বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অনেক বড় ভুল করছি বিসিএস

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X আমার এক প্রাইভেট জব করা ফ্রেন্ড বলতেছে ঐদিন দোস্ত লাইফে অনেক বড় ভুল করছি বিসিএস না দিয়া। বিসিএস ক্যাডার হইলে এতদিনে শান্তিতে সেটেল লাইফ লীড করতে পারতাম। বুঝলি আসিফ, লাইফে শুধু হতাশা আর হতাশা। আবার আমার আরেক বিসিএস ক্যাডার বন্ধু ফোন দিয়া বলতেছে দোস্ত ক্যান যে বিসিএস দিলাম, লাইফটা পুরা লিমিটেড হইয়া গেল। বুঝলি আসিফ, লাইফে শুধু হতাশা আর হতাশা। এক বড় ভাই বিদেশ গেছে, তারে দেইখা আরো দশটা ছোট ভাই জিআরই দিতে বইসা গেছে। তাদের লাইফে খালি দুঃখ আর দুঃখ। বিদেশ না গেলে এই দুঃখ দূর হবে না। ওদের কাছে গেলেই কয় বুঝলেন আসিফ ভাই, লাইফে শুধু হতাশা আর হতাশা। তো যেই বড় ভাই বিদেশ গেছে তারে নক দিয়া বললাঃ কি ভাই লাস ভেগাসে কাপড় চোপড় খুইল্লা নাকি মেগান ফক্সের সাথে ঘুমান। এত সুখ রাখেন ক্যামনে? ভাই দেখি ক্ষেইপা গেল। বলে, ডেইলী ১০-১২ ঘন্টা কামলা দিয়া মাস শেষে যা ফান্ডিং পাই তা দিয়া পেটে ভাতে চলে। লাস ভেগাস যাওয়ার বাস ভাড়া ই তো বাঁচাইতে পারি না। আবার মেগান ফক্স। এর উপ্রে আবার টেনশন মাষ্টার্স শেষ হইলে কি করুম। দেশে তো ব্যাক কইরা মনমত জব পামু না, আবার এইখানে ও কোনো সার্টেইনিটি নাই। বুঝলি আসিফ লাইফে শুধু হতাশা আর হতাশা। --------------- সত্যি বলতে আমাদের পুরা জেনারেশন ই এই হতাশা রোগের রোগী। যার কাছেই যাই, একটু ডিপ কথা বলি টের পাই কেউ লাইফ কিংবা ক্যারিয়ার নিয়া হ্যাপি না। সবাই ফ্রাষ্টেটেড। তাই হতাশা কাটাতে বিভিন্ন ভাল ভাল জায়গায় গিয়া সেলফি তুলে ভাবে তাহলে হতাশা কাটবে। যদিও এতে হতাশা আরো বাড়ে, কিন্তু এটা দেখে আবার তার অন্য হতাশ বন্ধুরা ভাবে আরে এই শালা তো সুখে আছে। আমি ই কষ্টে আছি। যাই আমিও ঐখানে যাই। এভাবেই সাইকেল চলতে থাকে। সত্যি বলতে সুখ নিজের কাছে। নিজের চাওয়ার কাছে। একটা ছোট্ট ছাদের নীচে পাঞ্জাবি আর কম দামি শাড়ি পড়া ভালবাসায় শক্ত করে ধরে রাখা দুটা হাত মার্সিডিজ থেকে নেমে আসা স্যুট আর মেকআপে মাঝে বন্দী হাতের চেয়ে অনেক বেশী শক্তিশালী। ১০ হাজার টাকা বেতন পাওয়া যে ছেলেটা এখনো পরম সুখে ডিজিটাল ফোনে স্নেক জেনিয়া খেলতে খেলতে ঘুমায় সে আইফোন চালানো কর্পোরেট লোকটার চেয়ে সুখী। কারণ তার ঘুমে অন্তত ক্রেডিট কার্ডের বিলগুলো দুঃস্বপ্নের মত আসে না। সব কথার শেষ কথা আমরা অন্যের হাসিমুখকে নকল করে সুখী হতে চাই। আর প্রয়োজনে ধার করে হলে ও সুখ কিনে বড় হতে চাই। কিন্তু নিজের ছোট্ট একটা হাসির মধ্য দিয়ে কাটিয়ে ফেলা সাধারণ জীবনের সুখটার স্বাদ নিতে পারা লোক খুজে পাওয়ায় দুঃসাধ্য। এটাই আমাদের জীবন দর্শন আর এজন্যই সুখ মরীচিকা! [] ইফতেখার ইদ্রিস আসিফ []


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now