বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অবহেলা থেকে ভালোবাসা (পর্ব ০২) লেখনীতে - #Sazzad_KR

"উপন্যাস" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sazzad KR (৩ পয়েন্ট)



X গল্প - #অবহেলা_থেকে_ভালোবাসা (পর্ব ২) লেখনীতে - #Sazzad_KR --'তুই বাসা থেকে বের হবি না আমি গিয়ে আকাশের সাথে কথা বলে আসছি' কথাগুলো বলে সাজ্জাদ মিরার রুম থেকে বের হতে যাবে৷ তখন পেছন থেকে ভারী কিছু দিয়ে সাজ্জাদের মাথায় আ*ঘা*ত করলো৷ আ*ঘা*ত করার জন্য মাথা দিয়ে র*ক্ত বের হতে লাগল। সাজ্জাদ মাথায় হাত দিয়ে পেছনে তাকালো তারপর দেখল। মিরা হাতে ফুলদানি নিয়ে দাড়িয়ে আছে, সাজ্জাদ কিছু বলতে যাবে তার আগে মিরা শয়/তানি হাসি দিয়ে বলল --'তোকে অনেক বারণ করেছিলাম কিন্তু আমার কথা শুনলি না এখন দেখ আমি তোর কি অবস্থা করি তোর ওপর এমন অপবাদ দিব যার জন্য কেউ তোর কথা বিশ্বাস করবে না' সাজ্জাদ মাথায় হাত দিয়ে দাড়িয়ে আছে, চোখটা আস্তে আস্তে বন্ধ হয়ে আসছে মিরার কথাগুলো পুরোটা বুঝতে না পারলেও যেটুকু বুঝেছে সেটা উওর দেওয়া জন্য বলল --'তুই কাজটা ঠিক করিসনি এর শাস্তি তুই ঠিক পাবি শুধু সময়ের অপেক্ষা' মিরা সাজ্জাদের গালে থা*প্প*ড় দিয়ে বলতে লাগল --'সেটা দেখা যাবে এবং আগে তোকে শেষ করি তারপর বাকীটা' ফুলদানি মিরার হাতে ছিল৷ মিরার কথা শেষ হতে আবার সেই ফুলদানি দিয়ে সাজ্জাদের মাথায় আ*ঘা*ত করলো। এবার অনেক জোরে আ*ঘা*ত করেছে যেটার চাপ সাজ্জাদ সহ্য করতে না পেরে জ্ঞান হারিয়ে ফেলল। সাজ্জাদের জ্ঞান ফিরলো নিজেকে ছোট একটা রুমের ভেতর আবিষ্কার করলো। চারিদিকে একবার তাকিয়ে বুঝতে পারলো এটা হাসপাতালের কেবিন৷ কিন্তু সে এখানে কেন? কিভাবে এলাম? এইরকম হাজারটা প্রশ্ন মনের ভেতর ঘুরপাক খাচ্ছে, শুয়ে থাকতে থাকতে শরীর ব্যাথা হয়ে গেছে কতদিন এভাবে আছে সেটা বলতে পারবে না৷ ব্যাথা কমানোর জন্য ওঠে বসতে যাবে এমন সময় একজন নার্স কেবিনে প্রবেশ করে সাজ্জাদকে বসতে দেখে বলল --'আপনি ওঠবেন না শুয়ে থাকুন নাহলে সমস্যা হবে' কথাগুলো বলে নার্সটা সাজ্জাদকে পুনরায় শুয়ে দিল। তখন সাজ্জাদ প্রশ্নবোধক চাহনিতে জিজ্ঞেস করলো --'আমার কি হয়েছে যার জন্য বসে থাকলে সমস্যা হবে?' --'আপনার মাথায় অনেক বড় আ*ঘা*ত পেয়েছেন যার জন্য আপনি বসে থাকতে পারবেন না বসে থাকলে মাথায় সমস্যা হয়ে যাবে' নার্সের কথা শুনে সাজ্জাদ মাথা হাত দিল। পুরো মাথা ব্যান্ডেজ অনুভব করতে পারছে, তখন মনে পড়ে গেল মিরা মাথায় আ*ঘা*ত করেছিল যার জন্য সারা মাথা ব্যান্ডেজ করা। সাজ্জাদ বসে বসে মিরার কথা ভাবছিলো এমন সময় নার্স বলতে লাগল --'আপনি মাথায় এত ভয়াবহ আ*ঘা*ত পেলেন কিভাবে?আপনি জানেন না আর একটু হলে আপনি সব ভুলে যেতেন' সাজ্জাদ মনে মনে ভাবতে লাগল ' এখন যদি বলি মিরা আ*ঘা*ত করেছে তাহলে সমস্যা হয়ে যেতে পারে এখন মিথ্যা বলে চালিয়ে দিতে হবে ' --'মাথার উপর সিলিংফ্যান পড়েছিল' --'ইশশ! আপনার ভাগ্য ভালো আপনাকে সময় মতো নিয়ে আসা হয়েছিল যার জন্য বেঁচে গিয়েছেন।' --'আমাকে নিয়ে এসেছে কে?' --'আপনার খালু' --'ওওও ' --'হুম আপনি শুয়ে থাকুন আমি গিয়ে আপনার ফ্যামিলির লোকদের খবর দিচ্ছি' সাজ্জাদ মাথা নাড়িয়ে হ্যাঁ জানালো। নার্সটা চলে গেল৷ প্রায় ৩০ মিনিট পর কেবিনে সাজ্জাদের খালুসহ দুইজন পুলিশ প্রবেশ করলো। সাজ্জাদ খালু সাজ্জাদকে দেখিয়ে পুলিশগুলোকে বললেন --'এই হলো আপনাদের আসামী ওকে নিয়ে যান এবং কঠিন থেকে কঠিন শা*স্তি দিবেন৷ যেন এরপর থেকে অন্য কোন মেয়ের সাথে এমন জ*ঘ*ণ্য কাজ না করতে পারে' কথাগুলো সাজ্জাদের মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে, খালু কি বলছে সেইসব কিছুই বুঝছে না। পুলিশগুলো এসে সাজ্জাদের কলার ধরে বেড থেকে নিচে নামালো। তখন সাজ্জাদ বলতে লাগল --'খালু আমি করেছি যার জন্য তুমি আমাকে পুলিশের কাছে তুলে দিচ্ছো' তখন একজন পুলিশ বলে ওঠলো --'থানায় গেলে সব জেনে যাবি' পাশ থেকে সাজ্জাদের খালু রাগী কন্ঠে বলতে লাগল --'আপনারা ওকে নিয়ে দাড়িয়ে আছেন কেন? আমার চোখের সামনে থেকে ওকে নিয়ে চলে যান' সাজ্জাদের খালুর কথা শুনে পুলিশগুলো আর দেরী না করে সাজ্জাদের কলার ধরে নিয়ে যেতে লাগল। সাজ্জাদের ওর খালুর কাছে জানতে চেয়েছিল কেন ওকে পুলিশের কাছে তুলে দিল৷ কিন্তু সাজ্জাদের খালু কিছু না বলে ওখান থেকে চলে গেলেন। অতএব, পুলিশ গুলো সাজ্জাদকে থানায় নিয়ে এসে জে*ল*খানার ভেতর ঢুকিয়ে একটা চেয়ারে বেঁধে মুখটা টেপ দিয়ে লাগিয়ে দিল। একটু পর দুইজন কনস্টেবল ভেতরে প্রবেশ করে সাজ্জাদ মা*র*ধ*র করতে লাগল। মার*ধর করার ফলে শরীরের অনেক জায়গা দিয়ে র*ক্ত বের হতে শুরু করে দিয়েছে। একজন দারোগা জেল খানার বাইরে দাড়িয়ে থেকে সাজ্জাদের অবস্থা দেখছিল। সাজ্জাদের শরীরে রক্ত বের হওয়া দেখে দারোগা গুলোকে বলতে লাগল --'এবার থাম ওর শিক্ষা হয়ে গেছে এরপর থেকে আর কোন মেয়ের সাথে এমন কাজ করবে না বলে মনে হচ্ছে' কথাগুলো শুনে কনস্টেবলগুলো মা*রা বন্ধ করে দিল। সাজ্জাদ ব্যাথায় ছটফট করছে, এটা দেখে সাজ্জাদের পাশে থাকা একজন কনস্টেবল বলল --'স্যার ওর মুখের টেপ খুলে দেয়' দারোগা টেপ খুলে দেওয়ার অনুমতি দিল। সাজ্জাদের মুখ থেকে টেপ খুলে দিতেই সাজ্জাদ ভাঙ্গা গলায় জিজ্ঞেস করলো --'প্লিজ আপনারা বলুন না আমাকে থানায় কেন নিয়ে এসেছেন? এবং এভাবে মার*ধর করলেন কেন?' জেলখানার বাইরে দাড়িয়ে থাকা কনস্টেবল রাগী কন্ঠে বলল --'সেটা তোর খালুর কাছে থেকে জেনে নিস আর তোরা গিয়ে ওকে থানার বাইরে ফেলে দিয়ে আয়' সাজ্জাদের পাশে দাড়িয়ে থাকা দুইজন কনস্টেবলকে কথাগুলো বলে চলে গেলেন৷ দারোগার কথা মতো ওরা গিয়ে সাজ্জাদকে থানার বাইরে ফেলে দিয়ে এলো। সাজ্জাদের পুরো শরীর ব্যাথা তার সাথে অনেক জায়গা দিয়ে র*ক্ত বের হচ্ছে৷ কনস্টেবল গুলো পায়ে বেশি মেরেছে যার জন্য সেখানে অনেক ব্যাথা৷ সাজ্জাদ অনেক কষ্টে ওঠে দাঁড়ালো তারপর ওর খালুর বাসার দিকে যেতে লাগল। মাথায় সহ সারা শরীরে অনেক ব্যাথা। অনেকক্ষণ হাঁটার পর সাজ্জাদ ওর খালুর বাসায় এলো। কলিংবেল বাজাতেই খালামণি দরজা খুলে দিল। দরজার বাইরে সাজ্জাদকে দাড়িয়ে থাকতে দেখে রাগী কন্ঠে বলতে লাগল --'তুই! তুই এখানে কেন এসেছিস?' সাজ্জাদের তেমন কথা বলার মতো শক্তি নেই তবুও কষ্ট করে বলল --'আমি এখানে আসব না তো কোথায় যাব?' --'সেটা আমি কি ভাবে বলব৷ যখন মিরার সাথে কাজটা করতে গিয়েছিলি তখন মনে ছিল না?' --'কি করেছি মিরার সাথে?' সাজ্জাদের খালামণি আরো রেগে গিয়ে বলা শুরু করলো --'কি করেছি মানে তুই যে মিরাকে ন*ষ্ট করার চেষ্টা করেছিস সেটা কি?' কথাটা শুনে সাজ্জাদের মাথা ঘুরে গেল৷ মনে মনে ভাবতে লাগল এরা পাগল হয়ে গেছে নাকি সে মিরাকে ন*ষ্ট করতে যাবে কেন? নাকি এটা মিরার কোন প্লান৷ --'তুমি কি বলছো আমি ওকে এইসব করতে যাব কেন? উল্টে মিরাই তো আমাকে আ*ঘা*ত করেছে?' --' মিরা নিজের ইজ্জত বাঁচানোর জন্য এইরকম করেছে' সাজ্জাদ কিছু বলতে যাবে কিন্তু মাথায় ব্যাথা থাকার কারণে আর কিছু বলতে পারলো না৷ তখন ভেতর থেকে সাজ্জাদের খালু বললো --'ওর সাথে এত কথা বলছো কেন?ওখানে ওর জামাকাপড়ের ব্যাগ রাখা আছে সেগুলো ওকে দিয়ে ওখান থেকে চলে যেতে বলো' সাজ্জাদের খালামণি ভেতরে গিয়ে জামাকাপড়ের ব্যাগটা নিয়ে এসে সাজ্জাদের দিকে ছুঁড়ে দিয়ে বলল --'এখানে তোর সব জামাকাপড় আছে তুই আমাদের সামনে থেকে চলে যা আমরা তোর মুখটাও দেখতে চায় না' সাজ্জাদের মাথা ব্যাথা করছে অনেক, তবুও খালামণিকে বলতে লাগল --'তোমরা আমাকে তাড়িয়ে দিলে আমি কোথায় যাব?' খালামণি আরো কিছু বলতে যাবে এমন সময় সাজ্জাদের খালু এসে সাজ্জাদের ক*লার ধরে সাজ্জাদকে বাসার সামনে রাস্তায় নিয়ে ফেলে দিল তারপর বলতে লাগল --'আজকের পর থেকে এই বাসার আশেপাশে তোকে যেন না দেখি এবং বলছিস না কি করেছিস জানিস না তাহলে শুন? মিরাকে যে তুই ন*ষ্ট করে চেয়েছিস সেটা ভুলে গিয়েছিস জন্মনিরোধকের ওষুধ দিয়ে বলেছিস এইসব খেয়ে করলে কিছু হবে না। তাতে সে রাজী হয়নি দেখে ওর সাথে জোর করতে গিয়েছিলি। নিজের ইজ্জত রক্ষা করার জন্য তোকে আ*ঘা*ত করেছে এইসব কথা কি ভুলে গিয়েছিস' এইরকম যত কথা শুনতে সাজ্জাদ তত অবাক হচ্ছে, মিরা বলেছিল তার উপর এমন অপবাদ দিবে যেটাতে হাজার সত্য বললেও কাজ হবে না যখন বুঝতে পারছে কিসের অপবাদ ছিল এটা৷ এইগুলো সব মিরার সাজানো নাটক৷ রাস্তার মাঝে বসে এইসব চিন্তা করছে সাজ্জাদ। কি বলবে কিছু ভেবে পাচ্ছে না৷ --'আজকের পর থেকে তোকে এখানে যেন না দেখি৷ দেখতে পেলে আবার পুলিশে ধরিয়ে দিব' সাজ্জাদের খালু কথাগুলো বলে বাসার ভেতরে চলে গেলেন৷ বাসার সামনে রাস্তায় বসে নিজের চোখের জল ফেলছে সাজ্জাদ৷ জামাকাপড়ের ব্যাগটা হাতে নিয়ে হাঁটতে শুরু করলো এবং মনে মনে বলতে লাগল --'আমি হাজার বললেও তারা আমাকে বিশ্বাস করবে না৷ কারণ মিরা যেটা বলে তারা সেই কথাগুলো বিশ্বাস করে৷ আমার কথার কোন মূল্য তাদের কাছে পাবো না৷ এরচেয়ে আমি তাদের কাছে থেকে দূরে চলে যাব এবং মিরার বিচার আল্লাহর উপর ছেঁড়ে দিলাম৷ তিনি সব জানেন। তিনি মিরাকে কঠিন শাস্তি দিবে এইসব ভাবতে ভাবতে অনেক পথ চলে এসেছে। মাথার ব্যাথাটা আস্তে আস্তে বাড়ছে। জামাকাপড়ের ব্যাগটা বয়ে নিয়ে যাওয়ার শক্তি টাও সে পাচ্ছে না৷ পাশে একটা ফাঁকা বেঞ্চ চোখে পড়লো সাজ্জাদের৷ ব্যাগটা নিয়ে গিয়ে সেখানে বসে পড়লো। বসে বসে ভাবতে লাগল --'আমি কোথায় যাব আগে যেখানে থাকতাম সেখান থেকে তো বের করে দিয়েছে,পকেটে কোন প্রকার টাকা নেই, টাকা থাকলে আপাতত কোন ব্যবস্থা করে নিতাম কিন্তু সেটাও হবে না৷ কোন টিউশনির মাস হয়নি যার জন্য কেউ টাকা দিবে না এতদিন খালুর কাছে থাকতাম টাকা নিয়ে তেমন সমস্যা হতো না কিন্তু এখন কোথায় থাকব। নিজের থাকার জায়গা নিজের খুঁজে বের করতে হবে' কথাগুলো ভাবছে আর চোখের জল ফেলছে হঠাৎ করে ব্যাগের পকেট থেকে মেসেজের আওয়াজ এলো৷ তাই ব্যাগের পকেট খুলে দেখে ভেতরে সাজ্জাদের বাটন ফোনটা পড়ে আছে এবং সেটাতে মিরার নাম্বার থেকে কয়েকটা মেসেজ এসেছে, ফোনটা হাতে নিয়ে মেসেজ গুলো দেখতে লাগল। মিরা যে মেসেজ গুলো লিখেছে সেগুলো হলো --'তোকে বলেছিলাম না তোর উপর এমন অপবাদ দিব যার জন্য তোর কথা কেউ বিশ্বাস করতে চাইবে না এখন দেখ কি অবস্থা হয়েছে। বার বার বলেছিলাম আমার এবং আকাশের মাঝে না আসতে কিন্তু তুই আমার কথা শুনলি না এবার বুঝ কেমন লাগে৷' মেসেজগুলো পড়ে সাজ্জাদের ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে গেল। এত কষ্ট মাঝে কেন হাসি পাচ্ছে সেটা বুঝতে পারছে না৷ যেহেতু মিরা মেসেজ দিয়েছে তাই এই কথার রিপ্লাই এ সাজ্জাদ লিখল --'চিন্তা করিস না আল্লাহ এর বিচার করবে এবং আমিও তোর আসল রুপ বের করব তখন সবাই দেখবে কে খারাপ আর কে ভালো' মেসেজটা পাঠিয়ে দিয়ে ফোনটা অফ করলো তারপর ব্যাগের ভেতরে রেখে দিয়ে হাঁটা শুরু করলো। যত সময় যাচ্ছে তত মাথার এবং শরীরের ব্যাথা বাড়ছে, এভাবে অনেকক্ষণ হাঁটার পর ব্যাথা গুলো আরো বেড়ে গেল, ভাবলো রেস্ট নিবে তাই সামনের একটা বসার বেঞ্চ দেখতে পেল। কিন্তু সেখানে যাওয়ার আগেই সাজ্জাদ জ্ঞান হারিয়ে পড়ে গেল.......... #চলবে ( ভুল-ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো। সবাই লাইক কমেন্ট করে নিজের মতামত জানিয়ে যাবেন।)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১১৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অবহেলা থেকে ভালোবাসা (পর্ব ০৩) লেখনীতে - #Sazzad_KR

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...