার না?
বন্যাঃ হুঁ।
শুভ্রঃ মামা, একটা সিগারেট দাও তো।
বন্যা তার ভ্যানিটিব্যাগ থেকে একটি লাইটার বের করে এগিয়ে দিল।
শুভ্রঃ এইটা কার
! আর তোর কাছে আজকাল এই জিনিসো থাকে! হাঃ হাঃ হাঃ
বন্যাঃ জ্বি না জনাব, এটা আপনারই। গত সপ্তাহে আমি কেড়ে নিয়েছিলাম।
আপনি নিতে ভুলে গেছেন।
আমিও
দিতে ভুলে গিয়েছিলাম। আর যত সিগারেট খাওয়ার খেয়ে নিন জনাব শুভ্র। বিয়ের পর যদি একটা সিগারেটও খেতে দেখি, এক্কেবারে ঠোঁট দুটো সেলাই করে দেবো।
শুভ্রঃ হিঃ হিঃ হিঃ সে পরে দেখা
যাবে। আগে বিয়ে হোক। তারপর…
বন্যাঃ এত পাজি কেন তুই! আর মাত্র এক সপ্তাহ। খেয়ে নে, যত পারিস।
শুভ্রঃ চা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে। খা জলদি।
বন্যাঃ চল। বসুন্ধরা সিটিতে যাবো।
বলতে বলতে চায়ের দোকানিকে ব্যাগ
থেকে টাকা দিয়ে বললো, কত বিল
হয়েছে তা এখান থেকে রাখুন।
শুভ্রঃ কেনো? ওখানে কি?
বন্যাঃ তোর গায়ে হলুদের
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now