বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ভ্রমন সর্বদাই আনন্দের। এই আনন্দের সঙ্গে যুক্ত হয় জ্ঞান লাভ।
প্রকৃতপক্ষে,ভ্রমনের ফলে মানুষের চিত্তযেমন প্রফুল্ল হয় ঠিক তেমন অনেক অজানার সন্ধান পাওয়া যায়।
আমি একদিন ট্রেনে ভ্রমনে বের হয়।
ভ্রমন হলো একস্থান থেকে অন্য স্থানে বেড়ানো বা পর্যটন।
মহানবীর বানীতে আছে,জ্ঞানার্জনের লক্ষ্যে সুদূর চীন দেশে যাবার আহব্বান।
শ্রীকৃষ্ঞ ও বিশেষ উদ্দেশ্যে মথুরা থেকে বৃন্দাবনে ভ্রমন করেছেন।
ধর্মিয় মহাপুরুষদের পাশাপাশি বিজ্ঞানীরা চন্দ্র ও মহা শূন্যে পরিভ্রমন করেছেন।
এর সবকিছুর সাথে আছে আনন্দ ও জ্ঞান লাভের পিপাসা।
ভ্রমন মানুষের আনন্দ ও জ্ঞান লাভের পিপাসা মেটায়।
সে কারনে অনেকে একে কর্তব্যকমং ও মনে করে।
সাধারনত স্থল পথ,জলপথ,আকাশ পথ এই ৩ পথে ভ্রমন করা যায়।
স্থলপথে বাস ভ্রমন,সাইকেল ভ্রমন,মোটর সাইকেল ভ্রমন,টেক্সি ভ্রমন,ট্রেন ভ্রমন ইত্যাদি।
অনেক দূর ক্লান্তিহীন ভ্রমনের জন্য ট্রেন ভ্রমনই ভালো।
এটাতে অনেক স্টেসন থাকায় ক্ষনিকের জন্যে বিচিত্র মানুষের সাথে দেখা করা হয়।
পরিক্ষা শেষে তখন আমার স্কুল ছুটি। ডিসেম্বর মাসের ৪ তারিখে মা বাবার সাথে সকাল সারে আটটায় পৌছালাম কমলাপুর রেল স্টেশনে।
সঙ্গে আমার সুন্দরি মামাত বোন শুভ্রা। উদ্দশ্য মামাত বোনের গ্রামের বাড়ি শেরপুর।
আমার বাবা আগেই ট্রেনের টিকিট কেটে রেখেছিল।
আমরা আমাদের ট্রেনে উঠে গেলাম।
আমি ইতিমদ্ধ্যে জানালার দিকে বসেছি। মামাত বোন শুভ্রা আমার সামনে বসেছে।
আমি দুষ্টামি করার জন্যে তাকে একটা চোখ মারলাম সে মুচকি হেসে আমায় আরেকটা বসাল আমি এবার যাই যাই অবস্থা।
বাবা আমাকে বলেছিলেন সুলভ ট্রেনে উঠলে বিভিন্ন মানুষের দেখা পাওয়া যায়।
তাই দেখলাম । নিম্ন বিত্য থেকে ধনি সকলকে। একটি জায়গায় ৫জন বসেছে।
একজন বৃদ্ধ আসন পায়নি পাসের এক যুবক উঠে পাসের বৃদ্ধকে জায়গা দিলেন।
এর মদ্ধ্যই চানাচুর বাদাম ওয়ালা মিহি ডাক ছেড়ে চলে গেল ।
একজন দৈনিক প্রত্রিকা পরায় ব্যাসত ট্রেন আর ১০ মিনিট পর ছাড়বে।
১০ মিনিট পর ট্রেনটি ছেড়ে দিল।
আমি আর বাবা একসাথে ও মা আর শুভ্র একসাথে বসে আছে। আমি আর শুভ্রা জানালার পাসে।
দেখলাম ট্রেন তেজগাও,ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট,জয়দেবপুর ইত্যাদি স্টেশনে ক্ষানিক দাঁড়াল।
আর অপেক্ষামান মানুষগুলো চট জলদি উঠে গেল ট্রেনে। সবার ছিল একটু ব্যাস্ততা কিন্তু ট্রেনে উঠেই যেন তাদের শান্তি। ট্রেনই হয়ত তাদের উদ্দশ্য।
জানার পাসে বসে আছি। মনে হচ্ছে গাছ পালা দৌড়াচ্ছে। চক্ষু স্থির । কয়েকটা পাখি উড়ে গেল।
মনে হচ্ছে সারা পৃথিবী ঘুরছে আমরা স্থির।জানালার পাসে বসায় আমার চুল এলোমেলো হৎ৩ গেল।
আবার বাইরে তাকালাম দেখতে পেলাম মাঠে সোনা ধান।
যদি ট্রেনে ভ্রমন নাক রতাম তাহলে দেখতে পেতাম না বাংলার রূপ।
আমি দেখতে পেলাম অনেক অস্থায়ি বস্তি গাছ
গাছালি ঘড় বারি যা দেখে আমার মন খুসিতে নাচছিল।
ট্রেনে ভ্রমনের প্রথম স্টেশন ছিল কমলাপুর ।
দীর্ঘ তম প্লাট ফ্রম।
তার পর তেজগাও!
ভাওয়ালের জমির ওপর দিয়ে জয়দেবপুর যাওয়ার
আগেই দুর থেকে ঢাকা বিমান বন্দর স্থান ও স্থাপনার সাথে পরিচিত হলাম।
সাইনবোর্ডের
ওপর একটু
দৃষ্টি দিলেই জায়গার নাম পরা যায়।
যায়গা গুলো আমাকে আকৃষ্ট করল।
ট্রেন থেকে নামার আগে
প্রস্তুতি
হিসেবে আমরা
সবাই যে যার ব্যাগ হাতে নিলাম।
বাবা বড় ব্যাগগুলো নিয়ে ট্রেন থামার অপেক্ষা করতে লাগল।
আমি আমার একপাটি জুতা পাচ্ছিনা না শুভ্রা বলল তার পায়ের কাছে আছে।
আমি জুতা নিতে গিয়ে
আবার
একটা চোখ মার লাম ও আমার মাথায় ছোট্ট করে মারল।
একটু পর কুলিরা এসে ব্যাগ নামিয়ে দিল।
আর শেষ হলো আমার ট্রেন ভ্রমন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now