বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভৌতিক অভিজ্ঞতার বয়ান

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X আমার বাসা সিলেটের শিবগন্জে ।২বছর আগে আমার সঙ্গে একটি ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছিল ।আমাদের পাড়ার শেষ সিমানায় একটি বিল্ডিং আছে যা খুবই পুরানো ।আমার মা বাবা আমাকে প্রায়ই বলতো যে ওখানে ভুলেও যেওনা ।সেই বিল্ডিংয়ের সামনে একটা মাঠ আছে যেখানে আমরা ক্রিকেট খেলতাম ।তো একদিন আমরা খেলছিলাম,খেলতে খেলতে কখন সন্ধ্যা হয়ে গেছে সেটা আমরা খেয়াল করিনি ।যখন খেয়াল হলো তখন সবাই মাঠ থেকে বের হতে লাগলো এবং মাঠ থেকে আমার নাম ধরে কে যেন ডাকলো ।আমি আমার বন্ধুদের বললাম তোমরা যাও আমি দেখে আসছি ।মাঠের এক কোনায় আমার বন্ধু রুহুল দাড়িয়ে ।তাকে দেখে আমি অবাক কারন সে তার বন্ধুদের সাথে সেন্টমার্টিনে পিকনিকে গিয়েছিল ।আমি তাকে বললাম কখন আসলি ?সে বলল এইতো কিছুক্ষন আগে।আমাকে বলল যে কুশল বিল্ডিংয়ের ভেতর আমার দামী বল পড়ে আছে যা আমার কাল দরকার ।প্লিজ আমার সঙ্গে চল নিয়ে আসি ।কোন প্রশ্ন না করেই আমি তার সাথে চললাম ।যখন বিল্ডিংয়ের কাছে চলে আসলাম তখন আমার কেন জানি মনে হলো আমার সামনে খারাপ কিছু একটা আছে ।ধীরে ধীরে চারিদিকে অন্ধকার হয়ে আসছিল ।সেই সঙ্গে আমার মনে হলো আমার সাথে যে আছে সে রুহুল নয় অন্য কেউ ।কারন সে চুপচাপ আমার দিকে চেয়ে আছে কোন কথা বলছে না ।কিন্তু রুহুল প্রায়ই অনবরত কথা বলত ।আমি বললাম রুহুল আজকে রাত হয়ে গেছে বাদ দে কাল সকালবেলা আসব ।সে বলল কোন মতই না আমার সঙ্গে ভেতরে চলো কিছু হবে না ।ইচ্ছা করছিল দৌড়ে চলে আসি কিন্তু ভয়ে আমার হাত পা নড়ছিল না ।আমি বারবার না বলাতে হঠাত্‍ রুহুল এমন চিত্‍কার দিলো যা আজও আমি দুঃস্বপ্নে শুনি ।খুব ভয়ানক গলা যা আমি আপনাদেরকে বুঝাতে পারবনা ।হঠাত্‍ সে আমার হাত চেপে ধরল আর বলল তার সঙ্গে ভেতরে যাবার জন্য ।হঠাত্‍ আমি লক্ষ্য করলাম তার চোখটি পুরোপুরি কালো ।এটা দেখে আমি সেন্সলেস হই ।বাকি ঘটনাটি আমার আরেক বন্ধু প্রকাশের কাছ থেকে শোনা । ঐদিন তারাও যাবার সময় রুহুলের কন্ঠ শুনেছিল ।কিন্তু বাসার ভয়ে সবাই আমার জন্য অপেক্ষা না করে বাসাতে চলে আসে ।আমার বাসার সবাই প্রকাশের বাসায় যায় এবং সবাই জানতে চায় আমি কোথায়? প্রকাশ শুনে অবাক হয়ে বলল খেলা শেষে রুহুলের সঙ্গে মাঠে ছিল ।একথা শুনে আমার বাবার মুখ ভয়ে অন্ধকার হয়ে গেল ।আমাকে কোথাও না পেয়ে বাবার যখন খুব করুন অবস্থা তখন ঐ বিল্ডিং এর পাশ থেকে যেন কেউ একজন আমার নাম ধরে ডাকল এবং বলল আমি এখানে পড়ে আছি ।বাবা জলদি সেই জায়গায় গেল ।বিল্ডিং এব বারান্দায় আমি সেন্সলেস হয়ে পড়েছিলাম,শরীর ভয়ানক গরম ।আর আমার মুখ দিয়ে ফেনা বেরুচ্ছিল ।আমার বাবা এখানে আর কাউকে পেল না ।মানে কে তাকে খবর দিল যে এখানে তার ছেলে পড়ে আছে । বাবা মার আতংকের যে কারন ছিল তা হলো ঘটনার একদিন আগে সেন্টমার্টিনে রুহুল ঠিকই গিয়েছিল ।সেন্টমার্টিনে রুহুল ডুবে মারা য়ায় ।তার মানে মৃত মানুষের ডাক শুনে কুশল সেখানে গিয়েছিল ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now