বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বিড়াল চোখা

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান পারিজাত তারন্নুম অথৈ(guest) (২২৯২ পয়েন্ট)



X –হুশ,হুশ......যাহ্ এইখান থেইক্কা। –কি হইছে বুবু? –কি হইবো আবার?বিলাই চোক্ষাডা ঘরে আইয়া পড়ছে।তরে কয়বার কইছিলাম বটতলায় না যাইতে? হুনছিস তুই কতা? অহন এই বিলাই চোক্ষা তরে ছাড়বো না।তর লগে আমাগোরে শেষ করবো। –বুবু তুই এত চিল্লাবা না তো। অহন আধুনিক যুগে আইসা যদি এইসব কও তবে মাইনষে কি কইবো? –রাখ তোর মাইনষের চিন্তা।অহন ঘুমা,সক্কালে উইঠা আম্মারে কইতে হইবো তোর কতা। ঝিনুক আর লিলি দুই বোন।ঝিনুক লিলির চেয়ে তিন বছরের বড়।ঝিনুক খুব শান্তশিষ্ট নম্র স্বভাবের।আর লিলি সে খুব চটপটে স্বভাবের। সে ভুতে বিশ্বাস করে না।তাই আজ বিকেলে একজনের সাথে বাজি ধরে বটতলায় গিয়েছিলো।সে ছোট থেকেই শুনে আসছে এই বটগাছের বিড়াল চোখার কথা।শোনা যায় এই বিড়াল চোখা একবার যার পিছু করে তাকে আর ছাড়ে না।একদম কবরে যাওয়া পর্যন্ত নাকি সেই মানুষ কে জ্বালায়।কিন্তু এই বটগাছ আর এই বিড়াল চোখার সাথে লিলির পরিবারের একটি যোগসূত্র আছে, যা লিলি খুব ভালো করেই আন্দাজ করেছে।কারণ কারো এই বিড়াল চোখা নিয়ে কোনো সমস্যা হলেই তার মায়ের কাছে আসে। সকালে, –আম্মা ও আম্মা, আমগো লিলি কি করছে সে খবর তুমি কি রাখো? –ক্যান রে ঝিনুক? কিয়ার ছে ওয়? –তোমার ছোডো মাইয়া ওই বটতলায় গেছিলো।কাল রাইতে ঐডা তোমার মাইয়ার লগে ঘরে আইছে। –আয় হায়, কছ কি? –হ, যা কই সব সত্যি। –হুন, অহন ওরে চোখে চোখে রাখবি।বাড়ির সীমানা পার অইতে দিবি না।আমি দেহি কিছু করণ যায় নি। –আইচ্চা। তারপর বেশ কয়েকদিন সবাই লিলি কে বেশ চোখে চোখে রাখলো।যখন কিছুই ঘটলো না তখন সব কিছুই আগের মতন স্বাভাবিক হয়ে গেলো।তবে একদিন ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে ঘরে ফিরে কাঁদতে দেখা গেল লিলি কে। –কিরে কাঁদস ক্যান? –বুবু, ওই বটতলার পাশে দিয়া যাইতা ছিলাম।তহন একটা মাইয়া পিছনতেন আইয়া আমারে ডাকতা ছিল।আমি গেলাম ওর কাছে।যাইয়া দেহি মাইয়াডার পা মাটিত নাই।আমি দৌড়াইয়া আসতে লমু আরকি মাইয়াডা আমার হাতে আঁচড় দিছে।এই দেহো। –ওরে আল্লাহ রে। আম্মা ও আম্মা দেহো না।আমগো লিলিরে কি করছে ওই বিলাই চোক্ষাডা। –কি হইছে? আল্লাহ রে, লিলি তোরে আঁচড় দিসে ঐডা। তোরে কতবার কইরা সাবধান করছিলাম। –আম্মা, অহন না চিল্লাইয়া কিছু করণ যায় নি সেডা দেহ। –হ,ঠিক কইছিস।তুই ওরে নিয়া ঘরে থাক।আমি যাইতাছি তোর বড় চাচার বাড়ি।দেহি তোর চাচী কিছু করবার পারে নি। –আইচ্চা,যাও তুমি।আমি ওরে দেইখা রাখমু নি। লিলির মা তার চাচীর কাছে গিয়ে সব খুলে বললে তার চাচী তার মা কে তেল পড়া দিয়ে লিলি কে চোখে চোখে রাখতে বললেন। রাতে....... –লিলি, লিলি রে দরজা ডা খুইলা দে না। –কে? বুবু, বুবু দেহ না।আমারে কে যেন ডাকতাছে? #চলবে


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১১৯ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...