বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩৬

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ridiyah Ridhi (০ পয়েন্ট)



X আত্মবিশ্বাস! কী তার সাহস! যদি সে আমাদের সাথে থাকে, তাহলে আমাদের ভয় কি? রওনা দেয়ার আগে থোয়াংসা চাই খুব যত্ন করে তার বাঁশের পাইপে তামাক ভরে ফস করে ম্যাচ দিয়ে সেটা জ্বালিয়ে নিল তারপর খুব শখ করে সেটা টানতে থাকে। এত ছোট ছেলেকে আমরা এর আগে এত শখ করে তামাক খেতে দেখিনি। তামাকটা খুব ভাল করে জ্বলে ওঠার পর সে পাইপটা আমাদের দিকে এগিয়ে দেয়, আমি সভয়ে মাথা নাড়লাম। রাজু চোখ কপালে তুলল, কিন্তু খালেন, যে মনে করে সিগারেট খাওয়া আর মাথায় গুলি করার মাঝে বিশেষ কোন পার্থক্য নেই, থোয়াংসা চাইয়ের চ্যালেঞ্জটা গ্রহণ করে বাঁশের পাইপটা মুখে নিয়ে একটা টান দিয়ে বসল। তারপর খালেদের যা একটা অবস্থা হল, সেটা সত্যি বলার মত না। লাফিয়ে কুদিয়ে কাশতে কাশতে একটা বিতিকিচ্ছি অবস্থা। খালেদের চোখে পানি এসে গেল, থোয়াৎসা চাই সেটা দেখে খুব হতাশ ভঙ্গিতে খালেদের দিকে তাকিয়ে মাথা নাড়তে থাকে। তাকে দেখে বুঝতে খুব অসুবিধা হয় না যে আমাদের দেখে তার খুব আশা ভঙ্গ হয়েছে। খালেদ একটু সামলে নেবার পর আমরা রওনা দিলাম। সবার সামনে খোয়াংসা চাই, তার হাতে বিশাল রামদা, সামনে কোন গাছপালা, লতাপাতা আসতেই সে তার রামদা ঘুরিয়ে সেটা কেটে ফেলতে ফেলতে যাচ্ছে। প্রথমে মনে হল, সে বুঝি একটু উল্টোপথে যাচ্ছে। একটু পরেই সে একটা হাঁটাপথে তুলে দিল। তখন হাটা আমাদের জন্যে খুব সহজ হয়ে গেছে। ছোট চাচা গজগজ করতে করতে বললেন, এই জংলী কী এখন আমাদের সাথে যাবে নাকি? হ্যা ছোট চাচা, আমি বললাম, আর কোন ভয় নেই। আপনার কাচু মিয়া থোরাৎসা চাইকে দেখলে কাপড়ে পেশাব করে দেবে। ছোট চাচাকে সেটা নিয়ে খুব আহ্লাদিত হতে দেখা গেল না। থোয়াংসা চাই খুব তাড়াতাড়ি আমাদের নিয়ে কিভাবে কিভাবে জানি পাহাড়ের পাশে ছোট খালটার কাছে নিয়ে এল। সেখানে সত্যি সত্যি মুসলিম ভাই নৌকা নিয়ে আমাদের জন্যে অপেক্ষা করছে। মনে হয় রান্না হয়ে গেছে। কারণ কাছে আসতেই খাবারের ঘ্রাণে আমাদের জিবে পানি এসে গেল। মুসলিম ভাই আমাদের দেখে অবাক হয়ে বলল, অনেক তাড়াতাড়ি চলে এসেছেন দেখি! রাজু বলল, হ্যাঁ। এই যে খোয়াংসা চাই। আমাদের নিয়ে শর্ট কাট মেরে চলে এসেছে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৬৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৬
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৫
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ২০

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...