বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভুতের গোসল

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sayemus Suhan (০ পয়েন্ট)

X প্রথমেই বলে রাখি আমি বড় মাপের কোন লেখক নই । তাই, আমার গল্পে সমষ্টিগত অনেক ভূল হতে পারে এজন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি আগেই । যাহোক , কাহিনী টা শুরু করি । এটি আমার জীবনে ঘটে যাওয়া একটি অলৌকিক ঘটনা । এর ব্যাখ্যা দাড় করাতে পারছিনা । আমি যে ঘরে থাকি সেই ঘর থেকে আমাদের মসজিদ এর দূরত্ব ২৫-৩০গজ । মসজিদ এর টিউবওয়েলের পাশেই অনেক পুরাতন একটি নারকেল ও পুরুষ তাল গাছ । এ গাছদুটিতে নাকি জ্বীনেদের আবাস । অবশ্য তা প্রথম জানতে পেরেছি আমার মায়ের মুখে এবং পরে এলাকার মুরুব্বীদের অনেকের কাছ থেকে । তবে এই জ্বীনগুলো নাকি ভাল জ্বীন । কারো কোন ক্ষতি করে নাই কোনদিন । আমার দাদার সাথে নাকি অনেকদিন তাহাজ্যুতের নামাজ পড়েছে এই জ্বীনটি । তো ঘরে শুয়ে থেকেই জানালা দিয়ে নারকেল ও তাল গাছ গুলো এবং টিউবওয়েল স্পষ্ট দেখা যায় । চৈত্র গরমের রাতঃ ০২:৩৫ মিঃ এ টিউবওয়েল ঠেঁলার চেঁচামেচি শব্দে ঘুম ভেঁঙ্গে যায় আমার । কিছুটা বিরক্ত মনে করলাম । এতরাতে কে গোসল করে তা দেখার জন্য জানালা দিয়ে উকি দিলাম । দিয়ে যা দেখলাম তাতে চক্ষু ছানাবড়া হয়ে গেল । শরীরের ভীতর একটা শীতল স্রোত বয়ে গেল । দেখলাম, মাটি থেকে এক হাত ভাসমান একটি কুঁচকুঁচে কালো লোক কাপড় পরিস্কার করছে । ভয়ে আমার শরীরের সমস্ত লোম গুলো খাঁড়া হলো । আমি স্পষ্টই দেখতে থাকলাম, মসজিদের বাইরের কারেন্টের বাল্ব এর আলোতে লোকটাকে মোটামুটি পরিস্কার দেখা যাচ্ছে । লোকটার দিকে নিঃশ্বব্দে অপলক চেয়ে যেন থমকে গেলাম কিছুক্ষনের জন্য ! দেখছি আর ভাবছি, আজ আমার রক্ষা নেই । প্রায় মিনিট ৫ এক পর লোকটির কাপড় ধোয়া শেষ হলে এদিক ওদিক তাকিয়ে নারকেল গাছটার কাছে গেল । গিয়ে লিফ্ট এর মত শূণ্যে ভাসতে ভাসতে নারকেল গাছ বেয়ে (হাত দিয়ে না ধরেই) তরতর করে উপরে উঠে গেল । এ দৃশ্য দেখে আমার শরীর ঠকঠক করে কাঁপতে লাগলো । ঐ মূহুর্তে আমি এতটাই ভয় পেয়েছিলাম যে প্রাকতিক কাজটি বিছানাতেই. . . . . . . . . . . . . . . . . . , . . . . . . . । পরে বাকি রাত গায়ে মুখে কাঁথা দিয়েও ভয়ের চোটে আর ঘুমাতে পারিনি এবং জানালাও বন্ধ করতে পারি নি । ভাগ্যিস সেদিন অজ্ঞান হয়ে হইনি ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৬১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now