বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩৪

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ridiyah Ridhi (০ পয়েন্ট)



X থেকে তার সমান একটা ধারালো রাম দা ঝুলছে। এবারে হাসি থামিয়ে তার সেই ভয়ংকর রাম দা বের করে কোথায় একটা কোপ দিল, সাথে সাথে একটা দড়ি ছিঁড়ে ছোট চাচা হুড়মুড় করে নিচে একটা ঝোপের মাঝে এসে পড়লেন। আমরা দেখলাম, তাঁর পুরো শরীর ঝোপের মাঝে অদৃশ্য হয়ে গেছে, শুধু তার পা দুটি দেখা যাচ্ছে। ছেলেটা সেটা দেখে আবার হি হি করে হাসতে হাসতে মাটিতে গড়িয়ে পড়ল। আমাদেরও সাংঘাতিক হাসি পাচ্ছিল কিন্তু বুঝতে পারছিলাম, এখন হয়তো হাসটি। বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। আমরা ঝোপের কাছে এগিয়ে গেলাম, দেখলাম, ছোট চাচা এর মাঝে সামলে সুমলে বের হয়ে এসেছেন। কপালের খানিকটা ছাল ওঠে গেছে, শার্টের পকেটটা ছিঁড়ে ঝুলছে, গা হাত পায়ে ইতস্তত কাটাকুটি। আমি ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করলাম, ছোট চাচা, ব্যথা পেয়েছ নাকি? না। ছোট চাচা মুখ খিঁচিয়ে বললেন, খুব আরাম লেগেছে, অসম্ভব আরাম লেগেছে। এখনও আরাম লাগছে। এবারে তিনি খালি গায়ের ছেলেটার দিকে তাকালেন। তার হাতে যদি এত বড় রাম দাটা না থাকত, আমি নিঃসন্দেহ যে তিনি ছেলেটার কান মুচড়ে একটা ডাবল সাইজ চড় কসতেন। খালেদ ছেলেটাকে জিজ্ঞেস করল, এটা কি? কেমন করে হল এটা? প্রথমে বাংলায়, ছেলেটা কিছু বুঝল না, তখন ইংরেজিতে জিজ্ঞেস করল, তাতেও লাভ হল না। তারপর পৃথিবীর আদি ভাষায়, আকার ইঙ্গিত এবং চোখের দৃষ্টি দিয়ে— ছেলেটা এবাবে চট করে প্রশ্নটা বুঝে যায়। সে আমাদের একটা ঝোপের কাছে নিয়ে দেখাল, পুরো জিনিসটা শেয়াল, হরিণ বা বুনো শূকর ধরার একটা ফাঁদ। গাছের একটা ডাল নুইয়ে সেখানে দড়ি বেঁধে একটা ফাঁস তৈরি করা হয়, গাছের ছোট একটা ডাল দিয়ে সেটা আটকে রাখা হয়। দড়ির ফাঁসে পা দিতেই ছোট ডালটা সরে গিয়ে ফাঁসটা পায়ে আটকে যায়, নুয়ে থাকা গাছটি ছিটকে ওপরে উঠে যায় আর সাথে সাথে প্রাণিটি শূন্য থেকে ঝুলতে থাকে। এটা জন্তু জানোয়ার ধরার ফাঁদ। ছোট চাচা তার এই ফাঁদে পা দেবেন সেটা সে কখনো সন্দেহ করেনি। ছেলেটা বাংলা বোঝে না জানার পর ছোট চাচা দাঁত কিড়মিড় করে বললেন, জংলী ভূত। বেয়াদব। এক চড় মেরে সবগুলি দাঁত ফেলে দেওয়া দরকার। শিক্ষা দীক্ষা নেই, মানসম্মান জ্ঞান নেই— আমি বললাম, কেন রাগ করছেন ছোট চাচা? সে কি আর আপনার জন্যে এটা পেতে রেখেছিল? আপনি ভুল করে পা দিয়েছিলেন বলেই তো— তাই বলে এভাবে হাসবে? এটা হাসি তামাশার জিনিস হল ? ছোট চাচা, আপনি যদি দেখতেন, তাহলে আপনিও হাসতেন। একজন বয়স্ক মানুষ উল্টো হয়ে ঝুলছে


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১৪৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৬
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৫
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ২০

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...