বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ২৪

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ridiyah Ridhi (০ পয়েন্ট)



X মাঝি নৌকাটার দড়ি খুলে নিয়ে লগি দিয়ে ধাক্কা দিয়ে কি একটা বলল ঠিক বুঝতে পারলাম না। শুধুমাত্র আল্লাহর নামটা শুনতে পেলাম। নিশ্চয় বলছে আল্লাহর নাম নিয়ে শুরু করছি। বড় চাচার ঘটনাটার পর থেকে আমাদের আল্লাহর উপর বিশ্বাস অনেক বেড়ে গেছে। ওজু নাই তবু মনে মনে তিনবার কুলস্থ আল্লাহ পড়ে নিলাম। আমরা নৌকা থেকেই দেখলাম নদীতীরে ছোট চাচার সেই ফ্রেডারিক সাহেব দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আমাদের দেখছেন। সাথে আরেকজন মানুষ, গায়ের রং কুচকুচে কালো, দাতের ফাকে একটা সিগারেট চেপে ধরে রেখেছে। মানুষটির পরনে লাল লুঙ্গি। লাল রঙের লুঙ্গি হয় আমি জানতাম না। আমরা যতক্ষণ না চলে গেলাম সাহেব আর লাল রঙের লুঙ্গি পরা কালো মানুষটি দাড়িয়ে রইল। যখন আরো দূরে চলে গেলাম দেখলাম সাহেবটা বাইনোকুলার বের করে আমাদের দেখতে লাগল। নিজে দেখে বাইনোকুলারটি দিল তার সাথে কালো মানুষটিকে, সে মানুষটিও চোখে বাইনোকুলার লাগিয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে রইল। নিশ্চয়ই আমাদের দেখছে, কিন্তু কেন দেখছে? ঠিক জানি না কেন হঠাৎ করে আমার মনে হল আমরা একটা অশুভ ব্যাপারে জড়িয়ে পড়ছি। বুকের মাঝে হঠাৎ কেন জানি কাপুনি দিয়ে একটা ভয়ের শিহরণ বয়ে গেল। নৌকাটা একটা বাঁক ঘুরতেই আমরা একেবারে হতবাক হয়ে গেলাম। কী অপূর্ব দৃশ্য। কী সুন্দর একটা নদী এঁকেবেঁকে চলে গেছে, দুই পাশে উঁচু পাহাড়, সেই পাহাড়ে ঘন জঙ্গল। বিকেলের নরম আলোতে যেন এক ধরনের রহস্য নিয়ে দাড়িয়ে আছে। নদীর পানির ওপর হালকা কুয়াশা, চারদিকে সুমসাম নীরবতা। সমস্ত প্রকৃতি যেন চুপ করে তার সমস্ত সৌন্দর্য নিয়ে আমাদের জন্যে অপেক্ষা করে আছে। আমি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। মনে হয় সারাটা জীবন আমি একটা অন্ধকার দোতলা দালানের ছোট ছোট খুপরির মাঝে বড় চাচা, জয়নাল চাচা আর সুন্দর চাচার মত অস্বস্তিকর মানুষের কাছাকাছি থেকে কাটিয়ে দিয়েছি। অথচ বাইরের পৃথিবী কত সুন্দর ! মনে হয় আগের জীবন ছেড়ে এখানে চলে আসি, একটা পাহাড়ে পাহাড়ি কিছু শিশুর সাথে জীবনটা কাটিয়ে দিই। কী না মজা হত তাহলে! নৌকাটা ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে থাকে। বাঁশের লাগি দিয়ে ঠেলে ঠেলে মাঝি নৌকাটা নিয়ে যাচ্ছে। পানিতে শুধু ছলাৎ ছলাৎ শব্দ, আর কোন শব্দ নেই। আমরা কেউ কোন কথা বলছি না, কেন জানি মনে হতে থাকে, এখানে কোন কথা বলার কথা নয়। কথা বললেই এই অপূব সৌন্দর্য, মায়াবী নীরবতা, আর কোমল রহস্যময়


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৭৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৬
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৫
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ২০

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...