বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

নিলদ্বীপ (শেষ পর্ব)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ESHRAT JAHAN (৮২ পয়েন্ট)



X মৃন্ময়ের বিয়ের সবকিছু ঠিকঠাক করা হলো কেনাকাটাও করা হয়েছে।আর মাত্র কয়েকদিন দিন তারপরে বিয়ে।শুভ্র একটু ডিপ্রেশনে চলে গেল।মৃন্ময়কে তো ভালোইবেসে ফেললো।কিন্তু এখন যেহেতু দুইজনই দুইজনকে ভালোবাসে এতে কিছু বলার নেই। বিকেলে সাদিক বাইক নিয়ে বের হলো অনেক খুশি মুড।কয়েকদিন বাদে বিয়ে।মৃন্ময়ের ভাবনায় মুগ্ধ।কোনো দিকেই খেয়াল নেই সাদিকের।সাদিক এতটাই ভাবনার চলে গেল যে সে নিজে যে ড্রাইভ করছে এটার খেয়াল নেই।এই সময় সাদিক এক্সিডেন্ট করে ফেললো।রাস্তার ওপারেই মৃন্ময় দাঁড়িয়ে ছিল।সাদিকের কাছে মৃন্ময় অজ্ঞান হয়ে গেল।চোখের সামনে এইভাবে ভালোবাসার মানুষকে দেখে নিজেকে সামলাতে পারলো না মৃন্ময়। মৃন্ময়ের যখন জ্ঞান ফিরল তখন দেখলো সে হসপিটালে।সঙ্গে সঙ্গেই মনে হলো সাদিকের কথা।মৃন্ময় রুম থেকে বের হয়ে দেখলো একজনের দেহের ওপর সাদা কাপড় দিয়ে ঢাকা।সেখানে মৃন্ময়ের বাবা মা সাদিকের সবাই দাঁড়িয়ে আছে।মৃন্ময় কাছে যেয়ে কাপড় তুলতেই বড় রকমের একটা হচট খেলো।তখনি তার চোখের সামনে ভাসতে থাকলো তখনকার কথা যখন সাদিক তার চোখের সামনে একসিডেন্ট করলো।মৃন্ময় আবার অজ্ঞান হয়ে গেল। মৃন্ময় যখন জ্ঞান ফিরলো তখন সে বাড়িতে।হৃদি শুভ্রকে কল করলো।ফোন ধরে শুভ্র বললো,"হুমম বলো।" "ভাইয়া এখন একটু দেখা করবেন আমার সাথে?" "এখন?" "হ্যা ভাইয়া খুব দরকার।" "আচ্ছা এসো।" হৃদি শুভ্রের সাথে দেখা করতে গেল শুভ্র বললো,"ভাইয়া আপনি তো মৃন্ময়কে ভালোবাসেন।" "হুমম।কিন্ত মৃন্ময়ের বিয়ে হবে যাবে।" "হ্যা বিয়ে তো হবে।আপনার সাথে হবে।" "মানে?" "মানে আজকে সাদিক ভাই রোড এক্সিডেন্টে মারা গেসে।" "কি বলো!দেখো আমি মৃন্ময়কে ভালবাসি কিন্তু আমি এটা কখনো চাইনি।" "ভাইয়া সবাইকে ইনভাইট করা হয়েছে এখন আপনি বিয়ে করবেন।আর মৃন্ময়কে বুঝিয়ে বলবেন।" "হুমম।" শুভ্র এক মুহূর্ত দেরি না করে মৃন্ময়ের কাছে গেল।মৃন্ময়ের পাশে বসে বললো,"মৃন্ময়।" "আপনি আমাকে বিয়ে করবেন?" "হ্যা আমি রাজি।কিন্তু আমি এটা কখনো চাইনি।আমি চাইছি সাদিককে নিয়ে তুমি সারাটা জীবন কাটাও।" "একেই বলে ভাগ্য।ঐযে বলা আছে বিয়ের কথা বলা যায় না করে সাথে হবে।ঠিকই দুইজন দুইজনকে ভালোবাসলেও বিয়ে হবে যে তা না। বিয়ে ঠিক হলেও যে বিয়ে হবে তাও কিন্তু না।" "মৃন্ময় তুমি মন খারাপ করো না।এখন আল্লাহ যা করছেন তাই মেনে নিতে হবে।আমি তোমার জন্য সবকিছু করতে রাজি।" "চলুন ঘুরে আসি অনেক দূর।" "চলো।" কয়েকদিন বাদে মৃন্ময়ের সাথে শুভ্রর বিয়ে হলো।তারপরে আয়মানও হৃদিকে বিয়ে করলো।বিয়ে ,জন্ম ,মৃত্যু আল্লাহর হাতে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১৮৪ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...