বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
উপন্যাস:
পায়েল ও অশ্রু
অনুভূতির নেশায় নেশাতুর হয়ে,কাব্যের একটা মেয়ের কথাই মনে আসছে আর বারবার। সেই মায়াবী মুখের প্রতিচ্ছবি চোখে ভাসছে।যাকে নিয়ে ভাবতে ভাবতে প্রায় দুবছর পূর্তির সময় এসে পড়েছে।কাব্য নিজেও জানতো না যে তার আবেগ জুড়ে ডিপার্টমেন্টের সবচেয়ে সিরিয়াস ছাত্রীদের একজন মিলেমিশে একাকার হয়ে যাবে।কাব্য অনেকটা কাব্যরসিক,গানপ্রিয় আর সাহিত্যমনা মানুষ।স্বভাবতই ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতো তার রুপরাজ্যের রানী হবে ভালো গাইয়ে,ভালো নাচিয়ে।কিন্তু তা আর হলো না।হলো ঠিক উল্টোটা।অবশ্য সে আশা করতো তার প্রেয়সী অবশ্যই মেধাবী হবে।সেকেন্ড জেনারেশন বলে একটা কথা তো আছে নাকি?ওদের দেখভালের জন্য আর নিজের উদাসীনতাকে সন্তানের কাছে আড়াল করার জন্য এমন একজন তার হৃদয়ের জমিনে ফসল হিসেবে আসাটা বেশিই কাম্য ছিল।তার রুপরাজ্যের রাজকন্যা আসলো কোনো এক সময়।যখন কাব্য যুগসন্ধিক্ষণ সময়ের স্রোতে গা ভাসিয়ে নিজেকে জানতে শুরু করলো।নিজের দূর্বলতাগুলো বুঝার ছলে কাকে সে আপন করে নিল আর কাকে দূরে সরিয়ে দিল কাব্য বুঝতে পারেনা।সব প্রশ্নের উত্তর হয়না তা ভালো করেই টের পেতে লাগলো।ভালো লাগাটা সংক্রামক ব্যাধিতে পরিণত হলো।প্রথমে বুঝে উঠতে পারেনি কাব্য।টেইক ইট ইজি ম্যান মনে মনে বিলবিল করেও নিজেই হয়ে গেল সম্পূর্ণ আনইজি ম্যান।কি আর করা এটা কোনো রোগ তো নয় যে কোনো ঔষধে কাজ হবে।একটা এমন ব্যাধির বালাইয়ে নিজেকে আবিস্কার করলো কাব্য যেখানে আছে যত্নশীলতার মতো ভয়াবহ রোগ।যত্নশীলতা দিয়ে জয় করার ইচ্ছা আছে কাব্যের কিন্তু যত্নশীলতা যাকে দেওয়া হবে সে কি তা সাদরে গ্রহন করবে নাকি অস্বীকার করবে সেই যত্নশীলতাকে।এই ভেবে চলে গেল আরও ছয়মাস।রুপরাজ্যের মহীয়সির কাছে তার যা ছিল তাও হারাতে বসল কাব্য।ব্যাধিটা আরও মাথাচাড়া দিয়ে উঠল।
সকালটা শুরু হয় তিথিকে ভেবে(রুপরাজ্যের রাজকুমারীর নাম তিথি)আবার দুপুরের মেলোডি গানেও তিথির স্পর্শকাতর পবিত্রমুখ।বিকালের চায়ের দোকানের চায়ের প্রতি চুমুকে।বন্ধুদের আড্ডার মধ্যমনি হিসাবে,রাতে ঘুমে যাওয়ার আগে,ঘুমের ভিতর স্বপ্নরাজ্যের দেশে।আবার ঘুম থেকে জেগে চিন্তায় সেই তিথি।তবে এর মধ্যে কাব্যের সবচেয়ে পছন্দ স্বপ্ন দেখাটা।এটা ভিন্ন ভিন্ন দিনে নতুন রুপে তিথিকে সামনে নিয়ে আসে।আঙুলের আলতো ঠোঁকায় শিহরিত করে দেয় কাব্যের সারা মনের সকল বাতায়ন।মনে মনে অভিনয়ের ছলে বলে উঠে:
প্লিজ তিথি একবার শুধু একবার রাজি হয়ে যাও।ও প্রান্ত থেকে উত্তর আসে কিসের রাজি বুঝিয়ে বলো।কাব্য সাহস নিয়ে বলে উঠে: চলনা কি এমন ক্ষতি?
তিথি বলে কিসের ক্ষতি বুঝিয়ে বলো,
কাব্য হেসে ফেলে আচমকাই।
কিছুক্ষণ দীর্ঘশ্বাস নিয়ে শুয়ে পড়ে বিছানায়।এখন দিবাস্বপ্ন দেখার সময় এসেছে।সব বাদ,শুধুই তিথি।কিন্তু তিথি এখন আর কথা বলছে না।কাব্য নিজের মতো করে আকঁছে তিথির অনেক অনেক ছবি।সে ছবি তার চোখে অসাধারণ।কারোও প্রশংসার দরকার নেই।কাব্য এতেই খুশি,আমারটায় আমিই খুশি।আত্মতৃপ্তি নিয়ে আবার উঠে পড়ে কাব্য।এমাসে একটা টিউশনি পেয়েছে সে।একদিন গিয়ে আটদিন যাওয়া হয়নি।দেখা যাক টিউশনি আছে কিনা চলে গেছে।কানে ইয়ারফোন লাগিয়ে কিশোর কুমারের বিখ্যাত সেই গান "আমার পূজার ফুল"শুনতে শুনতে রাস্তার দিকে যাচ্ছে কাব্য।সন্ধ্যা নেমে এলো এই বুঝি।
বাকি অংশ অন্য কোনোদিন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now