বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পর্ব ২
জিসান খুনের ফাইল বন্ধ হয়েছে ৩-৪ চার মাসের বেশী হয়ে গেছে।
লিজা খুবই মেধাবী এবং বুদ্ধিমান। ছাত্রী হিসেবেও সে যথেষ্ট ভালো। সে যে বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকুক না কেন সবসময় তার পরীক্ষার ফলাফল সেরা ৩ এ থাকবেই। তবে তার একটা বাজে অভ্যাস আছে। অবশ্য ভালো ছাত্রী হওয়ার পিছনে একটা কারণ আছে। তা হলো সে প্রত্যেক ক্লাসে কম করে হলেও ২বছর তো থাকবেই। এটা তার শখ। তবে এক বিশ্ববিদ্যালয়ে একই বর্ষে ২ বছর সে থাকে না। এটাই তার বাজে অভ্যাস।
লিজা বড় লোক বাবার একমাত্র মেয়ে। তাই লিজা যেমন আহ্লাদই করুক না কেন!! তার বাবা সেটা পূরণ করবেনই। হোক না যতই কষ্টকর। অবশ্য এখন টাকা থাকলে কোন কষ্টই করতে হয় না সব কিছু খুব সহজেই করা যায়। ভালো ছাত্রী হওয়ার পিছনে কারণ থাকলেও সে মেধাবী এবং বুদ্ধিমান হওয়ার পিছনে কোন কারণ নেই। তাই লিজা খুব সহজেই স্যার/ম্যামদের মন জয় করে নিতে পারে। যেহেতু সে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে একই বর্ষে ২বার থাকে না সেহেতু সে এক বিশ্ববিদ্যালয়ে এগিয়ে গিয়ে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে আবার ২-১বর্ষ পিছনে এডমিশম নেয়।
অবশ্য লিজা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়ে এটা বললে ভুল হবে কারণ সে ঐ শহরটাই ছেড়ে দেয়।
শিক্ষকগণ হাজার রাখার চেষ্টা করলেও সে থাকে না। এই বিশ্ববিদ্যালয়েও তার ২বছর হয়ে গেছে।
লিজার আর ভালো লাগছে না এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাই লিজা তার বাবার কাছে বলতেই তার বাবা প্রত্যেক বারের মতো এবারো রাজি হয়ে গেলেন। কিন্তু লিজার বাবা, এই বার কোন শহরে যাবা? জিজ্ঞাসা করে অবাক হয়ে গিয়েছেন। কারণ লিজা বলেছে এই শহরেই থাকবে। তবে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়।
যাই হোক লিজার কথা মতে লিজা অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে এডমিশন নিতে গেল।
লিজার বাবা অনেক বড় ব্যবসায়ী/টাকা পয়সা ওয়ালা। সেই সূত্রে সে সমাজে একজন সম্মানিত ব্যক্তি।
তাই স্বাভাবিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েও সে খুব সম্মান পেল।
খুব সহজেই তারা লিজাকে এডমিশন দিতে রাজি হয়ে গেল। কিন্তু যখন শুনলো তার কাগজ পত্রের এই অবস্থা তখন তারা এডমিশন দিতে ইতস্তত করে বলল
:-দেখেন কামরুল সাহেব প্রত্যেকটা বিশ্ববিদ্যলয়েই কিছু রুলস আছে। আমরা তো তার বাহিতে যেতে পারি না। আমাদের আইনি ঝামেলাতেও পরতে হতে পারে। (প্রফেসর)
:-ওও স্যার এই কথা!!! আপনারা কোন ঝামেলাতেই পরবেন না। কারণ............. (কামরুল সাহেব)
:- কি কারণ বলুন!!
:- স্যার আসলে লিজা মানসিক রোগি তাই সে এমন করে।
কামরুল সাহেব তার মেডিকেল রিপোর্টও দেখালেন।
এছাড়াও আমি শিক্ষা বোর্ড থেকে পারমিশনও নিয়েছি।
কামরুল সাহেব তার কাগজ পত্রও দেখালেন।
:- ও সরি কামরুল সাহেব! তা তো আমার জানা ছিল না।
:-ইট'স ওকে।
:-তবে কামরুল সাহেব!! এটা কিভাবে হলো??? আমরা তো জানতাম আপনার মেয়ে সুস্থই।
:-আসলে এক দুর্ঘটনার পর থেকে সে মানসিক রোগি। তবে তার চলাফেরায় তা বুঝা যায় না। তার একটাই পাগলামি।
:- কি সেটা????
:-বিশ্ববিদ্যালয় এবং শহর পরিবর্তন করা। এছাড়া আর কোন সমস্যা নেই।
এডমিশন করিয়ে লিজাকে বিশ্ববিদ্যলয়ের পাশে একটা ফ্লাট কিনে দিলেন। লিজার সুবিধার জন্য।
লিজা সবসময় একাই থাকে।
কারণ কামরুল সাহেব ব্যবসার কাজে একেক সময় একেক জায়গায় থাকেন। যখন লিজা বলেন তখনই আসেন। এছাড়াও লিজা পছন্দ করে না যে তার বাবা তার সাথে থাকুক।
তার দেশ-বিদেশ অনেক জায়গাতেই ব্যবসা আছে...........
চলবে..............(to be continue)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now