বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রিয় অপূর্ণতা

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান আবরার মাহমুদ আবরু (০ পয়েন্ট)



X ছাব্বিশ তম দিন। চেহারায় বিষাদের ছাপ বয়সের ভারে নুয়ে পড়া চেহারাটাকে আরো নুইয়ে রেখেছে। ছাব্বিশটা দিন দোকানটার বাঁ পাশে প্লাস্টিকের লাল চেয়ারে বসে অনিশ্চিত অপেক্ষা করছেন খান সাহেব। তেরো মাসের পরিশ্রমের তেরো শত নদীর অশ্রুমাখা মলাটবদ্ধ বইটা তেরো কপি তো দূর, বিক্রি হয়নি এক কপিও। গুণে গুণে হয়তো তেরো জন ছুঁয়ে দেখেছে, হাতে নিয়ে যত্রতত্র পাতা উল্টিয়ে অবহেলায় আবার রেখে দিয়েছে। শেষ বয়সে এসে শেষ ইচ্ছা তার- প্রথম বইখানা প্রথমবারের মতো কেউ পড়ে শেষ করবে আর জানাবে বই পড়ার অনুভূতি। যৌবনে কলম চালাতে না পারার আক্ষেপ কিছুটা ঘুঁচবে। সন্ধ্যার ডুবুডুবু সূর্যের মতো অন্ধকারের আড়ালে নিরবে হারিয়ে যাচ্ছিলো তার আশার প্রদীপ। “এটা আপনার বই? ব্যাককভারের লিখাটা সুন্দর তো। ভেতরেরটা ভালো হবে নিশ্চয়ই। প্রাইস কত?” নিভু নিভু প্রদীপ সোৎসাহে জ্বলে উঠল। নয়দিন পর। স্ক্রল করতে করতে একসময় নজরে এলো কেউ একজন তার বই নিয়ে রিভিউ লিখেছে। মনে পড়লো ন’দিন আগের মলাটের প্রশংসাকারীর কথা। দু লাইনের রিভিউ। শেষ ইচ্ছাটাও পূর্ণ হলো। কিন্তু নির্মম সত্য হলো-কিছু কিছু ইচ্ছা অপূর্ণ রয়ে যাওয়াই উত্তম। সজল চোখে প্রতিফলিত হচ্ছে দু’টি লাইন- …..বই যেন মাকাল ফল। দেখতে মিষ্টি হলেও আসলে ভেতরটা তেঁতো। ভালো লাগেনি বইটা। বইটা কিনে হতাশ আমি… দুদিন পর… খান সাহেবের বাড়ির পাশ থেকে দু’শো পাতার এক পান্ডুলিপি নিয়ে ময়লার ব্যাগে পুরে নিলো টোকাই লালু।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৮৪ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...