বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বিশ্বাস যখন হাড়িয়ে যায় ||

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Tufan Chakma (২৫৩ পয়েন্ট)



X আশা করি পোস্টটটা শেষ পযর্ন্ত পড়বেন।কারন ভালোবাসা সব থেকে যেটা দরকার,সেটা হলো বিশ্বাস।অার সেটার উপর ভিক্তি করেই একটি গল্প তৈরি করা হয়েছে। ছেলেঃ তুমি কাল ফেসবুকে গিয়েছিলে? মেয়েঃ না তো!! ছেলেঃ মিথ্যা বলো কেন? মেয়েঃ তোমার সাথে আমি মিথ্যা বলব কেন?আজব তো!! ছেলেঃ তোমার সাথে আমার আরেকটা আইডি এড আছে।আমি কালকে তোমাকে ফেসবুকে দেখেছি!! মেয়েঃ ওই হ্যা,গিয়েছিলাম একবার, ,মনে নাই!! ছেলেঃ তাহলে আমাকে অফলাইনে রাখলে কেন? মেয়েঃ কই নাতো? ছেলেঃ হ্যা তুমি আমাকে অফলাইনে রেখেছো! মেয়েঃ আচ্ছা,আমি দেখবো,মনে নেই আমার। ছেলেঃ তুমি ফেসবুকে যাও তাতে আমার কোন সমস্যা নাই;;কিন্তু আমাকে অফলাইনে রাখবা এর মানে কি? মেয়েঃ বললাম তো কবে রাখছি মনে নেই, ,দেখতে হবে? ছেলেঃ তারপর কার কার সাথে কথা হলো? মেয়েঃ কারোর সাথে না,এমনি কিছুক্ষণ পর থেকে বের হয়ে গেছি। ছেলেঃ মিথ্যা বলো কেন?তোমার সাথে Ri Do Y চ্যাটিং হয়নি। মেয়েঃ আরে নাহ,কি বলো।তোমার বারন করার পর থেকে আমি Ri Do Y সাথে কথা বলি না। ছেলেঃ Ri Do Y তো আমাকে বলেছে ।তোর গার্লফেন্ড এর সাথে চ্যাটিং করছি। মেয়েঃ ওই Ri Do Y একটু hi / hlw বলল এই আর কি? ছেলেঃ তুমি কিছু বলো নাই। মেয়েঃ পাগল নাকি।তুমি বারন করার পর আবার ওই ছেলের সাথে কথা। ছেলেঃ মিথ্যা বলছো কেন?তুমি তো ওর সাথে অনেক রোমান্টিক চ্যাটিং করেছো আমি জানি। মেয়েঃ দেখো তুমি কিন্তু আমাকে অবিশ্বাস করছো? ছেলেঃ যা সত্ত্যি আমি তাই বলছি।তুমি Ri Do Yকে আই লাভ ইউ বলো নাই?? মেয়েঃ তোমার কাছে আমার কথা চেয়ে Ri Do Y এর কথায় মূল্যই বেশি হলো? তুমি না আমাকে বিশ্বাস করো?এই তোমার বিশ্বাস। ছেলেঃ হ্যা আমি তোমাকে অনেক বিশ্বাস করি কিন্তুু এই ঘটনার পর আমার নিজেকেও বিশ্বাস করতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। মেয়েঃ আমি সত্ত্যিই বলছি ওর সাথে আমার এমন কোনো কথা হয়নি। ছেলেঃ তোমার ফেসবুক পাসওয়ার্ড আমি জানি।তোমার পাসওয়ার্ড ****** এটা না?? মেয়েঃ কি? আমার পাসওয়ার্ড তুমি কেমন করে জানো?? ছেলেঃ যেমন করে হোক আমি জানি।আর তোমার সাথে আমার কোনো আইডি এড নেই,এবং Ri Do Yও আমাকে কিছু বলেনি!তবে তুমি যখন Ri Do Y সাথে চ্যাটিং করছিলে। আমি তখন তোমার আইডিতে ছিলাম।তোমাদের সব চ্যাটিং পড়েছিলাম।আমি মিথ্যই বলছি এই কারনে আমি দেখতে চেয়েছি ।তুমি আমার কাছে কতটুকু সত্য বলো।কিন্তু আপসোস তুমি আমাকে শুধু মিথ্যই বলে চলে গেছো। মেয়েঃ তুমি আমাকে না বলে আমার ফেসবুক আইডিতে ডুকছো কেন??তুমি আমার পাসওয়ার্ড চুরি করছো? ★★এই কথাটা বলেই লাইনটা কেটে দেয় ছেলেটা। মেয়েটির আর ছেলেটির সম্পর্কটা ছিলো ২ বছরে মাসের ছেলেটি মেয়েটিকে খুব ভালোবাসতো ।কিন্তু মেয়েটি বার বার ছেলেটির বিশ্বাস ভেঙ্গেছে।তবুও মেয়েটি বার বার এই রকম করে যায়।সেদিন ছেলেটির আর মেয়েটির কোন কথা হয়নি। পরদিন ছেলেটি কে ফোন দিলো মেয়েটি মেয়েঃ হ্যালো। ছেলেঃ বলো। মেয়েঃ সরিgj ছেলেঃকেন? মেয়েঃ কালকে ঘটনার জন্য। ছেলেঃ কি করছিলে তুমি যে সরি বলছো। মেয়েঃ Ri Do Y সাথে ওই রকম চ্যাটিং করার জন্য।আসলে আমি মজা করেছি,এইসব আমি সিরিয়াসলি বলি নাই। ছেলেঃ ভালোবাসা তোমার কাছে মজা।তাহলে কি আমার ভালোবাসাটা ও তোমার কাছে মজা ছিলো? মেয়েঃ আরে তা না।আমি ওর সাথে Just Fun করছি।আর করবো না প্রমিস। ছেলেঃ এই নিয়ে পাঁচবার তুমি প্রমিস করেছো।আর বলেছো এমন করবে না। মেয়েঃ এটাই লাস্ট,Trust Me Baby Plz... ছেলেঃঅনেক বিশ্বাস করেছি তোমাকে।আর না। মেয়েঃসরি সরি সরি আর হবে না তো সত্ত্যি বলছি প্রমিস। ছেলেঃআই এ্যাম সরি।ভালো থেকো। ★★এই কথাটা বলেই লাইনটা কেটে দেয় ছেলেটি ।একজন মানুষকে কতবার বিশ্বাস করা যায় ছেলেটি সেটা জানে না।কিন্তু সম্পর্কটা টিকিয়ে রাখার জন্য ছেলেটি বার বার মেয়েটিকে বিশ্বাস করেছে,তাকে সুযোগ দিয়ে গেছে।কিন্তু মেয়েটি বার বার ছেলেটির বিশ্বাস ভঙ্গ করেছে,আসলে কিছু কিছু মানুষের কাছে ভালোবাসাটা Just Fun.আজ মেয়েটি হয়তো অন্য কারোর হাতে হাত রেখে ঘুরছে। আর ছেলেটা এখনো মেয়েটির অপেক্ষায় আছে। ★★★আর যেকোনো সম্পর্কে মূল ভিক্তিই হলো বিশ্বাস। বিশ্বাস ছাড়া সম্পর্ক বাচে না ।হে বিশ্বাস অর্জন করতে অনেক সময় লেগে যায়।কিন্তু বিশ্বাস ভাঙ্গতে এক মুহুর্ত ও লাগে না। তাই আমাদের উচিত বিশ্বাসের মযার্দা দিয়ে চলা। কারন একবার যদি বিশ্বাস ভেঙ্গে যায়। তাহলে সেটা জোড়া লাগানো সম্ভব হবে না★★★


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৯৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...