বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন-১০ শেষ পর্ব

"উপন্যাস" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X "ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন" মেরি শেলি অনুবাদ: সুনীলকুমার গঙ্গোপাধ্যায় ---------------------------- দশম ও শেষ পর্ব ☆☆☆সব শেষ☆☆☆ অত্যন্ত দুর্বলতা ও ক্লান্তির মধ্যে তাঁর জ্ঞান ফিরে এল। মনে হল কী যেন হারিয়েছে, আর কী যেন তিনি ভুলে গেছেন। একটু ভাবতে চেষ্টা করলেন, কিন্তু মাথা বিমঝিম করে উঠল। হঠাৎ শুনলেন কে যেন বলছ—-হে আমার প্রভু, এবারে তুমি আর আমি একা। তোমার জীবন দিয়ে আমার নিঃসঙ্গ জীবনের সুখ অনুভব করো। তারপর শার্সিতে দেখা গেল একটি কদাকার মুখ। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মনে পড়ে গেল সমস্ত কথা। ওই দানবটি আজ রাত্রে আর একটু আগে তাদের বাড়িতে এক প্ৰলয়কাণ্ড বাধিয়েছে। নিমেষের মধ্যে হত্যা করেছে এলিজাবেথ, আর্নেস্ট আর তার বাবাকে— তিনি কম্পিত হাতে বন্দুকটা তুলে নিয়ে গুলি ছুড়লেন। ততক্ষণে সেই দানবটি অশরীরী ছায়ার মতো সাদা বরফের পাহাড়ের মধ্যে মিশে গেছে, কিন্তু দূর থেকে তার অট্টহাসি তখনো শোনা যাচ্ছিল। বন্দুকের শব্দে ছুটে এলেন ক্লেরভাল। বললেন—কী হয়েছে বন্ধু? ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন বললেন—বন্ধু, আজ আমি তোমাকে সব কথা বলব। কিন্তু বলো—অবিশ্বাস করবে না? ক্লেরভাল বললেন—অবিশ্বাস করব তোমাকে! তিনি বললেন-হ্যাঁ বন্ধু। আমার কাহিনী শুনলে তুমি আমাকে পাগল ভাববে। আর বলবে, এতগুলো শোকে আমার মাথা খারাপ হয়ে গেছে। ক্লেরভাল তাঁর বেদনার্তা মুখের দিকে কিছুক্ষণ স্থিরদৃষ্টিতে তাকিয়ে বললেন— না বন্ধু, তোমাকে অবিশ্বাস করব না। ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন তখন বললেন—তবে শোনো। আমার গবেষণার বিষয় ছিল সাধারণ লোকের কাছে অবিশ্বাস্য, এমনকি বৈজ্ঞানিকদের কাছেও অসম্ভব কল্পনার মতো। আমার গবেষণার বিষয় ছিল মৃতদেহে প্ৰাণ দান করা, তাকে অতিমানুষে রূপায়িত করা। এই নিয়ে বছরের পর বছর আমি পরীক্ষা করে চলেছি। একদিন আমার সাধনা সফল হল। মৃতদেহে প্ৰাণ সঞ্চার করতে পারলাম। মানুষ তৈরি করলাম বটে, কিন্তু প্ৰাণ পেয়ে সে হল দানব। একদিন সে ডক্টর নীল আর বেয়ারাকে হত্যা করে ওখান থেকে পালাল। তারপর যেখানে যত পৈশাচিক খুন হয়েছে, সব ওই দৈত্যের কাজ। উইলিয়মকে হত্যা করেছে ও, আর কাল এসে আমাদের বাড়ির সকলকে খুন করে গেছে। আমি আর একটু আগেও তাকে দেখেছি। তাই বলছি বন্ধু, জনকতক লোক জোগাড় করো, সশস্ত্র হয়ে চলো—আমরা ওকে হত্যা করব। নয়তো পৃথিবীতে কেউ শান্তিতে থাকতে পারবে না। ক্লেরভাল বিস্ময়-বিহ্বল দৃষ্টিতে তাকালেন তাঁর দিকে। কথাগুলো যেন বিশ্বাস হচ্ছিল না। কিন্তু হঠাৎ তাঁরা দুজনেই দেখলেন জানলার কাছে এক কদাকার মুখ। সঙ্গে সঙ্গে বন্দুক নিয়ে ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন ওইদিকে ছুটে গেলেন। বন্ধুকে ওভাবে অনিশ্চিত আতঙ্কের মধ্যে ছুটে যেতে দেখে ক্লেরভালও তাঁর কর্তব্য স্থির করে নিলেন। আধঘণ্টার মধ্যে থানা থেকে নিলেন কয়েকজন সশস্ত্ৰ পুলিশ এবং কয়েকটি কুকুর। তারপর ছুটে চললেন বন্ধুর উদেশে। ঘণ্টাখানেক খোঁজাখুঁজির পর দেখলেন, তাঁর বন্ধু উত্তেজনায় শ্রান্তিতে ও ক্লান্তিতে অবসন্ন দেহ নিয়ে টলতে টলতে ছুটে চলেছেন সেই বিকটাকার দানবের পিছনে। কতবার তার দেহ অবসন্ন তুহিন বরফের উপর পড়ে যাচ্ছে, কিন্তু তিনি স্থির হতে পারছেন না। পরীক্ষণেই উঠে ছুটে যাচ্ছেন। গলা বরফের উপর দানবের পায়ের চিহ্ন লক্ষ্য করে। ক্লেরভাল একবার গুলি ছুড়ে বন্ধুকে জানাতে চাইলেন যে তিনি তাঁর সাহায্যে এসেছেন। কিন্তু ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন শুনতে পারলেন কি না বোঝা গেল না। শীতে ও ভয়ে অবসন্ন হাত থেকে কখন তাঁর বন্দুক পড়ে গেছে, কাঁটাগাছে বিধে জামাকাপড় ছিড়ে গেছে। তবু দানবটিকে একবার শিক্ষা দেওয়ার নেশায় ছুটে চলেছেন তিনি। কোনোদিকে ক্ৰক্ষেপ নেই, কোনো জ্ঞানও নেই—শুধু সেই পিশাচটিকে লক্ষ্য করে ছুটে চলেছেন তিনি। বরফ-ঢাকা বিরাট পাহাড় অতি সহজে পার হয়ে যাচ্ছে দানবটি, ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনও মরিয়ার মতো সেই দুরধিগম্য পাহাড় সমানতালে ডিঙিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর সমস্ত দেহে যেন এক অমানুষিক শক্তি ভর করেছে। সুস্থ দেহে ও মনে যে বুকি নেওয়া যায় না, যে পাথর লাফিয়ে যাওয়া যায় না, যে পাহাড়ের চূড়ায় ওঠা যায় না—সেই দৈত্যকে ধরার জন্য তা সবই অবলীলাক্রমে করে যাচ্ছেন। পুলিশের দলবল নিয়ে ক্লেরভাল তাঁর বন্ধুর কাছে থেকে ধীরে ধীরে দূরে সরে যাচ্ছিলেন। এত তাড়াতাড়ি তাঁদের পক্ষে যাওয়া সম্ভব ছিল না। হঠাৎ ক্লেরভাল সভয়ে শিউরে উঠলেন। একজায়গায় বরফ গলে জল হয়ে গেছে। ছোট ছোট বরফের টুকরোয় সেই জলের স্রোত আরো ভীষণ বেড়ে গেছে। দানবটি অতি সহজেই সেই জলাটি পার হয়ে চলে গেল। ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন উন্মাদের মতো সেই জলের মধ্যে ঝাঁপিয়ে পড়লেন। তারপর কিছুক্ষণ আর কিছু দেখা গেল না। একটু পরে ক্লেরভাল দেখলেন যে, দানবটি তাকে ধরে তুলে নিজের কাছে নিয়ে এল। ক্লেভাল এবার তাঁর দলবল নিয়ে তাড়াতাড়ি ছুটে খানিকটা ঘুরে সেইখানে এলেন। ভীত-বিহ্বল হয়ে দেখেন তাঁর মৃত বন্ধু ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনের নিঃসােড় দেহ একটা পাথরের উপর শোয়ানো আর এক বিরাট দৈত্য বুকে পড়ে ছলছল কণ্ঠে বলছে: হে আমার স্রষ্টা, আমি এ কী করলাম! আমিই তোমাকে মেরে ফেলেছি। কিন্তু আমি তো তোমাকে হত্যা করতে চাইনি, তবু তুমি আমারই জন্য মারা গেলে। আমি শুধু তোমাকে শাস্তি দিতে চেয়েছি যেমন তুমি আমাকে শাস্তি দিয়েছ। তবু তোমার—আমার স্রষ্টার-হত্যাকারী আমি, আমার এ পাপের স্খালন নেই। হে ভগবান, তোমার মৃত্যুতেই আমার সমস্ত অভিমানের অবসান হল। তোমাকে একাকী নিঃসঙ্গ জীবনের অনুভূতি দিতে পেরেছি, আমার আর বাঁচার প্রয়োজন নেই। আমিও শিগগিরই তোমার সঙ্গে মিলিত হব। সারাজীবন আমি একাকী সঙ্গীহীন ছিলাম, মৃত্যুও হবে সঙ্গীহীন। কোনো এক উত্তরমেরুদেশে নিজের চিতা নিজে প্রস্তুত করে আমার এই ঘৃণিত জীবন আহুতি দেব। আর—একবার এই সুন্দর পৃথিবীর কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার আগে শেষ দেখা দিয়ে যাব আমার জন্মস্থান, তোমার অক্লান্ত কর্মের পীঠস্থানকে, তারপর সব শেষ! বিদায় স্রষ্টা-বিদায়। দানবটি হঠাৎ ফিরে দাঁড়িয়েই দেখল বিস্মিত ক্লেরভালকে এবং সঙ্গে সঙ্গে একলাফে অনেকদূর চলে গেল। ক্লেরভালও তাঁর বন্দুক তুলে গুলি ছুড়লেন। হয়তো সে আহত হল, এক আর্তনাদও শোনা গেল—আঁ আঁ আঁ... স্রষ্টার শোকে হয়তো সে আবার তার ভাষা হারিয়েছে, আবার পেয়েছে সে তার জন্মক্ষণের ভাষা। পুলিশবাহিনী তাদের কুকুর নিয়ে এগিয়ে চলল। ক্লের ভালবললেন—আমরা ল্যাবরেটরির দিকে যাব। দানবটি নিশ্চয় সেখানেই যাবে। আমি শুনেছি তার কথা। কিছুক্ষণ পর আর সেই দৈত্যটিকে দেখা গেল না। সকলে অবাক হয়ে গেল; কিন্তু পরীক্ষণেই দেখা গেল কাছের একটি পাহাড় থেকে সে নেমেই দুটো কুকুরকে নিয়ে অন্তর্ধান হল। ব্যাপারটা এত আকস্মিক ঘটল যে তাঁরা কিছুই করতে পারলেন না! কিছুক্ষণ পরে কুকুরদুটোর মৃত্যু-আর্তনাদ শোনা গেল। কিন্তু পরাজয় স্বীকার করলে চলবে না। পুলিশবাহিনী তার পায়ের চিহ্ন লক্ষ্য করে ছুটে চলেছে, সবার আগে ক্লেরভাল। কুকুরগুলো চারদিক থেকে চিৎকার করতে করতে তাড়া করেছে। একবার সেই দৈত্যকে দেখা যায়, আবার সে হারিয়ে যায়। মাঝে মাঝে গুলির শব্দ—একটা আর্তনাদ। আবার হয়তো দু-একটি কুকুরের মৃত্যু-আর্তনাদ শোনা যায়। কোথাও-বা দু-একটি পুলিশের মৃতদেহও গড়িয়ে পড়ে। তবু থামা নয়, পুলিশবাহিনী এই হত্যাকারীকে ধরবার অদম্য সাহস নিয়ে এগিয়ে চলে। এক ঝলক কুয়াশায় সমস্ত পৃথিবী ঢাকা পড়ে গেল। সামনে-পেছনে কিছুই দেখা যায় না। চোখের সামনে থেকে হারিয়ে গেল সেই শয়তান। একটু পরে কুয়াশা কেটে গেলে তাকে দেখা গেল আর একটি উচু পাহাড় বেয়ে সে উঠছে; উঠছে সে উর্ধ্বমুখী পাইন, চেরি, দেওদারের সারি ছাড়িয়ে তুষারাবৃত সরু পাহাড়ি পথ বেয়ে উঁচুতে—আরো উঁচুতে, আর পিছনের নৃশংস অনুসরণকারীদের দিকে তাকিয়ে দাঁত কিঁচোচ্ছে। এই হয়েছে মানুষের বুদ্ধি, মানুষের সাহস। তাকে ধরবার জন্য মানুষের কী আপ্ৰাণ চেষ্টা! কত লোক, কত কুকুর, কত বন্দুক, কত গুলি! তার চোখ অশ্রুসজল হয়ে উঠল। এইভাবে এত লোকের সঙ্গে সে একা যুদ্ধ করবে কী করে? এক-একজন আসুক-আপত্তি নেই। সে দেখিয়ে দেবে মানুষের চেয়েও সে শ্রেষ্ঠতর-মানুষের চেয়েও তার স্থান উচ্চে। তাকে লক্ষ্য করে কুকুরগুলো ডাকতে ডাকতে ছুটছে। মুহুর্মুহু গুলিও ছোড়া হচ্ছে। তাকে একমুহূর্ত আর চোখের আড়াল করা হচ্ছে না। যেমনভাবেই হোক আজ এই বিরাট দানবটির সঙ্গে শেষ খেলা খেলে যেতে হবে। এতক্ষণে সে ল্যাবরেটরির কাছে এসে পড়েছিল। ক্লেরভাল বললেন—ওকে ল্যাবরেটরিতে ঢুকতে দিও না। একবার ল্যাবরেটরিতে ঢুকলে আর কেউ ওকে ধরতে পারবে না, অথচ আমরা সকলেই প্ৰাণ হারাব। সঙ্গে সঙ্গে সশস্ত্ৰ পুলিশরা হাত-বোমা ছুড়ে মারাল। হাত-বোমা কিন্তু কয়েকবার লক্ষ্যভ্ৰষ্ট হল। তারপর একবার প্রবল বিস্ফোরণে ল্যাবরেটরিতে উঠবার সিঁড়িটা ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। ল্যাবরেটরিতে ওঠার আর কোনো উপায় রইল না। দানবটি দারুণ আক্ৰোশে তখন চিৎকার করে উঠল—আঁ আঁ আঁ... তারপর সে পিছন দিকের খাড়া পাহাড় বেয়ে নিজের জীবন তুচ্ছ করে উপরে উঠতে লাগল। যেন ওই ল্যাবরেটরির মধ্যে নিহিত আছে তার যথাসর্বস্ব—তার জীবন-প্ৰদীপ। দানবটি ল্যাবরেটরির ছাদের কাছাকাছি পৌছুতেই নিচ থেকে বন্দুক গর্জে উঠল—দুড়ুম.দুডুম.দুডুম. দুটি গুলি তার পিঠে লাগল। কিন্তু তবু সে তার সংকল্প হারাল না। হিংসায় বিদ্বেষে রুক্ষ হয়ে সে আরো তাড়াতাড়ি ল্যাবরেটরিতে উঠতে লাগল। আজ তাকে চূৰ্ণ করে, ধ্বংস করে, লাল আগুনের লেলিহান শিখায় সমস্ত আকাশ ভরিয়ে দিয়ে তার ঘৃণিত জীবনের ওপর শত শত অত্যাচারের প্রতিফল দিয়ে সে বিদায় নেবে। আবার গুলি ছুটিল। সে কোনো রকমে ছাদের কার্নিশের উপর এল। পুলিশের গুলি অবিশ্রান্ত তার দিকে ছুটে যাচ্ছে। কতগুলো যে তার গায়ে লাগছে, বোঝা যাচ্ছে না—সে শুধু ভাষাহীন অমানুষিক চিৎকার করছে এই অন্যায় যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্ৰতিবাদ জানিয়ে। তারপর সে আর পারল না, পারল না আর সশস্ত্ৰ সভ্য মানুষের সম্মিলিত আক্রমণের বিরুদ্ধে একা নিরস্ত্ৰ যুদ্ধ করতে-রক্তাক্ত দেহে সে কার্নিশের উপর শুয়ে পড়ল। একবার সে তার হাত তুলতে চেষ্টা করল—একবার অনুসরণকারী ক্রুদ্ধ জনতার দিকে তাকাতে চেষ্টা করল। দু-একবার তার অসাড় ঠোঁটদুটো কেঁপে উঠল। তারপর শেষবারের মতো সে তার বিধাতার কাছে এই অন্যায় যুদ্ধের বিরুদ্ধে নালিশ জানিয়ে চোখ বুজল। তখন ভোরের আকাশ স্বচ্ছ হয়ে আসছে। (সমাপ্ত) ------------- ।। একাকী কন্যা ।।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now