বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪২

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ridiyah Ridhi (০ পয়েন্ট)



X আমি বিস্ফোরিত চোখে দেখলাম, থোয়াৎসা চাহ ওদিকেই এগিয়ে যাচ্ছে! কি করছি বুঝতে না পেরেই আমি তার দিকে ছুটে গেলাম, তাকে জাপটে ধরে আমি টেনে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলাম, তার গায়ে মোষের মত জোর, এতটুকু সরাতে পারলাম না। আমি বেপরোয়ার মত আবার তাকে ধাক্কা দিয়ে টেনে হিঁচড়ে সরিয়ে আনার চেষ্টা করতে করতে কয়েক পা পিছিয়েছি ঠিক তক্ষুণি প্রচণ্ড বিস্ফোরণে মনে হল পুরো পৃথিবী দুলে উঠল। আমরা নিশ্চয়ই ঠিক সেই সময় মাটিতে ঝাঁপিয়ে পড়েছি কারণ আগুনের একটা হলক৷ আমাদের ওপর দিয়ে ছুটে গেল। আমি আর থোয়াংসা চাই গুড়ি মেরে সরে যেতে থাকি, দাউদাউ করে চারদিকে আগুন জ্বলছে, আগুনের গরম হলকা লাগছে আমাদের চোখমুখে। বিস্ফোরণটা ঘটে যাবার সাথে সাথে সাহেব আর লোকজন ছুটে আসতে থাকে, ঘটিবাটি বা আছে সেটাতে করে পানি আনতে থাকে আগুন নেভানোর জন্যে। কিন্তু তখন সেটা বিশাল এক আগুন নেভানো খুব সহজ ব্যাপার নয়। আমরা জঙ্গলে গাছের আড়ালে ঘাপটি মেরে দেখলাম সাহেব বন্দুক হাতের মানুষটার শার্টের কলার ধরে ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে ইংরেজিতে জিজ্ঞেস করছে, কেমন করে হল? কেমন করে হল? লোকটা ভাঙা ভাঙা ইংরেজিতে বলল স্থানীয় মানুষ। ট্রাইবাল পিপল। বাচ্চা ছেলে। বাচ্চা ছেলে। সাহেব গর্জন করে জিজ্ঞেস করল, করজন ছিল? একজন। জাস্ট ওয়ান। কেন করল? পাহাড়ি দানো। চায় না আমরা যাই। ভেরি ডেঞ্জারাস। সাহেব ইংরেজিতে বলল, আমি পাহাড়ি দানোর মুখে পেচ্ছাব করে দিই। ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণের শব্দ শুনে ছোট চাচা, খালেদ আর রাজু ভেবেছিল, আমি আর থোয়াৎস৷ চাই বুঝি টুকরো টুকরো হয়ে উড়ে গেছি। যখন দেখল আমরা ভালয় ভালয় ফিরে এসেছি, তাদের কী যে আনন্দ হল বলার মত নয়। ছোট চাচা এক হাতে আমাকে, আর এক হাতে খোয়াংসা চাইকে বুকের মাঝে চেপে ধরে অনেকক্ষণ একটা গাছের নিচে বসে রইলেন। আমি ছোট চাচাকে জড়িয়ে ধরে বললাম, ছোট চাচা, আমরা ভাল আছি, কিচ্ছু হয় নি। সত্যি কিচ্ছু হয় নি। ছোট চাচা কিছু না বলে আরো জোরে আমাদের বুকে চেপে ধরে রাখলেন। টর্চলাইটটা জ্বালানে৷ নিষেধ কিন্তু আমি লিখে দিতে পারি, যদি সেটা জ্বালাতাম তাহলে দেখতাম ছোট চাচার চোখ থেকে টপ টপ করে পানি পড়ছে। ছোট চাচা অনেক রাগারাগি করেন, কিন্তু তার মনটা একেবারে বাচ্চাদের মত নরম!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৫৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৬
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৫
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ২০

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...