বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ২৩

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ridiyah Ridhi (০ পয়েন্ট)



X খালেদ জিজ্ঞেস করল, পাথর ড্রিল করার যন্ত্রপাতি কই? যন্ত্রপাতি ? আছে নিশ্চয়ই। ঐ দেখ না কত বাক্স। রাজু মাথা নাড়াল, উঁহু। ঐগুলি খালি বাক্স। দেখ না এক নৌকায় কতগুলি বাক্স তুলেছে। যন্ত্রপাতি হলে অনেক ভারী হত। ছোট চাচা একটা ধমক দিয়ে বললেন, আজকাল কত রকম হাই টেক যন্ত্রপাতি বের হয়েছে, তুই কি জানিস? খালেদ মাথা নেড়ে বলল, রাজু ঠিকই বলেছে। হাই টেক যন্ত্র দিয়ে কি আর পাথর ড্রিল করা যায়? পাথর ড্রিল করতে লাগে ভারী যন্ত্র। কথা বলবে আমার সাথে ? আর কি বলেছে আপনাকে? বললাম আমরাও যাচ্ছি অ্যাডভেঞ্চারে, তখন হঠাৎ করে উৎসাহ দেখাল। ছোট চাচা হাত নেড়ে ব্যাপারটা উড়িয়ে দিয়ে বললেন, তাহলে কি লোকটা মিথ্যে একেবারে গোমড়ামুখো মানুষ। প্রথমে তো কথাই বলতে চায় না। শেষে যখন কি করল তখন? যখন শুনল আমরা ডাইনোসোরের ফসিল খুঁজতে যাচ্ছি তখন একেবারে হকচকিয়ে গেল। মনে হয়, কল্পনাই করতে পারেনি যে আমরা এরকম একটা সামঘাতিক মিশনে যাচ্ছি। বারবার জিজ্ঞেস করল, কতজন যাচ্ছি, কিভাবে যাচ্ছি, কোথায় যাচ্ছি, আমরা কে কোথায় থাকি, কি করি, আমরা যে এখানে এসেছি, সেটা কারা জানে, আমাদের সাথে বন্দুক আছে কি না – এই রকম হাজার হাজার প্রশ্ন। মনে হল পারলে সেও আমাদের সাথে যায়। সাহেবের জাত তো মনে হয় রক্তের মাঝে তাদের অ্যাডভেঞ্চারের নেশা। ছোট চাচার কথাবার্তা শুনে মনে হল অ্যাডভেঞ্চারের কথা বলে সাহেবকে ভড়কে দিয়ে খুব খুশি হয়ে ফিরে এসেছেন। শার্ট খুলে নৌকায় চিৎ হয়ে শুয়ে গুনগুন করে একটা গান গাইতে গাইতে বললেন, বাঙালি জাতটার সমস্যা একটাই। সেটা হচ্ছে পলিটিক্স। পলিটিক্সে সময় নষ্ট না করে যদি অন্য কোন কাজে মন দিত কোন দিন এই জাতি মাথা তুলে দাঁড়াত। আমার খুব ইচ্ছে করল তাকে মনে করিয়ে দিই, দু'মাসও হয়নি তার ইউনিভার্সিটিতে ইলেকশান হল। ছোট চাচা সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে দাঁড়িয়েছিলেন। ইলেকশানে হেরে মুখ চুন করে ফিরে এসে বলেছেন, পুরো ব্যাপারটা নাকি একটা আন্তর্জাতিক চক্রান্তের ফল। এর মাঝে একই সাথে সি.আই. এ. এবং কে.জি.বি. র হাত ছিল! মাঝি কিছুক্ষণের মাঝেই ফিরে এল। ছোট চাচা গম্ভীর হয়ে তাকে কিছু প্রশ্ন করে বাজিয়ে নিয়ে বললেন, চল তাহলে রওনা দিই।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১৪১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৬
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৫
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ২০

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...