বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

নীল চুড়ি

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sayemus Suhan (০ পয়েন্ট)

X লেখক : # সাইলেন্ট রাইটার পড়ন্ত বিকেলে হেটে চলছি একা একা, কিছুটা রৌদ্রময় আবহাওয়া ,মাথার উপর থেকে সূর্যটা হেলে পড়ছে পশ্চিম আকাশে , রাস্তায় মানুষ গিজ গিজ করছে করবে না বা কেনো আজ বাংলা বেশাখীর প্রথম দিন বরাবরের মত এটা নিয়ে এবার ও আমার কোন প্ল্যান নেই, তবুও টিউশনিটা যে পড়াতে যেতে হবে, তাই এই রৌদ্রময় বিকালে রাস্তায় বের হওয়া , এমনিতেই প্রছন্ড রোদ গা ঘেমে গেছে তাই হাতের বইটা নিয়ে মাথাটা একটু ঢেকে রেখেছি যাতে রৌদ্র টা চোখে না লাগে, হঠাৎ মনে হল সামনে আর এগুতে পারছি না কিসের সাথে যানি আটকে যাচ্ছি, চোখ তুলে সামনের দিকে তাকাতেই প্রছন্ড রকমের শক, , আমার সামনে দাড়িয়ে আছে একটি মেয়ে মেয়ে বললে ভুল হবে আমার ছাএের বড় বোন ইসরাত জাহান বন্যা!!! ইসরাত : ওই যে মিস্টার চোখগুলো কি পকেটে নিয়ে হাটছেন নাকি? ? আমি : সরি আসলে অনেক রৌদ্র পড়ছে তো তাই ( কাচুমাচু হয়ে) ইসরাত :- তো এত রৌদ্র পড়ছে ছাতা নিলেই তো পারতেন আমি : আসলে আজ দেরি হয়ে গেছে তো তাই ইসরাত তার ব্যাগ থেকে ছাতাটা বের করে বললেন নেন এমনে তো কালো তারপর আবার রৌদে পুড়ে চেহারার কি অবস্থা করেছেন ছাতাটা আমার হাতে দিয়ে নিজে রৌদ্রের মধ্যে হাটটে শুরু করল, আমি দোটনায় পড়ে গেলাম হঠাৎ এত মায়া আমার জন্য তোর কি সব আজেবাজে ভাবছি, , আমি ফারাবি এবার অনার্স থার্ড ইয়ার এ পড়াশোনা করি ,বাবামায়ের একমাএ সন্তান বললে ভুল হবে মার একমাএ সন্তান বাবা অনেক আগে ছেড়ে চলে গেছে, মা একটা স্কুল এ টিচার আর আমি 2 একটা টিউশনি করে নিজের খরচ গুলে নিজেই চালাই, আসলে মায়ের উপর বাড়তি কোন চাপ পরতে দেই না, সব মা বাবাই চায় তার সন্তান গুলো সুখে থাকুক আমার মাও চায়, ছাএের বাড়িতে পৌছে বেল চাপতেই দরজা খুলে দিল ইমাম এর মা, সৌজন্যসহকারে একটা হাসি দিয়ে ইমাম এর রুমে গিয়ে বসলাম, ইমাম ও বসে আছে আগে আগে এবার ফাইভ এ পড়ে যথেষ্ট ভাল সুডেন্ট আর ভাল সুডেন্টদের পড়াতে আলাদা ভাল লাগে ,টাকাও মোটামোটি বেশি দেয় ,ইমামকে পড়া দিয়ে অতীতে চলে গেলাম আজ থেকে প্রায় 6 মাস আগে ইমামকে পড়ার দায়িত্ব তা দেয় এক বন্ধু, প্রথম যেদিন পড়াতে আসব সেদিন আমার অবস্থা ভাল ছিল না, কারন হল ইসরাত দরজা নক করতে বেরিয়ে আসে নিল শাড়ি পড়া এক যুবতী মেয়ে, আমি তাকে দেখেও না দেখার ভান করে বললাম এটা কি ইমাম দের বাসা মেয়ে : জি বাট আপনি কে??? আমি : আমি ইমামের নতুন টিচার মেয়ে : ওহ আসেন আসেন বলে আমাকে ভিতরে নিয়ে সোফাতে বসাল আর ইমাম ইমাম বলে জোরে জোরে ডাকতে লাগল ভিতর ঘর থেকে ছেলেটি বলল জি আপু তখনি বুঝতে পারি মেয়েটি ইমাম এর বোন ,আমি আড়চোখ এ মেয়েটির দিকে তাকালাম ,চোখগুলো ফুলা ফুলা হাসলে গালে টোল পড়ে ,এমন ভাবে সেজে আছে চোখে কাজল প্রথমদিন আমি অনেকক্ষন অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলাম তার দিকে সে হয়তো বুঝতে পারে নাই, তারপর থেকে প্রত্যেকদিন দেখা হত তারসাথে সে প্রতিদিন নাস্তা নিয়ে আসত পড়ানোর সময় আমার জন্য তাকে যতই দেখি ততই মুগ্ধ হই সে আস্তে আস্তে তার চোখের চাহনি দিয়ে আমায় বশ করে নিচ্ছে, কিন্তু সবসময় একটা জিনিস খেয়ার করতাম সে নিল জামা বেশি পড়ে থাকত হয়তো তার পছন্দ কিন্তু তার হাতে কখনো চুড়ি দেখি নি, তার সাথে অনেকবার চোখাচোখি হয়েছে এর বিনিময়ে সে একটু মুচকি হাসি উপহার দিত তখন মনে হত কেউ আমার মনে হাতুড়ি দিয়ে বারি দিচ্ছে হঠাৎ ইমামের ডাকে বর্তমানে ফিরে এলাম স্যার পড়া শেষ আমি তার পড়াগুলো নিয়ে ছুটি দিয়ে দিলাম যখনি গেইট দিয়ে বাহিরে যাব তখনি ইসরাত হাজির ইসরাত :- আমার ছাতা কই? ? আমি :- ইমামের রুমে ইসরাত :- ওর রুমে কেন আমার রুমে বা আমায় ডাকলে কি বেশি সমস্যা হত আমি : তা জানি না ( ও কি বুঝাতে চাচ্ছে) ইসরাত : কালকে আমার জন্মদিন আপনাকে সবার আগে দাওয়াত দিলাম আসবেন কিন্তু আমি : হা সুচক বলে চলে এলাম বাসায় রুমে শুয়ে শুয়ে ভাবছি কালকে কি দেওয়া যাবে তার জন্মদিনে হঠাৎ মনে পড়ল একজোড়া নিল চুড়ি দিলে কেমন হয় সে কি নিবে এগুলো না ফিরিয়ে দিবে যাহোক অবশেষ এ সিদ্ধার্ন্ত নিয়ে নিলাম নিল চুড়ি আর একগুচ্ছ সাদা গোলাপ যাহোক মাটির নিচে জমানো ব্যাংকটা ভাঙ্গালাম, সবগুলো গুনে দেখা গেল সাতশত সওর টাকা, আর কয়েকটা লাল পয়সা যেগুলো এখন নাকি দাম নাই, ঘুমিয়ে পড়লাম সকাল 10 টায় ঘুম থেকে ওঠলাম, ,আজ শুক্রবার সব বন্ধ তাই হয়তো আম্মু ডাক দেয় নাই, নাস্তা সেরে মার্কেটে গিয়ে একজোড়া নিল চুড়ি আর 17 টা সাদা গোলাপ আজ নাকি তার 17 তম জন্মদিন তাই কিনলাম, , বাসায় এসে আমাদের বাসায় ফ্রিজ নাই তাই পাশের বাসায় রেখে এলাম ,,জুম্মার নামাজ পরে খেয়ে দেয়ে একটা ঘুম দিলাম হঠাৎ মোবাইলে শব্দে ঘুম ভেঙ্গে গেল আমি : হ্যালো কে? ? ওদিকে মেয়ে কন্ঠে ভেসে এল আজকে আপনার কোথাও যাওয়ার কথা ছিল আমি : হুম ( বুঝে গেছি তার কন্ঠ শুনেই যে ইসরাত ফোন করেছে) মেয়ে : অপেক্ষার ফালা কিন্তু আপনার ও একদিন আসবে বলে কেটে দিল আমি কিছু বুঝতে পারছি কি হতে যাচ্ছে ফুল আর চুড়ি নিয়ে হাটা দরলাম গন্তব্য ইসরাতের বাড়ি, প্রায় সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছে, ইসরাত দের বাড়িতে আসলাম ছোটখাটো একটা অনুষ্টান মেহমান সব এসে গেছে কিন্তু ইসরাতকে দেখছি না ইমামকে লাজলজ্জার মাথা খেয়ে জানতে চাইলাম ইসরাত কই বললে ছাদে এদিক ওদিক তাকিয়ে দৌড়ে চলে গেলাম ছাদে, ছাদের ওয়াল গেসে দাড়িয়ে আছে মেয়েটা চাদের আলোটে আবছা দেখা যাচ্ছে যেন এক সাক্ষাত পরি প্রথমদিন এর মত সব নিল শুধু চুড়িগুলো নেই আমি তার সামনে হাটুগেড়ে বসে গোলাপ গুলো বাড়িয়ে চোখ বন্ধ করে বলে দিলাম প্রতিদিন এমন করে চুড়ি না পড়ে বসে থাকবি আমি না হয় তোর জন্য চুড়ি নিয়ে এসে নিজ হাতে পরিয়ে দেব হঠাৎ বুকের মধ্যে কিছুটা গরম অনুভব করলাম কেউ একজন ঝাপতে ধরেছে আমায়, ধরে থাকুক এমনি ভাবে সারাটি জীবন আমারে বুকের মধ্যখানে """ বিদ্র: লেখাটা কাল্পনিক


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ নীল শাড়ি ও লাল চুড়ির গল্প
→ নীল চুড়ি অথবা কোন বিকেলের গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now