বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ছেলে আমেরিকায় গেল ৩ মাস হল। যাবার সময় বিয়ে করাবে তা করানো হয় নি। মা-বাবা একটা মেয়ে দেখেছে। অসম্ভব সুন্দরী মেয়ে। পরে যদি এমন না পায়! তাই মা-বাবা দু’জনই ভাবছে ফোনে বিয়ে দিয়ে মেয়েটিকে তাদের কাছে রাখবে। বলা তো যায় না। এমন মেয়ে আর নাও পাওয়া যেতে পারে! যেমন সুন্দর তেমনি তার কথাবার্তা, আচার ব্যবহার। আবার লেখাপড়ার রেজাল্টও খুব ভালো। অনার্সে পড়ছে। একটা টিনসেড বাসায় থাকে। মা-বাবার কোন আপত্তি নেই। মেয়েটা ভালো কোরআন শরীফও পড়তে পারে। তাছাড়া বর্তমান সময়ে তাল মিলিয়েও চলতে পারবে। সে বুদ্ধি বিবেচনাও খারাপ না। পরে তো এমন মেয়ে নাও পাওয়া যেতে পারে। তাই মা-বাবা আমেরিকা প্রবাসী ছেলের সঙ্গে মেয়েটিকে ফোনে বিয়ে করিয়ে দিল। ছেলেটি আর মেে য়টি মোবাইলে প্রচুর কথা বলে। দু’জন দু’জনকে কখনও দেখে নি। ছেলেটি তার বন্ধুর কাছে মেয়েটির জন্য একটা ল্যাপটপ পাঠিয়ে দিল। বন্ধুটি মেয়েটিকে ল্যাপটপ দিতে এসেই চোখে চোখ রাখতেই মেয়েটির প্রেমে পড়ে যায়। সাক্ষাৎ এক দেখাতেই প্রেম। চোখ তার কিছুতেই সরছে না। মেয়েটিও যেন কেমন অনুভব করল ছেলেটির চোখের দিকে তাকিয়ে। মেয়েটি চট করে চোখ সরিয়ে বলল, হায়। বন্ধুটিও হায় বলে ল্যাপটপটি দিয়ে দিল। দিতে গিয়ে হাতে হাত, তারপর কথা, চা পান করা, সবই যেন মুহূর্তেই ঘটে গেল। মেয়েটি যেন কেমন ফিল করল। বন্ধুটি বলল, নাম্বারটি প্লিজ। মেয়েটি অমনি নাম্বার দিল। বন্ধুটি বলল, এই আমার নাম্বার। যেকোন সময় যে কোন কাজে আমাকে ফোন দিবেন। আমেরিকা থেকে ছেলেটি ফোন দিল। ল্যাপটপে তারা দুজন দুজনকে দেখছে আর কথা বলছে। তারা সারারাত কথা বলে কাটাল। ছেলেটি বলল, তোমাকে খুব তাড়াতাড়ি এখানে আনার ব্যবস্থা করবো। কিন্তু একপর্যায়ে কেন জানি ছেলেটির কথা ভালো লাগে নি। ওর বারবার বন্ধুটির কথা মনে পড়ছে। ওর নাম্বারটি নিয়ে নড়াচড়া করতে লাগল। নম্বরটিতে কল দিয়ে বলল, আপনি একটু নেটে বসুন। নতুন ই-মেইল আইডি খুলুন। আর ওয়েবক্যাম অন করুন। আপনাকে খুব দেখতে ইচ্ছা করছে। বন্ধুটি বলল, আমারও তোমাকে দেখতে খুব ...। তারপর মেয়েটি দরোজা লাগিয়ে সারাদিন ওর সঙ্গে চ্যাট করল, আড্ডা দিল। মেয়েটির ভেতরটা এখন সুখ সুখ লাগছে। এরপর আমেরিকার ছেলেটি অনেক বার রিং করেও মেয়েটিকে পেল না। পরের দিন রাত ৩টার দিকে মেয়েটির কেমন যেন লাগল। সে মোবাইলটা হাতে নিয়ে একটা ম্যাসেজ সেন্ড করল বন্ধুটিকে। ল্যাপটপ অন করতে বলল। মেয়েটি বলল, তোমাকে দেখতে খুব ইচ্ছে করছে। দেখো আমি তোমাকে চাই। তুমিও তো নিশ্চয় তাই চাও। কে কী বলল তার পরোয়া করার দরকার নেই। তুমি কাল সকাল ১০টায় চলে এসো ১০/৩ কাজী অফিস। এই তুমি ক্যামেরা অন রাখো। তোমাকে আরো কিছুক্ষণ দেখি। কথা বলি। ভালো লাগছে আমার। খুব ভালো লাগছে ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now