বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

একটি সুইসাইড নোট

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ᴍᴅ. ɪǫʙᴀʟ ᴍᴀʜᴍᴜᴅ (২৫১ পয়েন্ট)



X গল্প লিখেছেন : Gazi Parvez অনেক অসহ্য যন্ত্রণা হচ্ছে । আর বাচঁতে ইচ্ছে করছেনা । যন্ত্রণা এতোই তীব্র যে বারবার সিদ্ধান্ত নিচ্ছিলাম সুইসাইড করবো । এবার রেজাল্টের পর চারদিকের মানুষের হাসিঠাট্টা আর সহ্য হচ্ছে না । না এবার আর রাখবো না এই জীবন । . আজ রাতেই নিজেকে শেষ করে দিবো ভাবছি । সারাদিন ছটফট করছি, রাতের জন্য অপেক্ষা । একটি মানুষ কতটা ডিপ্রেশনে থাকলে নিজেকে শেষ করে দিতে চায়, বুঝুন একবার । আজ আমিও বুঝলাম মানুষ কেন সুইসাইড করে । . অবশেষে রাত হলো । বাসার সবাই এখন খেতে বসবে, আমি রুমে শুয়ে থেকেই সময় কাটাই এই কয়দিন । মানুষের হাসির পাত্র হবার থেকে একা থাকতেই ভালো লাগে । দুইবার মা খেতে ডাকলো, বলেছি খাবো না । এরপর ভাইয়ারা এসে নিয়ে গেলো । সত্যি বলতে জীবনে কঠিন সময়ে আমার পরিবারের সবাই খুব পাশে আছে আমার । . আম্মা, আব্বু ভাইয়া সবাই নিজে হাতে তুলে খাইয়ে দিচ্ছে আমাকে। আজ কেনো জানি অনেক সুন্দর লাগছে পৃথিবীকে । খুব সুখি মনে হচ্ছে, হয়তো চলে যাবো সেজন্য । . সবাই যার যার রুমে গিয়ে শুয়ে পড়েছে । আম্মা আর ভাইয়ারা এসে অনেক বুঝাইছে মানুষের কথায় কিছু মনে না করতে । নিজের মতো চেষ্টা করে যা । মাথা নাড়িয়ে সম্মতি জানালাম । সবাই যে যার মতো রুমে চলে গেলো। আজকে সবার ভালোবাসাটা একটু বাড়ছে। নাকি আমার কাছে এরকম মনে হচ্ছে বুঝতে পারছি না । . সবাই ঘুমিয়ে গেছে, আমিও রুমের দরজা লক করে একটি সুইসাইড নোট লিখতে বসলাম । যতোই লিখছি, ততোই চোখে ভাসছে মা-বাবার স্নেহ ভালোবাসা, আমার জন্য কত কষ্ট করে বাবা, তা চোখে ভাসছে । ভাইদের ভালোবাসা চোখে ভাসে । রাতে খালি মানিব্যাগ টেবিলের উপর রাখি, সকালে দেখি টাকা ভর্তি । বুঝতে বাকি থাকেনা “আম্মা নাইলে ভাইয়ার কাজ এটা । এতো ভালোবাসা সুইসাইড নোট লিখতে চোখে ভাসছে । . সুইসাইড নোট লিখতে লিখতে চোখে পানি এসে গেলো । মুহূর্তের জন্য থমকে গেলাম, লেখা বন্ধ করে চিন্তা করলাম আমি কি ঠিক করছি । কার জন্য কেন সুইসাইড করবো, অন্য মানুষের জন্য কেন নিজের জীবন দিবো । আমার কাছে আমার পরিবার তো সব, আমার পরিবার আমাকে এতো ভালোবাসে, সেখানে অন্য মানুষের কথায় কি আসে যায় । . সব চিন্তা করে ছিঁড়ে ফেলে দিলাম সুইসাইড নোট । চোখের পানি মুছে ফেলে প্রতিজ্ঞা করলাম পরিবারের ইচ্ছে পূরণ করবো । অন্য কে কি বলছে তাতে কান দিবো না আর । নিজের জীবন সুন্দর করার প্রতিজ্ঞা করলাম । আবারো নতুন করে শুরু করবো । . [বিঃদ্রঃ- এটি আমার জীবন কাহিনী নয়, শুধু তাদের জন্য, যারা সুইসাইডের মতো মারাত্মক সিদ্ধান্ত নেয়]


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৩০ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...