বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
নতুন বিয়ে করেছি শ্বশুর বাড়ির পথ ঘাট সে রকম জানা শ্বনা নেই তার পর আবার পুরো গ্রাম বাঁশ ঝাড়ে ভরপুর ভাবলেই বুকের ভিতর কেমন মোঁচড় দিয়ে ওঠে.......
সে দিন রাত্রে খাবার পর ঘুমাতে যাবো এমন সময় জানালা দিয়ে দেখি পেয়ারা গাছের ডাল পাল গুলি কেমন ঝমঝম ঝড়ঝড় করে দুলছে
কাউকে কিছু বলিনি যদি সবাই ভেবে বসে ভুত ভয়তুক জামাই.....
কিন্তু মনে মনে কেমন একটু কাঁপুনির সৃষ্টি হল
সারা রাত পুরো শরীর ঘেমেছে গরমে না ভয়ে বলতে পারবো না.....
আামার শ্বশুর বাড়ি থেকে চায়ের স্টল এক কিলোমিটার দূরে সন্ধায় চা খাওয়া জন্য
স্টলে এসেছি গল্প আর আড্ডায় কখন যে এগারো টা বেজে গেলো বুঝতেই পারিনি
একা ঘরে ফিরতেও ভয় লাগছে কি যে করি
বুঝতেই পারছি না সাহায্য চাইলে আবার কেমন
লাগে.....
ভয়ে ভয়ে পথ চলতে লাগলাম অর্ধেক পথ চলে এসেছি হঠাৎ সি দিন রাতের পেয়ার গাছের দোলোনের কথা মনেপড়লো
আর সাথে সাথে গাঁ শিউরিয়ে উঠলো
এক প্রকার কাঁপতে কাঁপতে হেঁটে চলেছি
হঠাৎ পার্শের বাশঝাড় থেকে কান্নার আওয়াজ
ভেসে আসলো ছোট বাচ্ছার কান্না...
এমন অবস্থায় আমি কি করবো মানুষিক বিবেচনায় চলে যাওয়াই স্বীয় আর মানবিক বিবেচনায় সাহায্যের হাত বাড়ানো..
ভয়ে ভয়ে কাছে গিয়ে দেখি একটি শিশু বাচ্ছা কান্না করতেছে...............
আদরের অনুপ্রেরনায় বুকে তুলে নিলাম তার পর
পিঠের উপর রেখে হাঁটা দিলাম....
হঠাৎ মনে শিশু বাচ্ছাটির পা ধীরে ধীরে লম্বা হয়ে যাচ্ছে কিছু মনে না করে আবার হাঁটা দিলাম না মনে হয় ভারটাও বাড়ছে না দেখলে চলছে না......
পাশ ফিরে যেইনা তাকিয়েছি দেখি আর একটু তাহলেই শিশু বাচ্ছাটির পা মাটি পাবে..
জোরে চিৎকার করে বাচ্ছাটাকে ফেলে দিলাম ভোঁ দৌড়
দৌড়রাতেছি আর শুনছি খনা গলায় কে যেন বলছে আর একটু সময় পেলে তুই শেষ হয়ে যেতি.....
তারপর আর কিছু মনে নেই হয়তো জ্ঙান হাড়িয়ে রাস্তার পার্শে পড়ে ছিলাম
যখন জীবন ফিরে পেলাম চেয়ে দেখি আমার চারে পাশে স্বজনদের স্বমাগম।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now