বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ব্যাংককে ঘোরাঘুরি

"ভ্রমণ কাহিনী" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X পর্যটকরা বলেন, থাইল্যান্ডের নার্ভ সেন্টার হলো ব্যাংকক। দেশটির রাজধানীও অসংখ্য ভ্রমনকারীদের আতিথিয়তার জন্য সর্বদা প্রস্তুত। তারা এতে অভ্যস্ত। পর্যটকরা দারুণ এবং একই সঙ্গে অদ্ভুত নানা অভিজ্ঞতা লাভের সুযোগ পান। এটা এমন এক শহর যে কখনো ঘুমায় না। আর সেখানে বিরাজ করে বিস্তর আনন্দ আর উচ্ছাস। এখানে ব্যাংককে উপভোগ করার মতো কিছু প্রচলিত বিষয়ের কথা জানিয়েছেন ভ্রমণপাগল মানুষরা। সবাই এগুলো করেন না। রোমাঞ্চপ্রিয় পর্যটকরাই এগুলো করেন। ১. ফালিক শ্রাইন বিশেষ করে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য ফালিক শ্রাইন দারুণ এক স্থান। এখানে শিবলিঙ্গ বানানো রয়েছে। শহরের নামকরা সুইসোটেল নাই লার্ক পার্ক হোটেল থেকে বেশ দূরে নয় এটি। বুদ্ধিস্ট সংস্কৃতিতে, বিশেষ করে থাইল্যান্ডে এমন প্রদর্শন স্বাভাবিক নয়। থাই চিত্রকর্মও নগ্নতা প্রদর্শনের বিষয়ে সংরক্ষণশীল। সেখানে এমন নগ্ন শিবলিঙ্গ সত্যিই ভিন্ন কিছু। ২. পাপায়া ভিনটেশজ শপ মূল শহরের শেষ প্রান্তে মিলবে পাপায়া ভিনটেজ শপ। ব্যাংককের এক গোপন স্থান এটি। এর একাংশ জাদুঘর আর একাংশ দোকান। পুরনো ধাঁচের জিনিসপত্রের বিশাল এক দোকান এটি। পুরনো ঘড়ি থেকে ভেস্পা বা কমিক বুক মিলবে এখানে। একবার গেলে বিস্মিত না হয়ে পারবেন না। ৩. সোই কাউবয় এটা ব্যাংককের নিজস্ব বিনোদনের স্থান। স্রেফ দেখার জন্য যেতে পারেন। এখানে রয়েছে থাইল্যান্ডে যত বার আর সেক্স ইন্ডাস্ট্রি। এটাই ব্যাংককের সর্ববৃহৎ লালবাতির শহর। ৪. সাপের খামার থাইল্যান্ডে পর্যটকদের ঘোরা-ফেরা আর দেখার কথা মাথায় রেখে বানানো হয়েছে কিছু সাপের খামার। সাপ বিষয়ে বিভিন্ন শিক্ষা অর্জনেও এসব স্থান দারুণ গুরুত্বপূর্ণ। থাই রেডক্রস ইনস্টিটিউটের একটি অংশ কুইন সাওভাবাহ মেমোরিয়াল ইনস্টিটিউট (কিউএসএমআই)। এখানে সাপ বিষয়ে বিস্তর গবেষণা চালানো হয়। সাপের বিষ থেকে ভ্যাক্সিন ও অন্যান্য ওষুধপত্র তৈরিতে অবদান রাখছে এই খামারগুলো। ৫. খোলং লাট মাইওম এর ভাসমান বাজার ব্যাংককে গেলে ভাসমান বাজার না দেখলেই নয়। শহরের খুব কাছাকাছি এই বাজার বসে। ঠিক বসে না, ভাসে। দারুণ জনপ্রিয় এক স্থান পর্যটকদের জন্য। অন্যান্য বড় বড় বাজারের চেয়ে এখানেই পর্যটকদের ভীড় লেগে থাকে। এ বাজারে ঘুরতে হবে নৌকায় চড়ে। ৬. স্কালা সিনেমা শহরের যাবতীয় প্রাণচঞ্চলতা যেন এখানে ভীড় করে। চব্বিশ ঘণ্টাই এখানে উৎসব আর উল্লাস দেখা যায়। কাজেই আপনিও মেতে উঠুন এই উল্লাসে। এটা একটা মুভি থিয়েটার। দুপুরে বেশ গরম হয়ে ওঠে ব্যাংকক। তখন একটু এয়ারকন্ডিশনের বাতাস খেতে অনেকেই ঢুঁ মারেন স্কালা সিনেমায়। ৭. রয়াল থাই এয়ারফোর্স মিউজিয়াম যদি কখনো ডন মুয়াং এয়াপোর্ট থেকে উড়াল দিতে চান, তবে অবশ্যই রয়াল থাই এয়ারফোর্স মিউজিয়ামে ঘুরে আসবেন। এই বিমানবন্দরের ঠিক পেছনেই এর অবস্থান। থাই এয়ারফোর্সের একঝলক ইতিহাস চাক্ষুস করতে পারবেন এখানে। ৮. চায়নাটাউন পৃথিবীর অধিকাংশ বড় বড় শহরে রয়েছে চায়নাটাউন। ব্যাংককেও এর জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া। গোটা দিন এবং রাতে এখানে রোমাঞ্চকর অভিযান চালাতে পারবেন। চাইনিজ খাবার, চীনের সংস্কৃতি আর শপিংয়ের মজা মিলবে এখানে। সূত্র: হ্যাপি ট্রিপ


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now