বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

রোমান্টিক ভালোবাসা

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান PRINCE FAHAD (২ পয়েন্ট)



X লেখক রনি..... সকালে কলেজ যাচ্ছি এমন সময় আব্বুর ডাক। --আব্বু ডেকেছিলে?(ফাহাদ) --হ্যাঁ, আজ কলেজ যাওয়ার দরকার নাই। বাসায় থাক।(আব্বু) --কিন্তু।(ফাহাদ) আর কিছু বললাম না। আমি সাগর। ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান আমি। আজ আমাকে ভাবাচ্ছে আব্বুর কথা গুলো। যে মানুষ টা আমাকে কলেজের সময় বাসায় দেখলেই দৌড় করিয়ে বেড়ায়। আজ সেই মানুষ টা না-কি, আমাকে কলেজ যেতে বারণ করেছে। --আম্মু ও আম্মু।(ফাহাদ) --কি হয়েছে, বল।(আম্মু) --আজ আব্বুর কি হলো গো, আমাকে আজ কলেজ যেতে দিলো না যে।(ফাহাদ) --তোর বিয়ে লাগি তাই।(আম্মু) --কি বলছ আম্মু। আমার বিয়ে।(ফাহাদ) --হু।(আম্মু) --দেখ তোমার ছেলের নাক টিপলে দুধ বের হবে আর তার না-কি বিয়ে। ওমা তুমি বাবাকে বলো না বিয়েটা যেন আটকায়।(ফাহাদ) --আমাকে বলে কাজ নাই। আর মেলা ঘেনঘেন করিছ না তো,(আম্মু) যানি আম্মুকে বলে কাজ নাই। আর আব্বুকে তো মাশাল্লাহ,,,,, আমি খুব ভয় পাই। শেষমেশ বিয়েটা হয়ে গেল। আর আমি ছাঁদে দাঁড়িয়ে আজকের কথা গুলো ভাবছি কি হলো আমার। হঠাৎ আমার কাঁধে কারো হাত। পিছনে ফিরে দেখি। আব্বু দাঁড়িয়ে। --আব্বু তুমি।(ফাহাদ) --বাবা আমাকে ক্ষমা করে দিস(আব্বু) আমার হাত ধরে বলল। --আরে আব্বু কি করছ কি?(ফাহাদ) --তুই আমাকে ক্ষমা করে দিস। তোর জীবনের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত টা আমাকে নিতে হলো। জানি তোর কাছে আমি আজ অপরাধী। ছোটবেলায় তোদের বিয়ে ঠিক করা ছিল। আর কথা ছিল। তোর আর ওর ২০ বছর পার হলেই তোদের বিয়ে হবে তাই।(আব্বু) --আরে আব্বু তুমিও না। আমি কেন রাগ করবো বলো তো। তুমি আমাকে আজ পর্যন্ত যা বলছ এমন কোনো কাজ আছে যে আমি অমান্য করেছি।(ফাহাদ) --আমি খুব খুশি হয়েছি। তবে একটা কথা মেয়েটার তোর থেকে ২ বছরের বড়।(আব্বু) --কি?(ফাহাদ) ভেবেছিলাম যাক বিয়েটা হয়ে গেছে। বউ তাতো আমারী ওকে কেন কষ্ট দিবো ওকে মেনেই নইবো। কিন্তু ২ বছর। শেষমেশ বাসর ঘরে আসলাম। দেখলাম মেয়েটা ইহা বড় ঘোমটা দিয়ে বসে আছে। ভেবছিলাম ওকে মেনে নিবো। কিন্তু কলেজে গেলে আমার বন্ধুরা আমারে সিনিয়র বউয়ের জামাই বলে খেপাইবে। উহু কি কষ্ট। হঠাৎ কে যেন আমার পা ছুঁয়ে সালাম করছে। দেখলাম আমার বউ। --দেখ আমি আপনাকে মেনে নিতে পারমু না।(ফাহাদ) --তুমি এমন করছ কেন।(মেয়েটি) --দেখুন আমি কিন্তু আপনাকে মেনে নিবো না আপনি যাই বলুন।(ফাহাদ) --আরে তুমি আপনি আপনি করে কাকে বলছ আমাকে নিলা বলে দেখ।(ইমরোজ) তারমানে ওর নাম ইমরোজ। --দেখুন আপনি পিছনে যান আমার দিকে এমন করে এগিয়ে আসবেন না।(ফাহাদ) --আরে ভয় পাচ্ছ কেন। আমি না তোমার বউ।(ইমরোজ) --কে আমার...(ফাহাদ) তার আগেই ও আমার ঠোঁট জোড়া গুলো দখল করে নিলো আর আমার হাত দুটো লাগলো ওর কোমরে। ও আমাকে ছেড়ে দিয়ে আস্তেপিস্টে আমাকে জড়িয়ে ধরলো, এই প্রথম কোন মেয়েকে জড়িয়ে ধরেছি।gj -বউ,,,,, বুঝলে। --আমি ওকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলাম। --দেখ আমি তোমাকে মানি না।(ফাহাদ) --দেখা যাবে।(ইমরোজ ) ও আমাকে ধাক্কা মেরে বিছানায় ফেলে দিলো, আর তারপর যা করলো,,,,, ইশশ আমার লজ্জা করে বলমু না। আর যারা জানতে চান তারা বিয়ে করে নিন তাহলে জানিবেন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি ও আমাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে আছে। আমি ওর নিস্পাপ মুখ-খানি দেখছি। কি সুন্দর? যেন আসমান থেকে পরে এক পরী। আমাকে মুগ্ধ করলো সে। আমি ওর কপালে আলতো করে আদর করে দিলাম। হঠাৎ ও। --আমাকে না বলে আদর করা হচ্ছে।(ইমরোজ) --কে কাকে আদর করলো শুনি।(ফাহাদ) --আমি জেগে ছিলাম বুঝলে।(ইমরোজ ) আমি আর কিছু না বলে স্লান করে আসলাম। এখন আমারী লজ্জা লাগছে। তারপর নাষ্টা করতে বসছি। নিলা নাষ্টা দিয়ে ও আমাদের সাথে বসে পড়ল। আমি নাষ্টা করছি আর হঠাৎ আমার পায়ে কি যেন পড়লো। ওর দিকে তাকিয়ে দেখি ও দুষ্ট হাঁসি দিচ্ছে। বুঝলাম ও আমাকে লাথি দিয়েছে। আমি খাবার খেয়ে রুমে চলে আসলাম। তা-ও দেখি মহারানীর আগমণ। --কিছু বলবেন আপু।(ফাহাদ) ও তো রেগে ফায়ার। এবার সব দবল আমার উপর দিয়ে গেল। তবে যা গেল এটার জন্য আমি সর্বাপেক্ষা রাজি। ও আমাকে লিপকিস করে গেল। সারাদিন ওর কোনো পাত্তাই নেই। রাত্রে শুতে আসলাম। দেখি ও আসল। --নিচে বিছানা করছ কেন?(ইমরোজ) --আমার ইচ্ছে তাই। আর আমি তোমাকে মেনে নিতে পারবো না।(ফাহাদ) রাত্রে আমি নিচেই শুয়ে পড়লাম। সকালে উঠে দেখি ও আমার বুকের উপর শুয়ে আছে। আজ কিছু বলি নি। বিকেলে আম্মু আব্বু এক কাজে আরেক জায়গায় গেল। ফিরবে ২ দিন পর। আমি বিকেলে আমি বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে গেলাম। রাত প্রায় ৮ টা তখন। --হ্যালো কে বলছেন।(ফাহাদ) --আ আমি নিলা(ইমরোজ) --কেন ফোন দিয়েছ বল?(ফাহাদ) --অন্ধকারে আমার খুব ভয় করে!(ইমরোজ) তাড়াতাড়ি করে বাসায় আসলাম। ও আমাকে দেখেই জড়িয়ে ধরে কেঁদে দিলো। মেয়েটাকে দেখে বুঝেছি ও খুব ভয় পেয়ে আছে। রাত্রে ওকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে পড়লাম। সকালে উঠে দেখি। ওর চুল গুলো আমার মুখের উপর খেলা করছে। আজকে আর কোথাও বের হয়নি। সারাদিন ওর পাশেই ছিলাম। রাত্রে হঠাৎ ও।(ফাহাদ) --আচ্ছা আমি কি দেখতে খারাপ।(ইমরোজ) --খারাপ হতে যাবে কেন। দেখতে তো মাশাল্লাহ।(ফাহাদ) --তাহলে আমাকে মেনে নিতে আত্ততি কোথায়।(ইমরোজ) আমি চুপ হয়ে গেলাম। আসলে ওর উওর আমার কাছে নেই। এভাবে প্রতিদিন ও আমাকে রোজ অত্যাচার করতো। তবে রোমান্টিক অত্যাচার। আজ ৮ দিন হলো ও আমার সাথে খুব একটা দরকার ছাড়া কথা বলে না।আমার সাথে এক বিছানায় ঘুমাও না। ওকে বিষয় টা বললে ও আমাকে এরিয়ে যায়। আমি ওর রোমান্টিক অত্যাচার গুলো বড্ড মিস করছি। রাত্রে ওকে জিজ্ঞেস করলাম, কিন্তু সেই একি কথা। এবার ওকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে দিলাম। --আরে তুমি কাঁদছ কেন?(ইমরোজ) --একদম কথা বলবে না।(ফাহাদ) --তাহলে আমাকে ছেড়ে দাও।(ইমরোজ) --না।(ফাহাদ) --কথা বলতেও দিবে না আবার ছেড়ে ও দিবে না।(ইমরোজ) --তুমি শুধু আমার।(ফাহাদ) --তাহলে তখন আমাকে মেনে নিলে না কেন?(ইমরোজ) --আমিই না ছোট তাই ওত বুঝি না। কিন্তু তুমি তো বুঝ।(ফাহাদ) --বুঝি বলেই তো। তোমাকে অবেহেলা করছি যাতে তুমি আমাকে মেনে নাও।(ইমরোজ ) --তাই বলে আমাকে ওত কষ্ট দিবে?(ফাহাদ) --আসো বাবু তোমাকে আদর করে দিয়।(ইমরোজ) --আমি বাবু না। আমি সাগর।(ফাহাদ) --থাক আর বলতে হবে না।(ইমরোজ) --খুব ভালোবেসে ফেলেছি তোমায়।(ফাহাদ) --আমিও।(ইমরোজ) তারপর ফাহাদ আর ইমরোজ চলে গেল এক সুখের রাজ্যে। যেখানে যাওয়ার জন্য প্রয়োজন ভালোবাসা। #সমাপ


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১১৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ রাগী মেয়ের রোমান্টিক ভালোবাসা
→ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প
→ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প
→ একটি রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প
→ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...