বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

টিউশনি মানেই বিনোদন

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X টিউশনি মানেই বিনোদন। স্টুডেন্টের বাবা মা মানেই বিনোদনের বাক্স। এরা ছোটলোক থেকে ছোটলোক হতে পারে। বিশেষ করে যারা নব্য "বড়লোক" এরাই সবচেয়ে ছোটলোক! . কয়েকদিন আগে এক ছোটভাই ফোন দিয়ে টাকা ধার চাইলো, "ভাইয়া, এ মাসে টিউশনি থেকে টাকা পাই নি, কিছু টাকা ধার দিতে হবে" বললাম, "টাকা দেয়নি কেন?" --স্টুডেন্টের বাবা তো হজ্জে চলে গেছে। স্টুডেন্টের মা বললেন হজ্জ থেকে আসলে দিবেন -- ওহ, আচ্ছা, তা বাসার এরা কি না খেয়ে আছে? তিন হাজার টাকা রেখে যায় নি? -- ভাই, কি করবো, বলেন। কালই এরা শপিংয়ে গেসিলো।স্টুডেন্ট সাত হাজার টাকা দিয়ে একটা ড্রেস কিনছে। সেটা আবার আজকে আমাকে দেখাইলো! ..... (কিচ্ছু বলার নাই। মনে পড়লো কয়েক বছর আগের একটা ঘটনা।) . এক ফ্রেন্ড ইংলিশ অনার্সে পড়তো সেকেন্ড ইয়ারে। খুব উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে টিউশনিতে জয়েন করতে গেছে। ঠিক ততটা মন খারাপ করে বাসায় আসছে। জিজ্ঞেস করলাম, ঘটনা কি? সে যা বর্ণনা করলো, তাতে হাসবো না কাঁদবো নাকি উঠে দৌড় দিবো কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। ..... স্টুডেন্টের বাবা বলতেসে আড়াই হাজার টাকা দিবে। (তিনতলা নিজস্ব বাসায় থাকে। বাসায় এসি আছে) এইটুকুও ঠিক ছিল। স্টুডেন্টের বাবা জিজ্ঞেস করলো, --তোমার এসএসসি ইন্টারে রেজাল্ট কি? -- জি, এসএসসিতে এ+, ইন্টারে 4.50 -- ও, এ+ পাও নাই? তুমি কোন ইয়ারে? -- জি, এই তো সেকেন্ড ইয়ারে উঠছি। -- ও, তাহলে তো তুমি অনেক জুনিয়র! IELTS বা ইংলিশ কোন কোর্স করা আছে? -- জি,না আংকেল, আমি পড়াইতে পারবো না,আসি! ( রাগ করে চলে আসলো) ...........স্টুডেন্ট কোন ক্লাসের ছিল জানেন? স্ট্যান্ডার্ড ফোর! .. সবচেয়ে বড় বিনোদন পেলাম আজ। কিছুক্ষণ আগে আমার কাজিন এসে হাসতে হাসতে হাসতে বলতেছে, ভাই, আমার স্টুডেন্টের দাঁত অনেক শক্ত! -- হোয়াট?? . --- প্রায় দুইমাস হলো পড়াচ্ছি। পড়ানোর প্রথম দিন হতেই লক্ষ্য করছিলাম,পর্দার ওইপাশে দুইটা পা দেখা যায়। মানে হলো, স্টুডেন্টের মা ওইপাশে দাঁড়াইয়া পাহারা দেন! . -- তারপর? . -- আজকে ছাত্রীকে বললাম, ক্যালকুলেটর নিয়ে আসো। আর সে যেই না দৌড় দিলো, পর্দার ওই পাশে তার মায়ের সাথে সংঘর্ষ! ছাত্রীর দাঁত লেগে তার মায়ের কপাল থেকে রক্ত বের হয়ে গেছে। . . --- কাউসার আলম


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ টিউশনি মানেই বিনোদন

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now