বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

কৃষি জমির মাঝবরাবর।

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান নাসরুল্লাহ (০ পয়েন্ট)

X আমাদের গ্রামের পাশদিয়ে একটি কাঁচা সড়ক সরাসরি যুক্ত ছিলফরিদপুর থানার সাথে। সড়কটা ছিল৩টি গ্রামের কৃষকদের কৃষি জমির মাঝবরাবর। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের কোন একসময় পাকিস্তানী সৈনিকদের একটি ছোটবাহিনী সেই রাস্তা দিয়ে গ্রামে প্রবেশকরার চেষ্টা চালিয়ে ছিল।কিন্তুআমাদেরগ্রামের সাথে রাস্তাটির সংযোগ সড়কেরএকটা অংশকাটা থাকায় তারা গ্রামে প্রবেশকরতে ব্যর্থ হয়। তারা সড়ক বরাবর থানারদিকে এগিয়ে যায় এবং স্বল্প সময়েও তাদেরহত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যায়। মৃতের সঠিকসংখ্যা কেউ বলতে পারে নি। কারনপাকিস্তানী সৈন্যরাহত্যা শেষে লাশগুলো রপাশে একটা গভীর কুয়ারমধ্যে ফেলে দিয়ে যায়। কুয়োটা ছিলএকটা হিজল গাছের পাশে। সেই হিজল গাছেরআশেপাশের ২/৩ মাইল শুধুই কৃষি জমি। কোনবাড়ি ঘর নেই। সেই কুয়োর কোন নিশানা আজপাওয়া না গেলেও হিজল গাছটা ঠিকইসাক্ষী হয়ে আছে সেইনৃশংস হত্যাযজ্ঞের।এইহিজল গাছ আর কুয়ো নিয়ে অনেক গল্প চালুরয়েছে গ্রামে। রাতের বেলা অনেকেইনাকি এই গাছের পাশ দিয়ে যাবার সময়"পানি, পানি" বলে আর্তনাদ করতে শুনেছে।আজও নাকি হিজল গাছেরপাশ দিয়ে আসারসময় মানুষ পথ হাড়িয়ে ফেলে। হিজল গাছথেকে গ্রামের দুরত্ব আধা মাইলের মত।ফরিদপুর থেকে রাতের বেলা বাড়ি ফেরারসময় আশরীর কণ্ঠ শুনেছে এমন অনেক মানুষেরদেখা পাওয়া যায় গ্রামে। এমনকি রাতেরবেলা গ্রামেফিরতে গিয়ে আধা মাইল পথসারা রাতেও পার হতে পারে নি, এমনমানুষও কম নেই গ্রামে।বেতুয়ান গ্রামের পাশের গ্রাম রামনগর।রামনগর গ্রামের আক্কাস নামের এক লোকতার ছাগল হারিয়ে ফেলেছে। সারা দুপুরছাগল খোজা-খুজির পরবিকেলে সে জানতে পারল তার ছাগলবেতুয়ানের সীমান্তে ঢুকে একজন কৃষকেরসবজিরক্ষেত নষ্ট করছিল, তাই বেতুয়ানেরচকপহরি (গ্রামে জমি পাহারা দেওয়ার জন্যনিয়জিত প্রতিরক্ষাবাহিনী) তার ছাগলধরে নিয় গেছে।ঘটনা শুনে রাগে ক্ষোভে কোন কিছু না ভেবেইবেচারা রওনা দিল বেতুয়ানের দিকে। তখনমাগরিবের আযান হয়ে গেছে।রাগের মাথায় রওনা দিলেও একসময় আক্কাসমিয়ার হঠাৎ করেই মনে পরে গেল হিজলগাছের কথা। আরে সামনেই তো হিজল গাছ! ঐ-তো দেখা যাচ্ছে। সাথে সাথে তার সমস্তশরীরে কাঁটা দিয়ে উঠল। আক্কাস মিয়া আরসামনের দিকে অগ্রসর হল না। কারণ ছাগলেরচাইতে জীবন অনেক বড়। ছাগল তো কালকেওআনা যাবে। কিন্তু জীবন…ভয়ে তিনি বাড়ি ফিরে যাবার জন্য যেইপা বাড়াবেন ঠিক তখনি তার মনে হল কেউএকজন তাকে ডাকছে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪০ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now