বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রিয় তুমি পর্ব ২

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান PRINCE FAHAD (০ পয়েন্ট)



X বাবা আমি আসলে রান্না ঘরে ছিলাম।আজ আপনাদের জন্য আমি স্পেশাল আইটেম রান্না করেছি। তুমি আবার কষ্ট করে এসব করতে গেলে কেনো? আরে বাবা তুমি থামতো।ভাবি কি রান্না করেছো খেতে দাও।আমার পেটে ছুচো দৌড়াদৌড়ি করছে। নাস্তা শেষে ঘরে এসে একটু বসল তিথী।একটু পরেই পার্লার থেকে লোক আসবে সাজাতে,পরে হয়তো আর রেস্ট নেওয়ার সময় পাবেনা। চোখ বন্ধ করে মিউজিক প্লেয়ারে গান ছেড়ে দিল তিথী.... ।। ।। পুরোনো সেই দিনের কথা ভুলবি কি রে হায় ওই সেই চোখে দেখা, প্রাণের কথা সে কি ভোলা যায় । আই আর একটিবার আয় রে সখা প্রাণের মাঝে আয় মোরা সুখের দুখের কথা কব প্রাণ জুড়াবে তাই । মোরা ভোরের বেলা ফুল তুলেছি দোলেছি দোলায়-- বাজিয়ে বাঁশি গান গেয়েছি বকুলের তলায় । হায় মাঝে হাল ছাড়াছাড়ি গেলাম কে কোথায় আবার দেখা যদি হয় , সখা প্রাণের মাঝে আয় । ।। গানটা হঠাৎ থেমে গেলো।চোখ খুলে দেখল রাজ অগ্নি দৃষ্টিতে তিথীর দিকে তাকিয়ে আছে। তিথীর অন্তরাত্মা কেপে উঠল।কি এমন হলো যে খাটাস টা ওর দিকে এভাবে তাকিয়ে আছে কেনো।আল্লাহ আমাকে আজরাইলের হাত থেকে বাচাও।ওনাকে বুঝতে দেওয়া যাবেনা যে আমি ভয় পাচ্ছি। কি....কি...কিছু বলবেন? তুমি তোতলা জানতাম নাতো আর তোমার সাহস কি করে হয় আমার বারান্দার পাখিগুলোকে ছেড়ে দেওয়ার। আমি তোতলা (রেগে)আর পাখি ছেড়েছি বেশ করেছি। পাখি কি খাঁচায় বন্দী রাখা জিনিস। তিথীকে বিছানার সাথে চেপে ধরে রাজ। আমার জিনিস আমি যা ইচ্ছে তাই করবো। আমার পার্সোনাল বিষয় নিয়ে নাক গলানোর অধিকার তোকে কে দিয়েছে।কালকের কথা ভুলে গেছিস দেখছি।আজ আবার মনে করিয়ে দিতে হবে। ওহ শিট তোর শরীরেতো কিছু লাভ স্পট দেওয়া উচিত।ওয়েট দিয়ে দিচ্ছি। তিথী অনেক চেষ্টা করেও নিজেকে ছাড়াতে পারছেনা। রাজ ধীরে ধীরে তিথীর গলা থেকে বুক বেয়ে পেটের কাছে হাতটা নিয়ে গেল।পেটের কাছের শাড়িটা সরিয়ে মুখটা নাভির কাছে নামিয়ে আনল।তিথীর সমস্ত শরীরে শিহরণ বয়ে গেল।রাজ তিথীর হাতটা শক্ত করে ধরে পেটে একটা কামড় বসিয়ে দিল। আহঃ..... বলে তিথী তার সমস্ত শক্তি দিয়ে রাজকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিল। ডুকরে কেঁদে উঠল সে। রাজ উঠে আবার তিথীকে চেপে ধরল।তিথীর বুক থেকে আঁচলরা সরিয়ে ঝাপিয়ে পরল ওর উপর। তিথীর সমস্ত শরীরে অসংখ্য কামড় বসিয়ে দিচ্ছে। তিথী নিরবে অশ্রু বিসর্জন দিচ্ছে।কালকের তুলনায় আজকে আরো হিংস্র হয়ে উঠেছে রাজ।যেন তার সমস্ত রাগ তিথীর উপর ঝাড়ছে।যন্ত্রণার চরম পর্যায় তিথীকে উপহার দিয়ে নিজের চাহিদা মিটানোর পর তিথীর উপর থেকে সরে গেল সে। তিথী বিছানা ছেড়ে উঠার চেষ্টা করেও পারলনা। ওয়াসরুম থেকে বেরিয়ে তিথীর অবস্থা দেখে রাজের খুব খারাপ লাগতে শুরু করল। এতোটা কঠিন না হলেও পারতো সে। তিথীকে এসে ছুতে চাইলে তিথী ভয়ে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। ভয় পেয়োনা,আমি তোমাকে কষ্ট দিচ্ছি না।তোমাকে ওয়াসরুমে যেতে হেল্প করবো। আমার কারো সাহায্যে প্রয়োজন নেই। আমি নিজেই যেতে পারব। তিথী উঠে বাথরুম যেতে গিয়ে পড়ে যেতে নিলে, রাজ তাকে ধরে ফেলে। তিথী কিছু বলতে গিয়েও বলতে পারলনা। তিথীকে বাথরুমে পৌঁছে দিয়ে রাজ তারাতারি রেডি হয়ে বেরিয়ে গেল। খুব একটা দরকারি কাজ আছে। বিকেলে বৌ ভাতের অনুষ্ঠান শুরু হবে, তার আগেই ফিরতে হবে তাকে। তিথী বাথরুমে শাওয়ার ছেড়ে জোরে কাঁদতে লাগল।কেনো তার সাথেই এমনটা হয়।আমিতো কখনো এমনটা চাইনি। প্রিয় তুমি কেনো আমায় ছেড়ে চলে গেলে। আজ ৮ টি বছর ধরে তোমার অপেক্ষায় ছিলাম।তুমি কেনো ফিরলেনা।আজ দেখো তোমার হলুদ পাখির সাথে কতটা অন্যায় হচ্ছে। তুমি কোথায় ফিরে এসো। ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে দেখল পার্লারের লোকেরা চলে এসেছে।তারা তিথীকে সাজাতে লেগে গেলো।গোল্ডেন পাড়ের সবুজ শাড়ি।সাথে সোনার ভারী ভারী গহনা।মুখের উপর একমন মেকাপ লাগিয়ে দিল। তিথী বলেই ফেললো একটু কম করে ময়দা লাগান আপু।এতো ময়দা দিলে আমিতো গরমে মরেই যাবো। তিথীর কথা শুনে সবাই উচ্চস্বরে হেসে উঠল।সবার মাঝে থেকে তিথীর নিজেকে অনেকটা হালকা লাগছে। কাল থেকে তাঁর উপর দিয়েতো কম ঝড় যায়নি। স্টেজে রাজের পাশের একটি চেয়ারে বসেছে তিথী।চারপাশে আলোয় ঝলমল করছে।ক্যামোরাম্যান তিথীর ছবি তুলছে। বহুলোকের কোলাহলে ব্যাস্ত বিয়ে বাড়ি।তিথীর বাড়ির লোকজন এসেছে।এতো লোকের মাঝে তিথী ঠীক করে মায়ের সঙ্গে কথাও বলতেও পারছেনা।এদিকে সবার সাথে ছবি তুলতে তুলতে ক্লান্ত তিথী।বৌ ভাতের অনুষ্ঠানে শেষে তিথীর বাড়ির লোকজন তিথী আর রাজকে তাদের সাথে করে তাদের বাসায় নিয়ে যায়।রাজ প্রথমে যেতে চায়নি,পরে বাবার আদেশে যেতে বাধ্য হলো।তিথীদের বাড়ির সামনে এসে গাড়িটা দাড়িয়ে গেল।গাড়ি থেকে একে একে সবাই বেরিয়ে এলো।তিথী গাড়ি থেকে নেমে মুক্ত বাতাসে একটা দীর্ঘশ্বাস নিল।মনে হচ্ছে বন্ধি পাখি মুক্তি পেয়েছে। রাজ তিথীর পাশে দাড়িয়ে বললো খবদার বেশি পাকনামি করবেনা।ভেবোনা তোমার বাসা বলে যা ইচ্ছে তাই করবে। হুহ বলে তিথী ডোন্টকেয়ার ভাব নিয়ে নিজের ঘরে গেল।মনে মনে বললো চান্দু বহু জালিয়েছো এবার বুঝবে তিথী কি জিনিস। চলবে.....


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১২৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ প্রিয় তুমি ৭
→ প্রিয় তুমি পর্ব ৬
→ প্রিয় তুমি পর্ব ৫
→ প্রিয় তুমি পর্ব ৪
→ প্রিয় তুমি পর্ব ৩
→ প্রিয় তুমি পর্ব ১
→ ♥♥ প্রিয় তুমি ♥♥
→ প্রিয়া তুমি জেওনা???বাই_আব্দুল্লাহ আল মামুন

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...