বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সকালে বেরোতে গিয়ে দেখলাম প্যান্টের মাঝখানটা হালকা একটু ছেঁড়া! কিন্তু কিছুই করার নেই। সব গুলা প্যান্ট ধোয়াতে দিসি। এইজন্য ছেঁড়া প্যান্টটা পড়েই বেরিয়ে গেলাম।
একজোড়া জুতা কিনবো।
পরিচিত জুতা দোকানে গিয়ে দেখলাম একটা ময়দা সুন্দ্রী জুতা দেখছে। চেহারায় আটা ময়দার আধিক্য থাকলেও অন্নেক কিউট ! মেয়ে দেখলেই ভাব নিয়া থাকি !! এবারও ব্যাতিক্রম হলো না। মেয়েটাকে না দেখার ভান করে আমি একপাশে গিয়ে জুতা দেখছি!
মেয়ে দেখলাম মাঝে মাঝে আবার আমার দিকে তাকাচ্ছে !! মনে হয় মনে ধরসে আমারে!! একটা ধাক্কা খেতে পারলে কাজ হইতো। মনে মনে প্ল্যান করে ফেললাম কিভাবে ধাক্কা খাওয়া যায়! ধাক্কা খাওয়ার পর ওর হাত থেকে জুতার ব্যাগটা পড়ে যাবে। আমি সরি বলে তুলে দিবো! ও বলবে ইতস অকা !! আমি বলবো আমি তৌহিদ! ও বলবে আমি.... তারপর ফেইসবুক প্রোফাইল নেম নিতে পারলেই কেল্লা ফতে *_*
যেই ভাবা সেই কাজ। মেয়ে জুতা চয়েস করে দাম মেটাচ্ছে। আমি জুতা দেখার ভান করছি। মাঝে মাঝে দাম জিজ্ঞেস করছি। মেয়ে দাম দিয়ে বেরিয়ে গেলো দোকান থেকে। একটু এগোতেই আমিও বেরিয়ে গেলাম। রাস্তায় ভিড় ঠেলে এগোচ্ছি। তাড়াতাড়ি হাটতে লাগলাম। কেউ দেখলে মনে করবে কোনো জরুরী কাজ আছে!
১২০ কিলোমিটার গতিবেগ নিয়া সোজা গিয়ে ধাক্কা দিলাম যে হাতে জুতার ব্যাগ ধরা ওই হাতে! হাত থেকে ছিটকে গেলো ব্যাগটা!
:: সরি সরি সরি
:: কিসের সরি? দেখে চলতে পারেন না?
:: একটু তাড়া ছিলো তো। মাফ করবেন
:: ইটস ওকে!
:: ধন্যবাদ। আমি তুলে দিচ্ছি।
আমি চরম খুশিতে সবে ওর ব্যাগ তুলে দিতে নিচে হাত বাড়াবো, এমন সময় ক্যাঁত!!! শব্দটা কোথথেকে আসলো বুঝতে পারি নি প্রথমে। পরে দেখলাম মেয়ে সজোরে হেসে উঠলো!! ওর দিকে তাকিয়ে দেখি ও সোজা আমার ব্যাক্সাইডের দিকে তাকিয়ে আছে !
:: আপনার প্যান্ট ছিঁড়ে গেছে!
আশেপাশের সব মানুষ আমার দিকে তাকিয়ে আছে!
জুতা কিনতে গিয়ে শেষমেশ প্যান্ট কিনে চলে আসতে হইসে!
#Moin_Ul_Towheed
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now