বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মিশন অফ রিভেন্জ(৫ম পর্ব)

"রহস্য" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান muntasir al mehedi (০ পয়েন্ট)

X ৫ম পর্ব অফিসার রবিন খুবই চিন্তিত। এক বছরে ২টা খুন। তবুও এমনভাবে খুন করা হয়েছে, বুঝার কোন উপায়ই নেই যে এইগুলো খুন। তবে এতোটুকু তো পরিষ্কার যে ২টা খুনের খুনি একজনই। এই ২টা যে খুন তা বুঝার উপায় নাই বললেই চলে। তবে অফিসার রবিন খুবই জ্ঞানি একজন অফিসার তাই তিনি বুঝতে পেরেছেন। তার যেসব কারণে খুন মনে হচ্ছে। তাহলো ২টা খুনই এমনভাবে করা হয়েছে যে দেখলে মনে হয় এগুলো খুন নয় আত্নহত্যা,খুন ২টা একইরকম। আত্নহত্যা করলে কেউ এতটা মিল রেখে করতে পারতো না। মিল হলে সর্বোচ্চ এতটুকু হতো যে ২জনই গুলি করে আত্নহত্যা করেছে। তবে লাশের পজিশন,রিভলবারের পজিশন,একই দিক সব কিছু একইরকম হওয়া তো অসম্ভব। কিন্তু তিনি খুনির কোন কুল-কিনারাই পাচ্ছেন না। অহ!! তার মাথায় কিছুই ধরছে না। গতকাল লিজার প্রতিবেশী,এবং তার বাড়ির গার্ডকে জিজ্ঞাসা করে তিনি বুঝতে পারলেন লিজা যা বলেছে সবই সত্যি বলেছে। তিনি কি করবেন কিছুই বুঝতে পারছেন না। তার মাথার উপর খুব প্রেসার কাজ করছে। তিনি বসা থেকে উঠলেন। ওয়াসরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে এসে পকেট থেকে সিগারেটের প্যাকেটটা বের করে একটা সিগারেট ধরালেন। সিগারেট পান করতেও অসহ্য লাগছে। তিনি বড় অফিসারকে একজন সহযোগী দিতে বলেছিলেন কিন্তু এখনো দেননি। স্যালুটের শব্দে তিনি উপরে তাকালেন। সামনে একজন সুদর্শন,অল্পবয়সী একটা ছেলে দাঁড়িয়ে আছে। অফিসার রবিন তার দিকে তাকাতেই বলে উঠলো :-স্যার!! আমি আকাশ!!(আকাশ) :- ও হ্যা! আকাশ বসো। তোমার কথা বড় অফিসার বলেছেন।(অফিসার রবিন) :-স্যার!! আমাদের মামলাটা কি?? অফিসার রবিন সম্পূর্ণ মামলাটা খুলে বললেন। সাথে তাও বললেন যে মামলাটা অনেক কঠিন। তা সমাধান করতে অনেক কষ্ট হবে। অফিসার রবিন আকাশকে লাশের ছবিও দেখায়। আকাশকে অফিসার রবিন ছবিটার দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে দেখে জিজ্ঞাসা করে :-কি আকাশ এভাবে তাকিয়ে আছো কেন???(অফিসার রবিন) :-স্যার!! আমার মনে হচ্ছে আমি আগেও এরকম খুন দেখেছি। (আকাশ) :-তোমাকে আগেই তো বললাম যে এর আগেও এরকম একটা খুন হয়েছিল যা আত্নহত্যা মনে করে বন্ধ করে দিতে হয়েছে। :-স্যার!! তাহলে আমি সেই লাশের ছবিটা দেখতে পারি??? অফিসার রবিন পুরনো একটা ফাইল বের করে সেই ছবিটা দেখালেন। :-স্যার এটার তারিখ তো ১বছর আগের কিন্তু আমি যখন দেখেছি তখন মাত্র আমি ট্রেনিং এ যোগ দিয়েছিলাম। তার মানে দুই থেকে আড়াই বছর আগে।(আকাশ) এই কথা শুনে অফিসার রবিনের কপালে একটা বাজ পরে গেল। :-আকাশ! তাহলে তুমি কাল থেকে ডিউটিতে জয়েন করো! (অফিসার রবিন) :- ওকে স্যার!! পরদিন অফিসার রবিন অফিসে এসে আকাশকে বললেন রাহুলের বিশ্যবিদ্যালয় গিয়ে তার সম্বন্ধে খোজ খবর নিয়া আসতে। অফিসার রবিন জানেন যে খুনিকে রাহুলের দিক দিয়েই ধরতে হবে। কারণ জিসান একদমই চুপচাপ ছিল এবং কারো সাথে তেমন কথা-বার্তাও বলতো না তাই জিসানের দিকের আশাটা বাদই দিতে হবে। অফিসার রবিন বসে বসে গুগল থেকে খুন এবং আত্নহত্যার নিউজ গুলো দেখছেন। কারণ গতকাল আকাশ বলেছিল সে আগেও এরকম খুন হওয়া লাশ দেখেছে। হঠাৎ একটা নিউজে তার চোখ আটকে গেল। যেটা সম্পূর্ণ তার মামলাগুলোর মতো। তিনি তার দুটো মামলা ছাড়াও আরো ৬টা নিউজ পেলেন কিন্তু সবগুলোই আত্নহত্যা লেখা হয়েছে। কিন্তু সবগুলোই ভিন্ন ভিন্ন শহরে যার কারনে কেউ আচ করতে পারেনি। এবং ৮টা খুনই গত ৫বছরে। তবে তিনি খুনের ভিরতির মধ্যে কোন ধারা খুজে পাচ্ছে। ভিরতিগুলো আউলানো। কোনটা ৬মাস,কোনটা ৪মাস আবার কোনটা ১বছরও তিনি বুঝতে পারলেন এর মাঝে কোন সহযোগিতা পাওয়ার আশা নেই। তিনি ভাবতে লাগলেন ৮খুনের খুনি একজনই। কিন্তু সে এভাবে খুন করছে কেন?? আবার শেষ দুটো ছাড়া একেকটা একেক শহরে!! একটা খুনের সাথে আরেকটা খুনের কি সম্পর্ক থাকতে পারে?? অফিসার রবিন হাজার প্রশ্নের মুখামুখি হয়ে গেলেন। তবে তিনি এতটুকু নিশ্চিত হতে পেরেছে এই খুনগুলোর খুনি একজনই। এবং সব গুলো খুনই একই পরিকল্পনা করে করেছে। যেন সবাই মনে করে যে তারা আত্নহত্যা করেছে। কিন্তু এইবার আর তার ভাগ্য সহায় হবে না কারণ ২টা মামলা এক জনের হাতেই পরেছে এবং একই পরিকল্পনায় ২টা খুন করে বিরাট একটা ভুল করেছে। এখন শুধু খুনিকে ধরা সময়ের ব্যাপার। এতক্ষণে আকাশ বিশ্যবিদ্যালয় থেকে খোজ নিয়ে এসে পরেছে। আকাশ অফিসার রবিনকে স্যালুট দিয়েই বলতে শুরু করলো :-স্যার! রাহুলের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু থেকে জানতে পেরেছি রাহুলের দেড় বছর আগে রিমি নামের একটা মেয়ের সাথে সম্পর্ক ছিল। রাহুল তাকে বিয়া করার কথা দিয়ে তার সাথে রুমডেটও করেছে কিন্তু তারপরই রাহুল তাকে এভোয়েড করে এবং একদিন রিমিকে অপমান করে। সেদিন সবার সামনেই রিমি রাহুলকে খুন করার হুমকি দিয়ে বলে যদি তুই আমাকে ১বছরের মধ্যে বিয়ে না করিস তাহলে আমি তোকেও মারবো এবং আমি নিজেও মরবো। (আকাশ) :-রিমি সম্পর্কে কোন খোজ নিয়েছো??? সেকি মরে গেছে না বেচে আছে???? (অফিসার রবিন) :-স্যার রিমি সম্পর্কে কোন খোজ নেয়া হয়নি। :-দ্রুত রিমির ব্যাপারে খোজ নাও........... চলবে.......(to be continue)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৮৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now