বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বন্ধুমহলে সবসময়ই আমাদের নিয়ে কথা হতো। বলতো রোমিও জুলিয়েট। আমরা হাসতাম, কতবার বোঝানোর চেষ্টা করেছি এমন কিছু নেই আমাদের মধ্যে। কিন্তু ওরা বিশ্বাস করতো না। এবারে ১৪ই ফেব্রুয়ারি সব বন্ধুরা মিলে ঠিক করলাম একসাথে ঘুরবো। নির্দিষ্ট স্থানে নির্ধারিত সময়ে এসে হাজির। কিন্তু কেউ তো আসে নি। ঘড়ি দেখলাম, সময়তো ঠিকই আছে। দেখি রাজিব আসছে। ওকে দেখে মনে হলো কোনো দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঘেমে চিপচিপে হয়ে আছে ওর শার্ট। মুখ দেখে মনে হলো খুব টেনশনে আছে। ও সামনে আসার পর জিজ্ঞেস করলাম, কি হয়েছে? কিছু না বলে মাথা নিচু করে চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলো রাজিব। ওর অবস্থা দেখে খারাপ লাগলেও, রাগ হচ্ছে কিছু বলছে না দেখে। ‘আরে বলবি তো কি হয়েছে? বেশ কয়েকবার জিজ্ঞেস করার পরে কাঁপা কাঁপা হাতে আমার একটা হাত ধরে এক নিশ্বাসে বলল, ‘আমি তোমাকে ভালবাসি’। “তুমি”! ও আমাকে তুমি করে বলছে শুনে হাসি পেলেও মুখ ভার করে বললাম, ‘তোর এই অবস্থা কেনো?’ ও মুখ নিচু করে বলল ‘অনেক দিন থেকে বলতে চাইলেও সাহস পাই নি। আজ ভালোবাসা দিবসে অনেক কষ্টে সাহস করলাম তাই এই অবস্থা’। ওকে আর একটু ভয় দেখানোর জন্য বললাম ‘তুই আমাকে ভালোবাসিস?’ মাথা নিচু করে বললো ‘হু’। ওর জায়গায় আমি হলে আমারও একই অবস্থা হতো। খুব ভালোবাসি রাজিবকে কিন্তু কখনো বলার সাহস হয় নি। রাজিবের মতো আমিও ওকে হারাতে চাই নি। ভেবেছি ভালো না বাসুক বন্ধু হয়ে তো থাকতে পারবো সারাজীবন। উত্তেজনায় আমার ভেতরটাও কাঁপছিলো। রাজিব এর হাতটা ধরে বললাম, ‘বন্ধু তুমি আমার ভালোবাসা’। বলার সময় আমার চোখ বেয়ে পানি পড়ছিলো। কারণ ভালোবাসার মানুষটাকে ভালোবাসি কথাটা বলতে পারবো সেটা বুঝি নি। রাজিব পকেট থেকে একটা লাল গোলাপ বের করে বলল ‘সরি ফুলের কয়েকটা পাতা পড়ে গেছে।’ পরদিন বন্ধুদের সবার মুখের হাসি দেখে বুঝেছি ওরা ইচ্ছে করেই আসে নি।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now