বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
রিমিঝিমি বৃষ্টি পরছিল।
বর্ষার দিনে রিমিঝিমি বৃষ্টি, ঝরাপাতার গান,নীড়ে পাখির ডানা ঝপটার শব্দ, শনশনে বাতাসে বাঁশপাতার ঝিরঝিরে সুর কার না ভালো লাগে, গাঁয়ে থাকতে মন মুগ্ধ ভাবে উপভোগ করতাম।
মনের গহিনে তখন এমনিতেই সুর করে গান আসে, আজ বারি ঝরঝর
ভরা বাদরে।
আকাশ- ভাঙ্গা অকুল ধারা
কোথাও না ধরে.....
আপন মনে খোলা জানালায় শিক ধরে দাঁড়িয়ে পুকুরে রিমিঝিমি বৃষ্টি পরা দেখেছি আর বু্ঁক ভরে শিতল বাতাস নিতেছি।
হটাৎ দেখি কিছু দূরে দুটি মেয়ে হাতে বই নিয়ে, মাথায় ছাতা দিয়ে,জামা-কাপড় জড়সড় করে, বৃষ্টি কাদামাখা ভাঙ্গা রাস্তা দিয়ে এখানে ওখানে পা ফেলে আসছে,কাছে আসতেই থমকে গেলাম!
সে দিনের দেখা ঐ মেয়েটা শ্যামলা বর্ণে গায়ের রঙে যেন কাঁচা সোনা, এত সুন্দর মুখশ্রী, নিষ্পাপ চাহনি, এক কথায় অপূর্ব অপরূপ।
খনিকের একটু খানি দেখা অজানা এক অন্যরকম ভালোগার ছুঁয়া মনের গহিনে এঁকে দিয়ে চলে গেল।
অথচ সে দিন মেয়েটাকে একবার দেখে আর তাকায়ে দেখিনি,মেয়েটা মুখে এতটায় মেকাপ করেছিল যে বিশ্রী দেখায়ছিল।
এর পর থেকে উপর ওলার কি লিলা,মনের গহিনে কে যেন বলে দিতেন।
সকাল বেলা মনে হলে জানালা দিয়ে বাহিরে তাকায়ে দেখি মেয়েটা বিদ্যালয়ে আসেছে আবার বিকালবেলা মনে হলে মেয়েটা জানালা দিয়ে বাহিরে তাকায়ে দেখি ফিরে যাচ্ছে, আমার মনে কথা সত্যি ম্যাজিকের ন্যায় কাজ করত।
মেয়েটাকে প্রতিদিন দেখা নেশায় পরিণতি হল,যে দিন দেখা পাইনা কিছু ভালো লাগে না, সারাক্ষণ কাটা কবুতরের ন্যায় ছটফট করতে থাকি।
কি করে দেখা মিলবে ভাবতে থাকি,যখন দেখা মিলে তখন মনে হয় বুঁকের ভিতর কিছু একটা ছিলোনা তাকে দেখে বুঁকে ভিতর ঐ বস্তুটা ফিরে আসল।
দেখাদেখি করতে করতে বেশ কয়েক মাস কেটে গেলো।
কিন্তু তখন ও মেয়েটার নাম জানা হয়নি।
চলবে....
।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now