বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩৩

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ridiyah Ridhi (০ পয়েন্ট)



X মুসলিম ভাই একটা ঠোঙা ধরিয়ে দিল। আমি মুড়ির ঠোঙাটা নিয়ে জঙ্গল ভেঙে পাহাড়ে উঠতে শুরু করেছি। আমার পেছনে খালেদ আর রাজু। সবার পেছনে ছোট চাচা। তার মুখ দেখে মনে হচ্ছে কেউ বুঝি তাকে জোর করে খানিকটা আলকাতরা খাইয়ে দিয়েছে। তার মুখ খুব বিমর্ষ। চোখের কোণে কালি। শেভ করেননি বলে গালে খোঁচা খোঁচা দাড়ি। মুড়ি খেতে খেতে আমরা হাটছি। জঙ্গলের মাঝে দিয়ে আমরা আগে কখনো হাঁটিনি। ব্যাপারটা এত সোজা না। তাছাড়া পাহাড়টা ওপরে উঠে গেছে। সমান জায়গায় খুব সহজে হাঁটা যায়, কিন্তু ওপরে উঠতে হলে খুব সহজেই দম ফুরিয়ে যায়। আমাদের একটু পরে পরেই থেমে বিশ্রাম নিতে হচ্ছিল। হাঁটার কোন পথ নেই, পা ফেলার কোন জায়গা নেই। ঘন জঙ্গল গাছ আর লতাপাতায় ঢাকা, সেই সব গাছের ডালপালা চোখে মুখে লেগে যায়। কে জানে সাপ খোপ আছে নাকি। বিছুটি গাছ যদি থাকে তাহলে কি হবে? কষ্ট হচ্ছিল খুব কিন্তু আবার কেমন জানি মজাও লাগছিল আমাদের। মনে হচ্ছিল, আমরা বুঝি যাচ্ছি সত্যিকার অ্যাডভেঞ্চারে। মনে হচ্ছিল, আমরা বুঝি সেই মুক্তিযোদ্ধাদের মত, যাচ্ছি সত্যিকারের কোন অভিযানে। একটু পর আমরা মোটামুটি সমতল জায়গায় এসে পৌঁছুলাম। ছোট চাচা পেছন থেকে বললেন, দেখি আমি সামনে দিয়ে যাই। তোরা শুধু শুধু দেরি করছিস। আমরা তাকে সামনে যেতে দিলাম। ছোট চাচা একটা শুকনো ডাল হাতে তুলে নিয়ে সেটা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে যেতে লাগলেন। এভাবে মিনিট দশেক গিয়েছি, ঠিক তখন আমার জীবনের সবচেয়ে বিচিত্র জিনিসটি ঘটল, দেখলাম, হঠাৎ করে ছোট চাচা আঁ আঁ-আঁ শব্দ করে ভয়ঙ্কর চিৎকার করতে করতে দুই পা ওপরে তুলে শূন্যে উঠে গেলেন। আমরা অবাক হয়ে দেখলাম, তিনি উল্টো হয়ে একটা গাছ থেকে ঝুলছেন। ব্যাপারটি এত বিচিত্র, আমাদের বেশ খানিকক্ষণ লাগল ব্যাপারটি বুঝতে। আমরা হতবাক হয়ে তাকিয়ে আছি। বোঝার চেষ্টা করছি কি হচ্ছে, কেন হচ্ছে, কিভাবে হচ্ছে। হঠাৎ করে শুনলাম কে যেন হি হি করে হেসে উঠল। সে হাসি কিছুতেই থামে না। একেবারে বাচ্চার গলার হাসি, প্রায় মেয়েদের হাসির মত। আমরা ঘুরে ফিরে তাকালাম, হঠাৎ দেখি একটা গাছের আড়াল থেকে বারো তেরো বছরের একটা ছেলে বের হয়ে আসছে। মনে হচ্ছে হাসতে হাসতে তার পেট ফেটে যাবে। আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে সে একবার ছোট চাচাকে দেখায়, তারপর আবার হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়ে। হাসি জিনিসটা সংক্রামক ছেলেটাকে এভাবে হাসতে দেখে আমরা হঠাৎ করে পুরো ব্যাপারটার হাস্যকর দিকটা দেখতে পারলাম। একজন বয়স্ক মানুষ দুই পা ওপরে দিয়ে একটা গাছ থেকে ঝুলছে ব্যাপারটা নিঃসন্দেহে হাস্যকর। আমরাও হাসতে শুরু করেছি তখন ছোট চাচা বাঘের মত একটা গর্জন করলেন, জানে মেরে ফেলব সব কয়টাকে। বাচ্চা ছেলেটা, যার খালি গা, খালি পা, পরনে ছোট একটা কাপড় এবং কোমর


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৭৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৬
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৫
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ২০

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...