বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৯

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ridiyah Ridhi (০ পয়েন্ট)



X কঙ্কালের একটু বের হয়ে আছে। আমি একটা টেনে বের করার চেষ্টা করছিলাম, খালেদ একেবারে হা হা করে উঠল। ফসিলকে নাকি খুব যত্ন করে ধরতে হয়। হাত দিয়ে স্পর্শ করে অবশ্যি বোঝা যায় এগুলো পাথর হয়ে গেছে। আমার মত দুর্বল মানুষ সেটা টেনে বের করা দূরে থাকুক একটা দাগ পর্যন্ত দিতে পারবে না। আমরা পুরো এলাকাটা ঘুরে ঘুরে একটা রত্নভাণ্ডার আবিষ্কার করলাম। এত অল্প জায়গার মাঝে এত ডাইনোসোরের ফসিল কেমন করে এল, সেটা একটা রহস্য! হয়তো এখানে কোন চোরাবালি ছিল বা বিশাল কোন লুকানো খাদ ছিল, কে বলতে পারবে। সাড়ে ছ' কোটি বছর তো ছেলে খেলা নয়। সব দেখেশুনে ছোট চাচা গম্ভীর গলায় বললেন, এটা হচ্ছে আমাদের দেশের সম্পদ। বিদেশের ডাকাতেরা এসে এটা লুটেপুটে নেবে, আমি সেটা হতে দেব না। জান থাকতে হতে দেব না। টিতে পা দাপিয়ে বললাম, কখনো না। রাজু বলল, কখনো না। খালেদ বলল, নেভার নেভার এগেন। কি নিয়ে কথা হচ্ছে খোয়াংসা চাই ঠিক বুঝতে পারল না। কিন্তু তার রাম দাটা মাথার ওপর দিয়ে শাঁই শাঁই করে ঘুরিয়ে একটা রণ হুঙ্কার ছাড়ল। রাজু বলল, বদমাইসগুলি মনে হয় সকালের আগে রওনা দেবে না। এখানে পৌঁছাতে পৌঁছাতে সন্ধ্যে হয়ে যাবে। হ্যাঁ। বাত্রি বেলা তো জায়গাটা দেখতে পাবে না, কাজেই কিছু করতে পারবে না। ভোর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কাজেই আমরা যা করতে চাই ভোর হওয়ার আগেই করতে হবে। খালেদ জিজ্ঞেস করল, কি করবে ছোট চাচা? ছোট চাচা মাথা চুলকালেন। খানিকক্ষণ চিন্তা করে বললেন, ভয় দেখিয়ে সবগুলিকে ভাগিয়ে দিতে হবে। কিভাবে ভয় দেখাবে? ছোট চাচা আবার তার মাথা চুলকাতে লাগলেন। ঠিক এই সময় আমরা থোয়াংসা চাইয়ের উল্লাস ধ্বনি শুনতে পেলাম, তাকিয়ে দেখি সে হ্রদে বসে থাকা একটা পাখিকে তীর দিয়ে গেঁথে ফেলেছে। সাদা ধবধবে পাখিটা রক্তে লাল হয়ে ছটফট করছে। থোয়াংসা চাই পানিতে ছুটে গিয়ে পাখিটা তুলে আনে। ছোট চাচা এগিয়ে গিয়ে বললেন, আহা, পাখিটাকে কেন মারল! খোয়াংসা চাই এসে হাত নেড়ে বুঝিয়ে দিল এই পাখিটি খেতে খুব মজা ! পাখিটা তখনো ছটফট করছে, দেখে আমাদের কারো খাওয়ার কথা মাথায় এল


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১০০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৬
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৫
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ২০

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...