বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

হামজা (রা:)-এর ঘটনা

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Raju Ahmed (০ পয়েন্ট)

X একদিন মহানবী কাবার চত্বরে একাকী বসে আছেন। তিনি আপন ভাবে বিভোর। আবু জাহেল গিয়ে সেখানে উপস্থিত হলো। নানা প্রকার ব্যঙ্গ বিদ্রূপ করে মহানবীর (সা) ধৈর্যচ্যুতি ঘটাতে চেষ্টা করলো। কিন্তু অনেক চেষ্টাতেও তাঁর মধ্যে কোন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারলো না। অবশেষে নবীকে(সা) লক্ষ্য করে সে অনেক গালমন্দ করে। আবু জাহেলের এই মূঢ়তায় মহানবী ব্যথিত হলেন। ফিরে এলেন তিনি বাড়িতে। মক্কার একজন ক্রীতদাস সব ঘটনা দেখল। সব কথা সে এসে মহানবীর পিতৃব্য হামজাকে বলে দিল। হামজা সবে শিকার থেকে ফিরেছেন। ভ্রাতুষ্পুত্রের প্রতি আবু জাহেলের আচরণের কথা শুনে ক্রোধে জ্বলে উঠলেন। প্রশ্ন তার মনে তার সৎ ও সাধু সজ্জন ভাতিজা কি দোষ করেছে যে সবাই তার উপর অত্যাচার করবে? সে কোন কথাটি খারাপ বলে? হামজা শিকারের ধনুক কাঁধে নিয়ে আবু জাহেলের সন্ধানে বের হলেন। কাবা ঘরে তাকে পেয়ে সক্রোধে ধনুক দিয়ে তার মাথায় আঘাত করতে লাগলেন এবং হুঙ্কার দিয়ে বলে উঠলেন, “পাষণ্ড! আর তুই মুহাম্মাদের উপর অত্যাচার করবি? আচ্ছা, আমিও মুহাম্মাদের ধর্ম গ্রহণ করেছি, কি করবি কর।” অতঃপর হামজা চলে এলেন মহানবীর কাছে। মহানবীকে বললেন, “আনন্দিত হও ভাতিজা, আবু জাহেলকে শায়েস্তা করেছি।” মহানবী (সঃ) স-করুন তাকিয়ে ধীর ও গম্ভির কন্ঠে বল্লেন চাচাজান। এই কাজটি করাতে না আমি যতটুকু খুশি হয়েছি, তার থেকে বেশি খুশি হতাম যদি আপনি ইসলামকে গ্রহন করতেন। সংগে সংগে হামজা রাঃ কালেমা বানী পড়ে ইসলামের সুশীতল ছায়ায় আশ্রয় নিলেন। এদিকে মহা খুশীতে রাসুলুল্লা (সঃ) চোখ থেকে বেরিয়ে এলো দুফোটা নির্মল অশ্রু। সুবহানআল্লাহ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now