বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
কিছু দিন কাজের জন্য মোহাম্মদপুর টু রায়ের বাজার যাতায়াত করতে হয়েছে। রায়ের বাজার টু ধানমণ্ডি, সেখান থেকে মোহাম্মদপুর। এভাবে যাতায়াত করতে জ্যামে পরে অনেক সময় লাগত। একদিন হুট্ করেই আবিষ্কার করি বেড়িবাধ রোড।
এরকম জ্যাম ফ্রি নিরিবিলি পথ পেয়ে ভালোই লাগছিল। যেখানে ঐ রোডে এক ঘন্টা লাগে সেখানে এদিকে মাত্র মিনিট সাতেক।
.
রাত সাড়ে ন’টা।
মোহাম্মদপুর হাউজিং এর পেছন দিয়ে ৫ মিনিট
পায়ে হাঁটার গলি পেরিয়ে বেড়িবাধ রোডে এসে দাঁড়াই। ….কয়েক মিনিট ধরে দাঁড়িয়ে আছি মিনিবাস, লেগুনা দূরে থাক একটা রিকশাও চোখে পড়লো না। বোকা বোকা লাগছিল নিজেকে, এইদিক আসাটা ঠিক হয়নি।
ভাবতে ভাবতেই একটা বাস আসলো। দৌঁড়ে উঠে জানালার পাশে একটা সিটও পেয়ে গেলাম। বাসে খুব বেশি যাত্রী নেই। আমার সিটের ওপাশের সিটে সাদা দাড়ির বুড়ো লোক আর উনার পাশেই মোটা করে কাঁচাপাকা মধ্য বয়সী ভদ্রলোক। উনাদের দিকে তাকিয়ে কেমন যেনো মাথাটা চক্কর দিয়ে উঠলো।
বুড়ো লোকটা পান খাওয়া লাল দাঁত বের কর হাসছে আর উনার পাশের কাঁচাপাকা লোকটাও মুচকি মুচকি হেসে কি জানি বলছে। ভয় ভয় লাগছিল ; তারপরেও মুখ বাঁকা করে সাহসী ভঙ্গিতে অন্য দিকে তাকিয়ে রইলাম। আড়চোখে তাকাচ্ছিলাম.. উনাদের দিকে।
হঠাৎ খেয়াল করলাম কে যেনো ডাকছে, একজন না কয়েক জন! জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখি ছোটো জটলা বেধে গেছে।
সবাই আমাকে দেখছে। তাদের মধ্যে এক জন উঁচু গলায় বলল, কি ভাই আপনে কি পাগল নাকি? এই পোড়া বাসে উইঠা কি করেন?
…মানে ??
তাকিয়ে দেখি আমি সিটের পোড়া স্টিলের উপর বসে আছি আর কেউ নেই। তাড়াতাড়ি নেমে পড়ি।
সব কিছু ঝাপসা ঝাপসা লাগছিল।
ভিড়ের মধ্যে কেউ একজন বলছিলো,
এই বাস হরতালে পোড়ানো হয়েছিল..
আর বাসে থাকা দুজন লোক পুড়ে মারা যায়। যাদের একজন বৃদ্ধ আর অন্য জন ছিল মাঝ বয়সী…!!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now